সত্যিকার নেতার ৩ অনন্য বৈশিষ্ট্য-332500 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


সত্যিকার নেতার ৩ অনন্য বৈশিষ্ট্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৬ ১৯:০৫



সত্যিকার নেতার ৩ অনন্য বৈশিষ্ট্য

প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে অনেকেই থাকেন। কিন্তু সবাই সত্যকারের নেতা হতে পারেন না। কারণ নেতা হতে বয়স বা ক্ষমতার চেয়ে বেএশি প্রয়োজন বিশেষ কিছু গুণ। এসব গুণবাচক বৈশিষ্ট্যের কারণেই তারা সত্যিকার নেতার আদর্শ বলে গণ্য হয়ে থাকেন। এসব বৈশিষ্ট্য এমন যা সময় বা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে না। এখানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আদর্শ নেতার ৩টি বৈশিষ্ট্যের কথা।

১. প্রত্যয় : দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ করেন সত্যিকার নেতারা। এমনকি তাদের সেই পছন্দ বা মতামত অন্যের পছ্ন্দ না হলেও তারা প্রতিজ্ঞা থেকে সরে আসেন না। যা ঠিক বলে মনে হয়, তারা তাই করেন। জ্যাপোস-এ্রর সিইও টনি সিয়া তেমনই একজন নেতা। তিনি গতানুগতিক বিভাগীয় প্রধানদের প্রমোশন নয়, ডিমোশন দেন। নতুন কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার আগে বিশেষ প্রস্তাব দেওয়া হয়। হয় নিয়োগপত্র পাবেন, অথবা কাজের বিনিময়ে ২ হাজার ডলারের স্টাইপেন্ড নিতে পারবেন। মূলত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন এমন কর্মীদের হটাতেই এমন সিদ্ধান্ত তার। নীতি নির্ধারকদের কাছে টনি তার প্রতিশ্রুতির বিষয়ে অটল। বহু সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু নিজের কার্যকর পদ্ধতি থেকে এক চুলও নড়েননি। এ পদ্ধতি প্রয়গোর ফলে প্রতিষ্ঠানে এখন আদর্শ কর্মীবাহিনী গড়ে উঠেছে। তার দৃঢ় প্রত্যয় কর্তৃপক্ষের কাছে দারুণভাবে প্রশংসিত।

২. অনুপ্রেরণা দেওয়া : কর্মীদের সেরাটা বের করে আনতে এবং সেরাদের চিহ্নিত করতে আদর্শ নেতারা অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। এর সঙ্গে যোগ করেন উৎসাহ, উদ্দীপনা, সাহস, জ্ঞান ও পুরস্কার। কোনো মানুষের জন্যে একটি ভালো চাকরিই যথেষ্ট নয়। তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনি কেমন নেতার অধীনে কাজ করছেন। হেলথ ইন্সুরেন্স কম্পানি এটনার সিইও মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হন। একটু সুস্থ হয়ে তিনি মানসিক শান্তি লাভে ইয়োগা শুরু করেন। এর সুফল পেয়ে মুগ্ধ তিনি। নিজে যা পেয়েছেন তা করপোরেট জগতে ছড়িয়ে দিতে চান। অফিসের কর্মীদের জন্যে বিনামূল্য ইয়োগা ক্লাসের ব্যবস্থা করেছেন। যা পেয়েছেন তার পুরোটা দিতে চান অধীনস্ত কর্মীদের। অফিসের কর্মীরাও এখন এক অনাবিল মানসিক শান্তি লাভ করছেন। তারাও ধীরে ধীরে আরো বেশি সফল হয়ে উঠছেন।

৩. উৎসাহ : সত্যিকার নেতারা কখনো ব্যবস্থাপনা করেন না। তারা এ কাজটি অন্যভাবে করেন। তারা করিয়ে নেন। তারা আদর্শ উপায়ে কাজ করতে কর্মীদের উৎসাহ প্রদান করেন। যার যার মূল্যবোধ ও বিশ্বাসকে সামনে রেখে প্রত্যেককে উদ্দীপ্ত করে তোলেন। প্রত্যেকের মাঝেই কিছু আবর্জনা জমে ওঠে যা তাকে পিছিয়ে রাখে। এগুলো দূর করে দেন সত্যিকার নেতারা। অন্যদের এমনভাবে উজ্জীবিত করেন যে দারুণভাবে বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পারেন। এটাই সত্যিকার নেতার বৈশিষ্ট্য। সূত্র : ফোর্বস

 

মন্তব্য