kalerkantho

সড়কে শৃঙ্খলা চাই

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সড়ক বেহাল, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নেই তেমন নজরদারি। ট্রাফিক আইনও অকার্যকর। আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হলে এবং মানা হলে অবশ্যই পরিবহনে শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। পরিবহন নৈরাজ্যের প্রধান কারণ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়িত্ব পালনে অবহেলা। ট্রাফিক পুলিশদের যথেষ্ট আন্তরিক ও সৎ হতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কার্যকর ট্রাফিক আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। অদক্ষ সনদদাতা প্রতিষ্ঠান, ফিটনেস যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান, যারা টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র প্রদান করে থাকে সেগুলো বন্ধ বা সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ছোট রাস্তাগুলো যথাসম্ভব প্রশস্ত করতে হবে। যান্ত্রিক ত্রুটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে। লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালক নিষিদ্ধ করতে হবে, বেপরোয়া ড্রাইভিং বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট গতিবিধি অনুসরণ করে গাড়ি চালাতে হবে। যানবাহনের গতির ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে আলাদা লেনের ব্যবস্থা করতে হবে। ওভারটেকিং বন্ধ করতে হবে। উল্টো পথে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে হবে। গাড়ির মালিকদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তুলতে হবে। নিরাপদ চলাচলে ফুট ওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্পিড ব্রেকারের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা কমানো এবং রাস্তা থেকে অবৈধ হকার উচ্ছেদ করতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী বহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি, অশুভ শক্তির প্রয়োগ ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করতে হবে। পরিবহন খাতের নৈরাজ্য বন্ধ করতে হবে। জনসাধারণের সচেতনতারও একান্ত প্রয়োজন।

তামান্না ইসলাম, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

 

 

মন্তব্য