কিডনির স্বাস্থ্য বিষয়ে যা জানতে হবে-331763 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


কিডনির স্বাস্থ্য বিষয়ে যা জানতে হবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৫২



কিডনির স্বাস্থ্য বিষয়ে যা জানতে হবে

আমাদের দেহ বড়ই জটিল এক যন্ত্র। এর মধ্যকার নানা জটিল ও কুটিল পদ্ধতির সুষ্ঠু কার্যক্রমের ওপর আমাদের সুস্থতা নির্ভর করে। কিনডি দেহের আবর্জনা মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেয়। আবার রক্তে ক্ষতিকর 'ক্রিটেনাইন'-এর মাত্রা অনেক কমিয়ে রাখে। মানুষের কিডনির সমস্যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। এ সংক্রান্ত নানা তথ্য জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. সমস্যা যা হতে পারে : কিনডিতে পাথর বড় সমস্যার একটি। এ পাথর তখনই তৈরি হয় যখন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্ফটিক পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে না। আবার মূত্রের কিছু উপাদান এসব স্ফটিক একটির সঙ্গে অপরটির লেগে যাওয়া প্রতিরোধ করে। এ উপাদানের অভাবেও পাথর তৈরি হয়। সাধারণ মূত্রের মাধ্যে স্ফটিক পদার্থগুলো গলে যায়। যখন তা দ্রবীভূত হয় না তখন পাথরের গঠন পেতে থাকে।

কিডনিতে ক্যান্সারের আক্রমণও ঘটতে পারে। এই প্রত্যঙ্গে ক্যান্সার হলে কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না। ভারতে কিডনির সমস্যা নিয়ে আসেন এমন ৬০ শতাংশ রোগীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। বয়স ৫০ পেরোলে বছরে একবার সনোগ্রাফির মাধ্যমে দেখা উচিত ক্যান্সার হয়েছে কিনা। কিনডি ক্যান্সারের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিটা হলো রোবোটিক সার্জারি যা রক্ত ও যন্ত্রণাহীনভাবে কার্য সম্পাদন করে।

কিডনি বিষয়ে কিছু ভুল : কিডনিকে রোগাক্রান্ত করার ক্ষেত্রে আমাদেরই কিছু ভুল কাজ দায়ী। ভারতের মথুরার নয়াটি মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের নেফ্রোলজি অ্যান্ড কিডনি বিভাগের পরিচালক ড. কৃষ্ণা মোহন সাহু আমাদের এমনই কিছু ভুল কাজের কথা তুলে ধরেছেন।

১. কম পানি খাওয়া : পানি কম খেলে এমনিতেই ডিহাইড্রেশন হয়। কমে যায় রক্তচাপ এবং রক্তের ঘনত্ব কমে যায়। এ সব অবস্থা কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এর কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটায়।

২. মূত্র চাপিয়ে রাখা : মূত্র চাপিয়ে রাখলে মূত্রনালীতে সংক্রমণ হতে পারে। এ ছাড়া কিডনিতে বিপরীতমুখী চাপ সৃষ্টি করে জমিয়ে রাখা মূত্র। পাশাপাশি ভোভরান বা ব্রুফেন টাইপের ব্যথানাশক ওষুধ সরাসরি কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৩. অ্যালকোহল ও তামাক : দীর্ঘদিন ধরে তামাক ও অ্যালকোহল গ্রহণ করলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪. অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার : বেশি বেশি লবণ, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও সফট ড্রিঙ্কস কিডনির জন্যে ক্ষতিকর। বেশি লবণ খেলে কিডনি প্রচুর প্রোটিন হারায়। এতে কিডনির নানা রোগ দেখা দিতে পারে। এতে পাথর তৈরি হতে পারে।

৫. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ : কিডনি ঠিক রাখতে হলে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তা ছাড়া খুব বেশি পরিমাণ প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলেও কিডনিতে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

মন্তব্য