kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রেমের কয়েকটি অবিশ্বাস্য বিজ্ঞানসম্মত ফ্যাক্টস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মার্চ, ২০১৬ ১৭:৩১



প্রেমের কয়েকটি অবিশ্বাস্য বিজ্ঞানসম্মত ফ্যাক্টস

প্রথম দেখায় প্রেম হয় কি না- দ্বিমত আছে। কে প্রথম কাছে এসেছিল- দ্বিমত আছে।

প্রেম কি শুধুই দৈহিক টান, কেবলই হরমোন সিক্রিশন- দ্বিমত আছে। প্রেম ও ভালোবাসাকে নিয়ে এরকম একাধিক দ্বিধা, ধন্দ আছে মানুষের মনে। কিন্তু প্রেমের যে কয়েকটি অদ্ভুত সত্যও আছে, জানেন কি? চলুন জেনে নিই সেইসব বিজ্ঞানসম্মত ফ্যাক্টস -

এক মানসিকতার যুগলের প্রেম বেশিদিন টেকে না
- কথাতেই আছে opposite poles attract। কথাটা শুধু মুখের কথা নয়। বিজ্ঞানমতে প্রমাণিত। বিপরীত মেরুর যুগল একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে বলেই এমন মত পোষণ করে গবেষকমহল। কিন্তু একই ব্যক্তিত্ব যে দু-জন মানুষের, শুরুর দিকে তাদের মধ্যে প্রেম থাকলেও, পরে তা টেকে না। কারণ, একটাই, same poles does not attract।

প্রেমে পড়লে মানুষের সৃজনশীলতায় বৃদ্ধি ঘটে
-তামাম সৃজনশীল সমাজেরই এক মত। ফলে ক্রিয়েটিভ ব্যক্তিদের বারবার প্রেমে পড়ার দুর্নাম আছে। কিন্তু এ তথ্য বৈজ্ঞানিক মতে প্রমাণিত সত্য। প্রেমের মানুষের সঙ্গে কাটানো সময় ব্যক্তির সৃজনশীলতা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। মস্তিষ্কের ৫টি ইন্দ্রিয় ফুলে যায়। ফলে ব্যক্তির ক্রিয়েটিভিটিও বাড়তে থাকে।

প্রেমে আলিঙ্গন সবচেয়ে ফলদায়ী মলম
-মনের কষ্ট, দেহের যন্ত্রণা সারাতে ভালোবাসার মানুষের আলিঙ্গন খুব বড় দাওয়াই। এর ফলে দেহে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, তাতে নার্ভ শিথিল হয়ে ওঠে। ব্যথা, বেদনা নির্মূল হয়।

মাত্র ৪ মিনিটে প্রেমে পড়ে মানুষ
-শুনতে অলীক হলেও এই তথ্য বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য। মাত্র ৪ মিনিটে মানুষ প্রেমে পড়ে। যাকে বলে Love at First Sight। প্রথম দেখাতেই প্রেম। হ্যাঁ, বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, প্রথম দর্শনে সত্যি সত্যি প্রেম হয়। তবে মানুষ প্রেমে পড়ে অপর মানুষের ব্যক্তিত্বে, বচনভঙ্গিতে ও দৈহিক সৌন্দর্যে। মন জানা যদিও সম্ভব নয়।

কোকেইন নেওয়া ও প্রেমে পড়ার অনুভূতি এক
-বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, প্রেমে পড়লে দেহে যে উত্তেজনা তৈরি হয়, কোকেইন খেলেও নাকি এক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কোকেইন খেলে মস্তিষ্কের ১২টি অংশ ফুলে যায়, প্রেমে পড়লেও নাকি তাই হয়।

বুক ধড়ফড়ানির সঙ্গে প্রেমের যোগ
-প্রেমিক/প্রেমিকা যদি একই সঙ্গে একদৃষ্টিতে একে অপরের চোখের দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে, তাদের হৃদপিণ্ডের ধুকপুক মিলে যায়। একই ছন্দে দুটি হৃদযন্ত্র ধড়ফড় করতে থাকে। এই তথ্যটিও বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন।


মন্তব্য