kalerkantho


শিক্ষক নিয়োগে নীতিমালা চাই

২৬ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



শিক্ষক নিয়োগে নীতিমালা চাই

দেশের উচ্চশিক্ষা তথা গবেষণার প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে বহুবিধ অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এখানে স্বজনপ্রীতি, রাজনীতিসহ বিভিন্নভাবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। কিছুদিন আগে প্রকাশিত এক সংবাদে জানা যায়, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে শতাধিক প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষার আগেই চূড়ান্ত হয়েছেন টাকার বিনিময়ে। এসব ক্ষেত্রে তাহলে কেন অন্য প্রার্থীদের আবেদন করতে বলা হয়? বেসরকারি কলেজের শিক্ষক হতে হলে অবশ্যই ‘শিক্ষক নিবন্ধন’ পরীক্ষার সনদ থাকতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ছাড়াও এম.ফিল, পিএইচডির মতো গবেষণা পর্যায়ের পাঠদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুধু মৌখিক পরীক্ষা বা নামমাত্র লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে, যাতে স্বজনপ্রীতির সুযোগ থাকে। যোগ্য প্রার্থী যাচাই করতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এটা কি কোনো সঠিক পদ্ধতি? এ পদ্ধতিতে কিভাবে দেশ একটি সমৃদ্ধ জাতি পাবে? ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে একটি কমিটি নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করে, সেখানে চাকরিপ্রার্থীর তথ্য ডাটাবেইসে সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে, আবেদনের জন্য কোনো ধরনের ফির প্রয়োজন হয় না, অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেতে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ফি এবং আবেদনের সাত-আট সেট কাগজপত্র জমা দিতে হয়। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

পিংকু রানী পাল, কেশবপুর, যশোর।



মন্তব্য