সংসার সুখের হয় স্বভাবের গুণে!-333001 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০১৬। ১৬ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৮ জিলহজ ১৪৩৭


সংসার সুখের হয় স্বভাবের গুণে!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০১:২৫



সংসার সুখের হয় স্বভাবের গুণে!

যদি কারও সত্যিকারের স্বভাব সম্পর্কে জানতে হয়, তবে সেই ব্যক্তির চেয়ে সামাজিক অবস্থান এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নীচে থাকা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ব্যবহার দেখা উচিত। সেখানেই আসল রূপটি ফুটে বের হয়। শুধু ঘরের বাইরে নয়, চার দেওয়ালের মধ্যেও শুধুমাত্র কটু স্বভাবের জন্য পরিস্থিতি খারাপ হতে হতে শেষ পর্যন্ত ভাঙন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু স্বভাবে সামান্য পরিবর্তন আনলেই রোখা যায় ভাঙন।

আর ঘর ঠিক থাকলে বাইরেটাও ঠিক থাকবে এটুকু আমাদের গ্যারান্টি। কোনও ব্যক্তি যদি সাংসারিক দিক থেকে ভালো থাকেন, তবে তিনি আর পাঁচজন মানুষের তুলনায় অনেক জটিল পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন। সংসার আরও ভালো করে গড়ে তুলতে কোন কোন স্বভাবে পরিবর্তন আনবেন তা জানাচ্ছি আমরা।

১. চট করে মাথা গরম করে ফেলা।
২. পান থেকে চুন খসলেই দোষারোপ করা। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কু-কথার স্রোত।
৩. অতিরিক্ত অহংকার।
৪. মানুষকে তুচ্ছ জ্ঞান করা।
৫. কারও পেছনে তাঁর নিন্দা করা।
৬. বিশ্বাসভঙ্গ করা। কারও গোপন কথা প্রকাশ করে দেওয়া।
৭. অনিচ্ছাকৃত ভুল ক্ষমা না করা।
৮. হিংসা এবং বিদ্বেষ।
৯. কিপটেমি করা।
১০. স্ত্রীর সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করা।
১১. বাড়ির কাজের লোক বা অধস্তন কর্মচারীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা।
১২. উপকারের পরিবর্তে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা। উল্টে উপকার করা ব্যক্তির ক্ষতির চিন্তা করা।
১৩. নির্লজ্জতা।
১৪. অশালীন ভাষায় কথা বলা।
১৫. কোনও কাজ করে তা নিয়ে ক্রমাগত কথা শোনানো।
১৬. নির্দোষ মানুষকে অপমান করা। কাউকে অকারণ দোষী প্রতিপন্ন করার চেষ্টা।
১৭. কারণে-অকারণে চিত্‍কার করা, খারাপ ভাষা প্রয়োগ করে ঝগড়া করা।
১৮. সকলের সামনে কোনও ব্যক্তিকে খারাপ নামে সম্বোধন করা।

এই ব্যবহারগুলির মধ্যে কোনো একটিও আপনার মধ্যে থাকলে তা ত্যাগ করার চেষ্টা করুন। যদি আপনি নিজেকে পাল্টান, তবেই আপনি অন্য মানুষের কাছ থেকে পরিবর্তন আশা করতে পারেন। মনে রাখবেন, চ্যারিটি বিগিন্স অ্যাট হোম। শুভারম্ভটা নিজেকে দিয়েই করুন।

সূত্র: এই সময়

মন্তব্য