kalerkantho


সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চাই

২৫ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



বাংলাদেশ যে কয়টি পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তার মধ্যে রয়েছে চামড়াজাত পণ্য। এসব পণ্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ঈদুল আজহা চামড়াশিল্পের মৌসুম। সারা দেশে ঈদে লাখ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল, উট জবাই হবে। এসবের চামড়া সংগ্রহ করবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। সংগৃহীত চামড়া নিয়ে আসা হবে সাভারের ট্যানারিতে। রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে এখানে আসায় যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভালো ব্যবস্থা হয়েছে তা বলা যায় না। এখনো কেন্দ ীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্রোমিয়াম পুনরুদ্ধার বা রিকভারি ইউনিটও চালু হয়নি। বর্জ্যে বছরখানেক আগে যেভাবে নদী দূষিত হতো এখনো  সেভাবেই হচ্ছে। বাঁধ ভেঙে বর্জ্য উপচে পড়ছে নদীতে। নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। অনেক পাইপলাইনের বর্জ্যও নদীতে গিয়ে পড়ছে। এই বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের রাসায়নিক পর্দাথ, যা পরিবেশের ক্ষতি করছে মারাত্মকভাবে। নদী দূষণের ফলে জীববৈচিত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নদীতে থাকা নানা জীব মারা যাচ্ছে। এই দূষণের হাত থেকে নদী এবং পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে যেমন মালিকরা সচেতন নন তেমনি শ্রমিকরাও। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তার দিকে মালিকদের নজর দিতে হবে। না হলে শ্রমিক অসুস্থ হলে কারখানায় কাজ করবে কে? ট্যানারির নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মালিক-শ্রমিক সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করতে হবে। কর্তৃপক্ষ নজর দেবেন কি?

শতাব্দী জুবায়ের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।



মন্তব্য