kalerkantho

মানিকগঞ্জে তরুণী ধর্ষিত

দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে

এসআইনামা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে

জেলার সাটুরিয়া থানার পুলিশের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এক তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিম গতকাল সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত এসআই সেকেন্দার হোসেন এবং এএসআই মাজহারুল ইসলামকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের এএসপি হাফিজুর রহমানকে প্রধান ও জেলা গোয়েন্দা বিভাগের এএসপি হামিদুর রহমান সিদ্দিকীকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, দ্রুততম সময়ে কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে। অপরাধ প্রমাণ সাপেক্ষে অভিযুুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তরা পুলিশ সদস্য হিসেবে কোনো বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবে না। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, ভুক্তভোগী তরুণী তাঁর খালার সঙ্গে সাভারের আশুলিয়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। তাঁর খালা সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেনের কাছে জমি বেচাকেনার ব্যাবসায়িক সূত্রে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। পাওনা টাকার জন্য বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ওই তরুণী খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান। এসআই সেকেন্দার সেখান থেকে তাঁদের দুজনকে সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে নিয়ে যায়। কিছু সময় পর সেখানে হাজির হয় সাটুরিয়া থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম। তারা তরুণী ও তাঁর খালাকে পৃথক ঘরে আটকে রাখে। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করে এবং একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পরও শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আটকে রেখে দুজনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ধর্ষিতা রবিবার এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি তাত্ক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন।

 

মন্তব্য