kalerkantho


ক্ষুধা দূরীকরণেও ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০




ক্ষুধা দূরীকরণেও ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

মানবসম্পদ উন্নয়নে এগিয়ে থাকার পর এবার ক্ষুধা দূর করার ক্ষেত্রেও ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ। ক্ষুধা দূরীকরণে গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। বিশ্বের ১১৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এবার ৮৬তম, যা গত বছর ছিল ৮৮তম। বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক-২০১৮তে এ তথ্য মিলেছে। যৌথভাবে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও জার্মানভিত্তিক সংস্থা হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড। সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে ক্ষুধার সংজ্ঞা নির্ধারণে চারটি সূচককে আমলে নেওয়া হয়েছে। অপুষ্টি, খর্বাকৃতি শিশুর সংখ্যা, কৃশকায় বা শীর্ণকায় শিশু ও শিশুমৃত্যুর হার।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়েছে ভারত; গত বছর ভারতের অবস্থান ছিল ১০০ নম্বরে, এবার ১০৩ নম্বরে। ভারতের চেয়েও তিন ধাপ পেছনে ১০৬ নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি গত তিন বছর ধরে একই অবস্থানে রয়েছে। তবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে নেপাল (৭২), মিয়ানমার (৬৮) ও শ্রীলঙ্কা (৬৭)।

এবার সূচকে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা তিন দেশ হলো বেলারুশ, বসনিয়া হারজেগোভিনা ও চিলি। সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে মধ্য আফ্রিকা, চাদ রিপাবলিক ও ইয়েমেন।

প্রতিবেদন বলছে, অনেক দেশই খাদ্য সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু সব দেশ সমানভাবে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এখনো বিশ্বের অনেক মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। গত দুই বছরে বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা আট কোটি থেকে বেড়ে ১২ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে এখনো ৩৬ লাখ মানুষ মারাত্মক ক্ষুধাঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে, যার বড় অংশই বরিশাল ও কক্সবাজার অঞ্চলের। তারা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও হুমকিতে আছে।

 

 



মন্তব্য