kalerkantho

কারিগরি শিক্ষার মান

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



কারিগরি শিক্ষার মান

কারিগরি শিক্ষা কি আমাদের দেশে আদৌ বাস্তবমুখী হতে পেরেছে? আমরা অনেক আগ্রহ নিয়ে ডিপ্লোমা করার জন্য পলিটেকনিকে ভর্তি হই, চার বছরে ৫০টি বই আর আটটি সেমিস্টার পার করতে হয়। প্র্যাকটিক্যাল ও সেশনালের জন্য করতে হয় অবিরাম পরিশ্রম। কিন্তু এর শেষ কোথায়? ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল, মাত্র এই কয়টি বছর ছিল প্রশ্ন ফাঁসবিহীন পরীক্ষা। এতে পাসের হার কম থাকলেও মেধাবীরা পেত স্বস্তি। কর্মক্ষেত্রেও মেধাবীরা স্থান পেত। আবার শুরু হলো প্রশ্ন ফাঁস, অবনতি হলো মেধাশক্তির। নষ্ট হলো মেধাবীদের রঙিন স্বপ্ন। কারিগরি শিক্ষায় যে শিক্ষার্থী  প্র্যাকটিক্যাল ও থিওরিতে বরাবর প্রথম স্থান অর্জন করেছে, সেই শিক্ষার্থীরও চাকরি নেই। ফলে পোহাতে হচ্ছে বেকার যন্ত্রণা। বাংলাদেশে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পাচ্ছে; কিন্তু হ্রাস পাচ্ছে কারিগরি শিক্ষার মান। সঠিক যন্ত্রপাতি নেই তাদের। সঠিকভাবে শেখাতে পারছে না প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো। তাই বেসরকারি ও প্রাইভেট পলিটেকনিকের অনুমোদন দেওয়ার আগে প্রশাসনিক তদন্ত জরুরি। বিষয়টি বিবেচনার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. কামরুল ইসলাম শান্ত, গাইবান্ধা।

মন্তব্য