সম্পর্কের খাতিরে নিজেকে খুব বেশি-333157 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


সম্পর্কের খাতিরে নিজেকে খুব বেশি বদলানোর চেষ্টা করছেন কি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৬ ১১:৪২



সম্পর্কের খাতিরে নিজেকে খুব বেশি বদলানোর চেষ্টা করছেন কি?

সম্প্রতি নতুন সিনেমা বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলেছেন বলিউডের ফ্যাশন আইকন সোনম কাপুর। সাবেক প্রেমিকের কথা বলতে গিয়ে জানিয়েছেন, তাকে ভালো রাখতে তিনি কতটা বদলেছিলেন। বললেন, সম্পর্কের বাঁধনে জড়িয়ে তাকে খুশি করতে আমি অনেক পাগলাটে হয়ে উঠেছিলাম। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভেঙে যায়। কারণ আমি বুঝেছিলাম, কারো জন্যে নিজেকে বদলে ফেলা সম্ভব নয়।

ভারতের এক মনোবিজ্ঞানী নেহা শাহ বলেন, সঙ্গী-সঙ্গিনীর মন মতো চলার প্রবণতা সব মানুষের মধ্যে থাকাটা স্বাভাবিক। অপরের কাছ থেকে নিজেরও কিছু চাহিদা রয়েছে। এর জন্যে মানুষ অনেক বদলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বদলে যাওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকা আবশ্যক। আশা পূরণ এবং ভালোবাসা ও দয়ার আকাঙ্ক্ষা সম্পর্ককে গভীর করে। তবে কারো আশাবাদ যদি দৃঢ় চাহিদায় পরিণত হয়, সে ক্ষেত্রে মানুষের আদর্শ-মূল্যবোধের স্খলন ঘটতে পারে। ধীরে ধীরে নিজের প্রতি বিতৃষ্ণাও চলে আসে। তাই প্রত্যেকের নিজেকে বদলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমা বেঁধে দেওয়া জরুরি। অপরের সঙ্গে আন্তরিক আলাপচারিতা সমাধান আনতে পারে।

বেশির ভাগ সময়ই আত্মনিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে ওঠে। কারণ সঙ্গী-সঙ্গিনী যা চাইছেন তা পূরণ করতে না চাইলে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার অনেক সময় আশাবাদ ক্ষতিকর না হলেও কেউ একজন তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টায় থাকেন। এ সময় অহংবোধ কাজ করে। মনের এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে আলোচনা সম্ভব বলেই মনে করেন মনোবিজ্ঞানী।  

অসংখ্য সম্পর্কে আশা ও চাহিদা খুব বেশি থাকার পরও সমস্যা হয় না। তবে এ ক্ষেত্রেও দুজন সম্পর্ককে কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। তাই দুজনের মধ্যেই এ বিষয়ে আলাপচারিতা চলতে পারে। পরস্পরের চাহিদা সম্পর্কে দুজনেরই জানান দিতে হবে। একাধিক চাহিদা মিলে মিশে বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি দুজনই উপলব্ধি করলে বহু সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

 

মন্তব্য