kalerkantho


বিমানবন্দরের ঝক্কি এড়াতে বিশেষজ্ঞের ১৩টি টিপস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৭:৪২



বিমানবন্দরের ঝক্কি এড়াতে বিশেষজ্ঞের ১৩টি টিপস

ছুটির দিনে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া রীতিমতো স্বপ্ন পূরণের মতো। অনেকে যাবতীয় ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে আকাশপথ বেছে নেন। কিন্তু তারপরও বিড়ম্বনার শেষ নেই। আপনাকে পেরেশান করে দিতে পারে পথের বাড়তি ট্রাফিক, বিমানবন্দরে ভীড়, ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিল হওয়ার মতো ঘটনা। তবে যতটা পারা যায় এসব ঝামেলা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। এর জন্যে বিজনেস ইনসাইডারে এক্সপার্টরা দিয়েছেন বেশ কয়েকটি টিপস।

১. এমন প্রস্তুতি নিয়ে বের হবেন যেন বিমানবন্দরে পৌঁছে যতটা পারা যায় কম কাজ করতে হয়। বোর্ডিং পাস পেতে অপেক্ষায় না থেকে অনলাইন বা ফোনে এটি নিতে পারেন। ফোনে ইলেকট্রনিক পাস রেখে দিলে দ্রুত কাজ সারতে পারবেন। তবে আপনি যে বিমানবন্দরে যাচ্ছে সেখানে এই সিস্টেম আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে।

২. দুই পায়ে আরামদায়ক স্লিপার পরে নিন।

তাই সহজে চলাফেরা করতে পারবেন। এতে আরামও পাবেন বেশ।

৩. বিমানবন্দরের ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্তৃক অনুমোদিক কোনো ব্যাগ থাকলে তাতে জিনিপত্র ভরে নিন। এর নকশা করা হয় টিএসএ সিকিউরিটির নিয়ম মেনে। এতে জিনিপত্র রাখলে দ্রুত চেক হয়ে যাবে। আবার ল্যাপটপও আলাদাভাবে হাতে রাখতে হবে না।

৪. এয়ারগ্রাবের মতো বেশ কিছু সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাতে আগে থেকেই খাবার অর্ডার দিয়ে রাখা যায়। বিমানবন্দরে খেয়ে নিতে হলে আগে থেকেই অর্ডার করে রাখুন। তখন এর পেছনে সময় দিতে হবে না।

৫. যদি কারো জন্যে উপহার সামগ্রী সঙ্গে নেন, তবে তা র‍্যাপিয়ে মুড়িয়ে নেবেন না। এগুলো খোলা রাখুন। নয়তো নিরাপত্তায় নিয়োজিতরা এগুলো খুলে দেখবেন। যদিও র‍্যাপিং করা উপহার নেওয়ার অনুমতি রয়েছে। তারপরও বিড়ম্বনার শিকার হতে পারেন। কারণ কিছু উপহার সামগ্রী যাচাই করে দেখার প্রয়োজন হতেই পারে।

৬. লাগেজে জুতা নিয়ে তা একেবারে নিচের দিকে নিন। এতে লাগেজ ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা থাকে এবং একে বহন করতে সুবিধা হয়।

৭. সময়ের বেশ আগে পৌঁছানোটা খুবই ভালো কৌশল। সব কাজেই সময়ের কিছুক্ষণ আগে উপস্থিত হওয়া প্রয়োজন। এতে করে হঠাৎ সমস্যা উদয় হলে পেরেশানিতে পড়বেন না। আবার অন্যান্য কাজ বেশ সময় নিয়ে করতে পারবেন ।

৮. ট্র্যাভেল সাইজ টয়লেট্রিজের একটা সংগ্রহ রাখতে পারেন। নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ব্যাগে পুরে নিন। আলাদা একটি ব্যাগে এগুলো পুরে রাখলে শুধু বড় ব্যাগে ভরে নিলেই হবে।

৯. বিমানের বুকিং অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন। কারণ ফ্লাইট বাতিল হওয়া এক অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা। অ্যাপ থাকলে বহু আগেই নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন। অন্তত বিমানবন্দরে গিয়ে দুঃসংবাদটি জানতে হবে না।

১০. প্রতিটি লাইন বড় হলে বামের লাইনগুলোর দিকে চোখ দেওয়ার চেষ্টা করুন। এক গবেষণায় বলা হয়, সাধারণ একটি লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট লাইন খুঁজতে মানুষ তার ডানপাশে দৃষ্টি দেয়। তাই বামে তাকালে ছোট লাইন পেয়ে যাবেন।

১১. ফ্লাইট বিলম্ব হলে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে অপেক্ষা করুন। এতে আরামে সময় কাটাতে পারবেন। যদি ইকোনমিতে ভ্রমণ করেন, তবুও ডে পাসের মাধ্যমে একটু আরাম নিতে পারেন।

১২. ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ব্যবস্থায় সাইন আপ করে রাখুন। এর মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে প্রিচেক করে নিতে পারবেন। এক্সপেডিটেড লাইনে দাঁড়িয়ে জুতা, কোট বা বেল্ট খুলতে হবে না।

১৩. যে এয়ারলাইনে ভ্রমণ করবেন তার অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিন। যাত্রীদের তাৎক্ষণিক খবর জানাতে বিভিন্ন দেশের বহু এয়ারলাইন্স নিজেদের অ্যাপ ব্যবহার করে। ফ্লাইট বিলম্ব হওয়া বা গেট পরিবর্তন হলে এগুলো অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য আসবে।       

 


মন্তব্য