kalerkantho


বরিশাল

উন্নয়ন ধরে রাখতে নৌকার বিকল্প নেই

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ
সভাপতি, জেলা আওয়ামী লীগ

২১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



উন্নয়ন ধরে রাখতে নৌকার বিকল্প নেই

কালের কণ্ঠ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনাদের প্রস্তুতি কেমন?

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ : জেলা-উপজেলা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নির্বাচনী আমেজ বইছে। দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উপজেলা শহরের অলিগলি আর গ্রামের পথপ্রান্তরে যেদিকে তাকাবেন দেখবেন শুধু মনোনয়নপ্রত্যাশীদের নির্বাচনী পোস্টার।

তাঁদের কেউ কেউ আগাম উঠান বৈঠকও করছেন। বেশির ভাগ মনোনয়নপ্রত্যাশী ব্যক্তি উদ্যোগে অসহায় নারী-পুরুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সর্বত্রই এখন নির্বাচনী আমেজ। এ থেকেই বুঝতে পারছেন আমাদের প্রস্তুতি কেমন।

কালের কণ্ঠ : আপনিই বলছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ছড়াছড়ি। শেষ পর্যন্ত বঞ্চিতরা কি মাঠে থাকবেন?

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ : আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। প্রতিটি আসনেই একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। তাঁরা সবাই দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করতে পারেন। তবে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। আমাদের বিশ্বাস, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ নির্বাচনে আসবেন না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষাকারীদের পরিণতি ভালো হবে না। দল তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমাদের বিশ্বাস, ছয়টি আসনই প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে পারব।

কালের কণ্ঠ : আগামী দিনে জনগণ কেন নৌকায় ভোট দেবে?

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ : নৌকা স্বাধীনতার প্রতীক, উন্নয়নের প্রতীক। নৌকা শান্তিরও প্রতীক। যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তখনই  দেশব্যাপী উন্নয়নের জোয়ার বয়। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চল তখন উন্নয়নের মহাসড়কে অগ্রসর হয়। পদ্মা সেতু, পায়রা পোর্ট, বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ হাসিনা সেনানিবাস, শহীদ আবদুর রব ও লেবুখালী সেতু—এগুলো সব হয়েছে এ সরকারের আমলে। দক্ষিণাঞ্চল ঘিরে একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। সম্প্রতি সেই উন্নয়ন প্রকল্পে পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতেই জনগণ আসছে নির্বাচনে নৌকায় আবারও ভোট দেবে।   

কালের কণ্ঠ : নতুন মুখের কি সম্ভাবনা আছে?

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ : বরিশাল জেলায় ছয়টি সংসদীয় আসন। এর মধ্যে দুটি মহাজোটের। জাতীয় সংসদের প্রতিটি নির্বাচনে চমক থাকে। আসছে নির্বাচনেও চমক থাকছে। অন্তত দুটি আসনে নতুন মুখ আসতে পারে। তবে সেটা নির্ভর করছে দলীয়  সভানেত্রীর ওপর।

কালের কণ্ঠ : মহাজোটের দুটি আসনের একটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচন করতে পারেন। এমনটি আগেভাগেই দলীয় নেতাকর্মীরা আপনাকে জানিয়েছেন। যদি এমনটি হয় তখন বিদ্রোহ থামাবেন কিভাবে?

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ : মহাজোটকে ছেড়ে দেওয়া একটি আসনে সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আওয়ামী লীগের। শুধু মহাজোটের স্বার্থে আসনটি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছি। কিন্তু তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। শেখ হাসিনা তৃণমূলের কথা বিবেচনায় রেখে আসছে নির্বাচনে জোটের সঙ্গে আসন বণ্টন করবেন।



মন্তব্য