• ই-পেপার

১০টি ধাপ অনুসরণে ৩০ বছর বয়সেই হতে পারেন কোটিপতি

গরমের দুপুরে আম-ভাত কতটা উপকারী?

জীবনযাপন ডেস্ক
গরমের দুপুরে আম-ভাত কতটা উপকারী?
সংগৃহীত ছবি

গ্রীষ্ম এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে আমের রাজত্ব শুরু হয়। পাকা আমের মিষ্টি সুবাস, কাঁচা আমের টক স্বাদ কিংবা আম দিয়ে তৈরি নানা পদ—সব কিছুই যেন গরমের দিনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তবে আমের অসংখ্য পদের ভিড়ে একটি খাবার আজও গ্রামবাংলার উঠান থেকে শুরু করে শহুরে ঘরেও সমান জনপ্রিয়—আম-ভাত।

পাকা আমের রসালো মিষ্টতা আর সাদা ভাতের মোলায়েম স্বাদ একসঙ্গে মিশে তৈরি করে এক ভিন্নধর্মী স্বাদ। কেউ কেউ এতে সামান্য দুধ মিশিয়ে খান, কেউ আবার একটু চিনি বা গুড় যোগ করেন। আবার অনেকের পছন্দ একেবারে সাদামাটা—শুধু পাকা আম চটকে গরম ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া। স্বাদের এই বৈচিত্র্যই আম-ভাতকে করে তুলেছে আরো আপন।

eee

আম-ভাতে যত পুষ্টিগুণ

পুষ্টিগুণের দিক থেকেও আম-ভাত কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে ভাত শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগায়। ফলে গরমে ক্ষুধামন্দা দেখা দিলেও আম-ভাত অনেকের জন্য হয়ে ওঠে আরামদায়ক ও তৃপ্তিদায়ক খাবার।

নতুন প্রজন্মের কাছেও হোক সমাদৃত

গ্রামের অনেক বাড়িতে এখনো দেখা যায়, খাবারের শেষে নয় বরং মূল খাবার হিসেবেই পরিবেশন করা হয় আম-ভাত। প্রবীণ মানুষের কাছে এটি নস্টালজিয়ার খাবার। কারণ গরমের এই মৌসুমে আম-ভাত তাদের কাছে  শুধু একটি খাবার নয়, হয়তো এই এক প্লেট আম-ভাতই ফিরিয়ে নিয়ে যায়  শৈশবের নির্ভার দিনগুলোতে।

গ্রামের শিশুদের কাছেও এটি অত্যন্ত প্রিয়। আমের মিষ্টি স্বাদ তাদের ভাত খাওয়ার আগ্রহও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু নতুন প্রজন্ম কিংবা শহরে বেড়ে ওঠা শিশুরা এই স্বাদের সঙ্গে খুব পরিচিত নয়। আমের মৌসুমে পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত আম খাওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। তাহলে স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ হবে নতুন প্রজন্ম। 

দেশে দেশে জনপ্রিয় আম-ভাত

সহজ, সাশ্রয়ী এবং সুস্বাদু এই খাবার গরমের দিনের এক অনন্য প্রশান্তি নিয়ে আসে। ফলে শুধু বাংলাদেশেই নয় প্রতিবেশী দেশগুলোতেও এই রসালো ফলটি জনপ্রিয়। বিশেষত থাইল্যান্ডেও আম-ভাত খাওয়া বেশ প্রচলিত।

332

বর্তমান থাই ডেজার্ট ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাঙালির আম-ভাতের সঙ্গে তার এক ধরনের আত্মীয়তা রয়েছে। দুটোর মূল উপাদানই আম ও ভাত। তবে বাঙালির সংস্করণটি আরো সহজ, আরো ঘরোয়া। বাঙালির আম-ভাত তৈরির প্রস্তুতি বেশ সরল। একটি পাকা আম আর এক প্লেট ভাতই যথেষ্ট। তবে থাই ডেজার্ট ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস তৈরিতে বিশেষ উপকরণের প্রয়োজন।

পাকা আম-ভাত রেসিপি

প্রচণ্ড গরমের দিনে যখন ভারী খাবার খেতে ইচ্ছা করে না, তখন আম-ভাত হতে পারে দারুণ একটি বিকল্প। এটি যেমন পেট ভরায়, তেমনি এনে দেয় প্রশান্তির অনুভূতি। যেহেতু নতুন প্রজন্মের অনেকেরই এর স্বাদ সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই। তাই আমের মৌসুমে একদিন হলেও পরিবারের সবাইকে নিয়ে আম-ভাতের আয়োজন করা যেতে পারে। আম-ভাত বানাতে শুধু দুই কিংবা তিনটি উপকরণই যথেষ্ট।

উপকরণ

আম : ১টি (পাকা)
ভাত : আধ/১ প্লেট
দুধ : ৩ টেবিল চামচ 
চিনি : স্বাদমতো
লবণ : পরিমাণমতো

প্রণালি

মিষ্টি ও সুগন্ধীযুক্ত একটি পাকা আম ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। আমের বাকল ছড়িয়ে রাখতে হবে। প্লেটে গরম কিংবা ঠাণ্ডা ভাত নিয়ে এর ওপর আম হাতে চেপে রস বের করে আটি ফেলে দিতে হবে। অল্প পরিমাণে দুধ ঢেলে নিতে হবে। যদি স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চান তাহলে স্বাদমতো চিনি ও লবণ ছিটিয়ে হাত দিয়ে ভাতের সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। এরপরই প্রস্তুত হয়ে যাবে আম-ভাত।

বইয়ের শিক্ষায় নয়, বিবেকের ঘাটতিতেই বাড়ছে সমাজের সংকট

অনলাইন ডেস্ক
বইয়ের শিক্ষায় নয়, বিবেকের ঘাটতিতেই বাড়ছে সমাজের সংকট
প্রতীকী ছবি

সমাজে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, প্রযুক্তি এগোচ্ছে, সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবু প্রতারণা, দুর্নীতি, সহিংসতা, অসহিষ্ণুতা এবং মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ কমছে না। প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে—শিক্ষার হার বাড়লেও কেন নৈতিকতার সংকট কাটছে না?

ইউনিসেফ, ইউনেস্কো এবং শিশু মনোবিজ্ঞাননৈতিক বিকাশ সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণাতেও দেখা যায়, একজন মানুষের মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক আচরণের ভিত্তি মূলত শৈশবেই গড়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে তাকাতে হবে শৈশবের দিকে। কারণ একজন মানুষের বিবেক, নৈতিকতা ও মনুষ্যত্বের ভিত্তি গড়ে ওঠে তার জীবনের প্রথম কয়েক বছরেই। শৈশবে যে মূল্যবোধের শিক্ষা পাওয়া যায়, সেটিই পরবর্তী জীবনে তার চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও আচরণে প্রতিফলিত হয়।

শিশু মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদদের মতে, শিশুর জীবনের প্রথম বিদ্যালয় পরিবার এবং প্রথম শিক্ষক মা-বাবা। শিশুরা শুধু উপদেশ শুনে শেখে না, বরং পরিবারের সদস্যদের আচরণ, কথাবার্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন এবং অন্যদের প্রতি ব্যবহার দেখে শেখে। তাই ছোটবেলা থেকেই সততা, সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ, ন্যায়বোধ ও অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা শেখানো জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে অনেক পরিবারে শিশুর শিক্ষাগত সাফল্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও চরিত্র গঠন ও মূল্যবোধ শিক্ষার বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। ফলে শিশুরা ভালো ফলাফল অর্জন করলেও মানবিক গুণাবলির বিকাশ সবসময় সমানভাবে হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা আরো জানান, প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ কমে যাওয়া এবং সাফল্যকেন্দ্রিক মানসিকতা শিশুদের নৈতিক বিকাশে প্রভাব ফেলছে। অনেক শিশু এখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর চেয়ে বেশি সময় ব্যয় করছে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, যেখানে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—উভয় ধরনের প্রভাবই কাজ করে।

গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শিশুর সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে পরিবারের ইতিবাচক পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়, বন্ধু-বান্ধব, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় শিক্ষা এবং সামাজিক পরিবেশও শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রভাব ফেলে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, একজন শিশুর ব্যক্তিত্ব ও নৈতিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি হলেও তা একমাত্র নয়। পরিবার শিশুর মূল্যবোধের ভিত্তি তৈরি করে, আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ, সহপাঠী ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা সেই ভিত্তিকে আরো দৃঢ় বা দুর্বল করে তুলতে পারে। তাই শুধু পরিবার নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব রয়েছে শিশুদের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করার।

শিশুকে শাসনের ক্ষেত্রেও সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শাসন মানেই ভয় দেখানো বা কঠোর শাস্তি দেওয়া নয়। বরং ভালোবাসা, ধৈর্য এবং যুক্তির মাধ্যমে সঠিক পথ দেখানোই কার্যকর শাসনের মূল উদ্দেশ্য। অতিরিক্ত কঠোরতা যেমন শিশুর মধ্যে ভয়, ক্ষোভ ও আক্রমণাত্মক আচরণ তৈরি করতে পারে, তেমনি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন পরিবেশও দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তাই শিশুর ভুল হলে তাকে অপমান বা ভীত না করে ভুলের কারণ বুঝিয়ে বলা, তার কথা শোনা এবং আচরণের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। কারণ শিশুর মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ, দায়িত্ববোধ ও বিবেকবোধ গড়ে ওঠে যুক্তিনির্ভর ও মানবিক আচরণের মধ্য দিয়েই।

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ যখন ছোটবেলা থেকেই অন্যের অধিকারকে সম্মান করা, সত্য কথা বলা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া শেখে, তখন সে ভবিষ্যতে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, এসব মূল্যবোধের ঘাটতি থাকলে ব্যক্তি নিজের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে শেখে, যা পরবর্তীতে সামাজিক অবক্ষয়ের বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বর্তমানে সমাজে যে নৈতিক সংকট, অসহিষ্ণুতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র দেখা যায়, তা কোনো একদিনের ফল নয়। দীর্ঘদিন ধরে পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক পরিবেশে মূল্যবোধ চর্চার ঘাটতির ফল ধীরে ধীরে সমাজে প্রতিফলিত হচ্ছে। অনলাইনে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, প্রতারণা, দায়িত্বহীন আচরণ, সহিংসতা কিংবা দুর্নীতির মতো ঘটনাগুলো সেই সংকটের বহুমাত্রিক প্রকাশ।

তাদের মতে, সামাজিক অবক্ষয় শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগ। শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা, মানবিকতা ও বিবেকবোধ জাগ্রত করতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরো দায়িত্বশীল, সহনশীল এবং মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার শিশুদের চরিত্রের ওপর। তাই শিশুর হাতে শুধু বই তুলে দিলেই হবে না, তার হৃদয়ে মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং বিবেকের বীজও বপন করতে হবে। কারণ জ্ঞান একজন মানুষকে দক্ষ করে তুলতে পারে, কিন্তু বিবেক ও মানবিকতাই তাকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও লিভারের যত্নে জামের উপকারিতা

জীবনযাপন ডেস্ক
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও লিভারের যত্নে জামের উপকারিতা
সংগৃহীত ছবি

গরম পড়লেই বাজারে দেখা মেলে টক-মিষ্টি স্বাদের ফল জামের। এটি শুধু জিভের স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী। বিশেষ করে লিভার বা যকৃতের যত্নে জাম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে এখন জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে তরুণদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে, আর এই পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় জাম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং প্রদাহরোধী উপাদান, যা লিভারের কোষকে সুরক্ষা দেয়। লিভারে ফ্যাট বা চর্বি জমতে শুরু করলে কিছু এনজাইমের মাত্রা বেড়ে যায়। নিয়মিত সীমিত পরিমাণে জাম খেলে সেই ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যাদের প্রাথমিক স্তরের ফ্যাটি লিভার রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি জাম বেশ উপকারী। চিকিৎসকদের মতে, উপকার পেতে প্রতিদিন এক মুঠো জামই যথেষ্ট। তবে এক দিন বেশি খেয়ে পরে বন্ধ করে দিলে লাভ হবে না; নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খাওয়াটাই আসল।

লিভার ছাড়াও শরীরের আরো নানা উপকারে আসে এই ফল :

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : জাম রক্তে শর্করার (সুগার) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভারের সঙ্গে ইনসুলিনের ভারসাম্যের সরাসরি যোগ রয়েছে, যা ঠিক রাখতে জাম সাহায্য করে।

হজমশক্তি বৃদ্ধি : জামে থাকা আঁশ বা ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং বিপাকক্রিয়া উন্নত করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ : কম ক্যালরিযুক্ত ফল হওয়ায় এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

কিভাবে খাবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাটকা জাম ধুয়ে সরাসরি খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। অনেকে টকভাব কমাতে সামান্য বিট লবণ মিশিয়ে খান। এ ছাড়া স্মুদি বা ফলের বাটিতে (ফ্রুট সালাদ) মিশিয়েও এটি খাওয়া যেতে পারে।

কিছু সতর্কতা
ওষুধের বিকল্প নয় : জামকে কখনোই লিভারের মূল ওষুধের বিকল্প ভাবা উচিত নয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সঠিক খাবার ও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি একটি সহায়ক খাবার মাত্র।

অতিরিক্ত খাওয়ার ক্ষতি : বেশি পরিমাণে জাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।

ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে : যারা ডায়াবেটিসের নিয়মিত ওষুধ খান, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে জামের পরিমাণ ঠিক করা উচিত। কারণ, এটি রক্তে সুগারের মাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।

পচনশীলতা : জাম খুব দ্রুত পচে যায়, তাই খাওয়ার আগে ভালো করে দেখে নেওয়া জরুরি।

সূত্র : দ্য ওয়াল

সহজ রেসিপিতে ঘরেই তৈরি করুন জাপানিজ প্রন টেম্পুরা

জীবনযাপন ডেস্ক
সহজ রেসিপিতে ঘরেই তৈরি করুন জাপানিজ প্রন টেম্পুরা
সংগৃহীত ছবি

বিকেলের নাস্তা কিংবা ঘরোয়া আড্ডায় গোল্ডেন ফ্রায়েড প্রন তো প্রায়ই খাওয়া হয়। তবে চিংড়ির স্বাদে যদি একটু ভিন্নতা আনতে চান, তবে ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন জাপানিজ স্টাইলের প্রন টেম্পুরা। এটি যেমন মুচমুচে, তেমনই সুস্বাদু। চলুন, জেনে নিই এর সহজ রেসিপি।

উপকরণের জন্য
লেজ-সহ চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম
ময়দা: ১ কাপ
কর্নফ্লাওয়ার: ১ কাপ
ডিম: ২টি
খাবার সোডা: এক চিমটে
পাতিলেবু: ১টি
রসুন: ৫-৬ কোয়া
গোলমরিচ গুঁড়ো ও লবণ: পরিমাণমতো
স্প্রিং অনিয়ন (পেঁয়াজ পাতা): আধ মুঠো
সাদা তেল: ১ কাপ (ভাজার জন্য)

সসের জন্য
সয়া সস: ২ টেবিল চামচ
ভিনেগার: ১ চা চামচ
ব্রাউন সুগার: আধা চা চামচ
আদা কুচি: সামান্য

প্রণালি
প্রথমে চিংড়ি মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে, খোসা বেছে পানি ঝরিয়ে নিন (লেজটা রেখে দেবেন)। এবার সামান্য রসুন কুচি ও পাতিলেবুর রস দিয়ে মাছগুলো মাখিয়ে কিছুক্ষণ সরিয়ে রাখুন। এবার একটি বড় বাটিতে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, খাবার সোডা, ডিম, লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো একসঙ্গে মেশান। এবার এই মিশ্রণে বরফ ঠাণ্ডা পানি ঢেলে একটি মসৃণ ব্যাটার বা গোলা তৈরি করে নিন। কড়াইতে সাদা তেল গরম করুন। ম্যারিনেট করে রাখা চিংড়িগুলো লেজ ধরে একটি একটি করে ব্যাটারে ডুবিয়ে গরম তেলে ছাড়ুন। চিংড়ির গায়ে হালকা লালচে সোনালি রং ধরলে তেল ছেঁকে তুলে নিন। উপর থেকে সামান্য স্প্রিং অনিয়ন কুচি ছড়িয়ে দিন। একটি ছোট পাত্রে সয়া সস, ভিনেগার, ব্রাউন সুগার ও মিহি করে কাটা আদা একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি টেম্পুরার বিশেষ সস। ব্যস, তৈরি গরম গরম মুচমুচে প্রন টেম্পুরা। এবার সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন আর বিকালের নাস্তায় উপভোগ করুন।

সূত্র : এই সময়

১০টি ধাপ অনুসরণে ৩০ বছর বয়সেই হতে পারেন কোটিপতি | কালের কণ্ঠ