kalerkantho


পরিবেশ বাঁচলে আমরা বাঁচব

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



পৃথিবী ক্রমান্বয়ে উষ্ণ হয়ে উঠছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পুনঃ পুনঃ আঘাতে পৃথিবী বিধ্বস্ত। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক এ পরিবর্তনে চিন্তিত। অথচ মানবসভ্যতার এই সংকটের পেছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী আমরাই। পৃথিবীর এই পরিবর্তনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ২০০৯ সালে ভারত মহাসাগরের তলদেশে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন। এ রকম অনেক প্রতীকী প্রতিবাদের পরও থেমে থাকেনি বৈশ্বিক উন্নয়নের ধারা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগকে বহুলাংশেই রোধ করা সম্ভব। বেশির ভাগ দুর্যোগের কারণ মানবসৃষ্ট। ওই সব কারণকে নির্মূল করতে পারলে এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ পাব। উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস। এই গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করতে হবে। কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমাতে প্রচুর বৃক্ষ রোপণ করতে হবে। পুরনো জিনিসপত্রের রিসাইক্লিং করতে হবে। এতে সম্পদের অপচয় রোধ হবে, পরিবেশেরও ক্ষতির পরিমাণ কমবে। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। কল-কারখানাগুলোতে পরিবেশবান্ধব মেশিন ব্যবহার করতে হবে। পয়োনিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে হবে। প্লাস্টিকের জিনিসপত্রের ব্যবহার যথাসম্ভব কমাতে হবে। জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পরিবেশ নষ্টকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে কোনো অবকাঠামো গড়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। পরিবেশের সঙ্গে আমাদের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। আমরা যদি সোচ্চার হই, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রেহাই মিলবে।

জাহিদুল ইসলাম খন্দকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 



মন্তব্য