kalerkantho

মানবসম্পদ উন্নয়ন

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তারুণ্যের অমিত সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ, যার প্রধান সম্পদ জনসংখ্যা। এ কথা বলতে গেলে জনসংখ্যা বোনাসের কথা চলে আসে, যা বাংলাদেশ পেয়েছে দীর্ঘ ১৫০ বছর পর। বিশ্বায়নের এ যুগে বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে এর সুবিধা ভোগ করতে শুরু করেছে। এখন প্রশ্ন জাগে, তারুণ্যের সম্ভাবনা কেমন হতে পারে? কী করতে পারে এই তরুণ প্রজন্ম? সম্প্রতি মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের ধাপ এগিয়ে ১৩৬তম হয়েছে। অন্যদিকে মানব উন্নয়ন কর্মসূচি ২০২১ বাস্তবায়নে, বিশেষ করে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এক হাজার ৯২৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে আগামী এক দশকে প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ কর্মক্ষম দক্ষ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে পারবে। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কোনো কাজ করছে না, পড়াশোনাও করছে না। এতে বেকারত্ব বাড়ছে। তরুণদের যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে বা মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলেই বেকারত্বসহ অনেক বিষয়ের সমাধান সম্ভব হবে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও জনসংখ্যার স্বর্ণযুগের কারণে বিশ্ব আজ বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সুসম্পর্ক রাখতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। যদিও দেশে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় নেই, তবু দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। তার পরও দেশে এক কোটি বেকার বা ছদ্ম বেকার রয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ কাজের বাজারে প্রবেশ করছে। সরকার কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারছে না। তাই বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়াও তরুণদের উদ্যোগী করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষিত বেকারত্বের জায়গা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পরিকল্পিত কর্মসূচি দরকার।

মো. ওয়াদুদ রহমান ওয়ালিদ, রাজশাহী।

মন্তব্য