kalerkantho


এবার ‘নদী হত্যাকারী’র বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



এবার ‘নদী হত্যাকারী’র বিরুদ্ধে দুদকের অভিযান

নদীর মাটি কেটে তীর ধ্বংস এবং পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য করার অভিযোগে কুমিল্লা, ঝিনাইদহ ও বগুড়ায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ট্রাক্টর ও ড্রেজার জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। গোমতী, নাগর ও কালীগঞ্জ নদীর মাটি কেটে তীর ধ্বংস করে এবং পরিবেশের বিপর্যয় ঘটিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য করা হচ্ছে—এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত দল গতকাল মঙ্গলবার এই অভিযান চালায়।

দুদক জানায়, কমিশনের কুমিল্লার উপপরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন শরীফের নেতৃত্বে একটি দল কুমিল্লার দেবিদ্বারে গোমতী নদীর তীরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন প্রতিরোধে অভিযান চালায়। এ সময় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া দুটি ট্রাক্টর ও দুটি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করে ফেলা হয়।

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনী ও দিগনগর ইউনিয়নে দুদকের যশোর অফিসের উপপরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাতের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কালীগঞ্জ নদীতে বালু উত্তোলনকালে একজনকে হাতেনাতে ধরে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার নাগর নদের তলা খুঁড়ে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং মোট আট লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অনেক ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনেও মামলা করা হবে বলে দুদক জানিয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান, মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘পরিবেশ ধ্বংসের অপরাধ করে যারা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করছে তাদের সম্পদের হিসাব বের করে দুদক শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেবে। পরিবেশ, প্রতিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষায় এ অভিযান আরো চলবে।’

 

 



মন্তব্য