ফিটনেস বিষয়ে প্রচলিত ৮টি ভুল ধারণা-331352 | জীবনযাপন | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


ফিটনেস বিষয়ে প্রচলিত ৮টি ভুল ধারণা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২ মার্চ, ২০১৬ ১৮:৪৯



ফিটনেস বিষয়ে প্রচলিত ৮টি ভুল ধারণা

ফিটনেস টিপস পেতে স্বাস্থ্যসচেতন মানুরা মুখিয়ে থাকেন। অসংখ্য ফিটনেস টিপসগুলোর মধ্যে বহুল প্রচলিত রয়েছে বেশ কয়েকটি। আবার এমনো টিপস বহু কাল ধরে মানুষ মেনে আসছে যা কিনা পুরোপুরি ভুল। এখানে বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন এমনই কিছু প্রচলিত ভুল ধারণার কথা।

১. ওজন কমাতে হলে ব্যায়াম করতে হবে। এ ধারণাটি সত্য নয়। আমেরিকার মায়ো ক্লিনিক 'সরু ফ্যাট'-এর কথা বলে। সরু দেহেও মেদ থাকতে পারে যা স্থুলকায়দের মতোই বিপজ্জনক। নারীদেহে ৩০ শতাংশ চর্বি এবং পুরুষের দেহে ২০ শতাংশ চর্বি থাকলেই তাকে বিপজ্জনক বলে দেখানো হয়েছে।

২. সাইজ জিরো বলে এক কথার প্রচলন আছে। এর মাধ্যমে মেদহীন সরু দেহের কথা বলা হয়। আবার এ কথার মাধ্যমে যেকোনো মানুষকে আরো এক ইঞ্চি বাড়তে নিরুৎসাহিত করা হয়। আসলে সাইজ জিরো বলতে এমন এক অবস্থার কথা বলা হয় যা সুস্থ নয়, আবার সুন্দরও নয়।

৩. পেটের ব্যায়াম করলে পেট মেদহীন হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। আসলে মোটেও তেমনটা ঘটে না। ওজন কমানো এবং বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠু করার মাধ্যম মেদহীন পেট পাওয়া যেতে পারে।

৪. কষ্ট ছাড়া কেষ্ট মেলে না। এ কথা সবাই মানেন। কিন্তু ব্যায়ামের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ তা মানতে নারাজ। এটা ভুল তথ্য। পেশির অবসাদ দূর করতে ঘাম ঝরানো প্রয়োজন। ব্যায়ামাগারে একে বলা হয় ক্যালোরি পোড়ানো। দেহে ব্যথা হতে পারে। দেহে ব্যথা হলে ভাবা হয় কাজ হচ্ছে। কিন্তু এর অর্থ কিছু একটা ভুল উপায়ে করা হচ্ছে।

৫. স্বাস্থ্য সচেতনরা শিখে এসেছেন, কার্বোহাইড্রেট দেহের জন্যে ক্ষতিকর। একে এড়িয়ে খুব বেশি দিন ব্যায়াম চালিয়ে যেতে পারবেন না। কারণ, শ্রমের জ্বালানী হিসাবে কাজ করে কার্ব। এ ছাড়া মস্তিষ্ককে কাজ করতেও প্রয়োজন গ্লুকোজ।

৬. ওজন কমাতে অনেকেই প্রোটিন শেকস খেয়ে থাকেন। এটি ওজন কমানোতে কোনো ভূমিকা রাখে না। প্রোটিন শেকস-এ সাধারণত সস্তাদরের প্রোটিন, ভিটামিন, চিনি এবং রং থাকে। এগুলো দেহের জন্য ভালো। কিন্তু তা ক্ষুধায় পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি দেয় না। এর জন্যে আপনার প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর বেশি খাবার। আর যতই খান না কেন, তা হজম প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকলে কোনো ক্ষতি হবে না।

৭. অনেকেই মনে করেন, ডিমের সাদা অংশ খেতে হয়। কুসুম এড়িয়ে যান। অথচ এটি ভুল তথ্য। ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের গবেষণায় দেখা গেছে, ডিমেস কুসুম দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টরেল কমাতে সহায়তা করে। তাই সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুম খেতে হবে।

৮. নারীদের বলা হয়, ঋতুকালীন ব্যায়াম করতে নেই। এটি মোটেও ঠিক কথা নয়। পিরিয়ড চলছে মানে আপনি অক্ষম হয়ে যাননি। যেকোনো কাজ এ সময় করতে পারেন। ব্যায়াম দেহে এন্ড্রোফিন নামের হরমোন নিঃসরণ করে। একে প্রাকৃতিক বেদনানাশক বলা হয়। কাজেই ব্যায়াম এ সময় পিরিয়ডের ব্যথা দূর করতে পারে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

মন্তব্য