kalerkantho


সবিশেষ

আলস্যে ১৪০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



আলস্যে ১৪০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে!

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে মানুষের জীবনধারার পরিবর্তন হচ্ছে। বাড়ছে কায়িক পরিশ্রম না করার প্রবণতা। বিশ্বে এমন মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪০ কোটিতে। এই বিপুলসংখ্যক অলস মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)।

এ গবেষণায় ১৬৮টি দেশের ১৯ লাখ মানুষ নিয়ে করা ৩৫৮টি গবেষণার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। সম্প্রতি এসংক্রান্ত নিবন্ধ ‘দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথ’ জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। এ গবেষণায় তাদের নিষ্ক্রিয় বা স্বাস্থ্যঝুঁকির দলে রাখা হয়েছে, যারা সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের কম হালকা ব্যায়াম কিংবা ৭৫ মিনিটের কম কঠোর পরিশ্রম করে।

গবেষকরা বলছেন, কায়িক পরিশ্রম না করার কারণে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ নানা ধরনের ক্যান্সার হতে পারে। কম পরিশ্রম করা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যসহ বেশি আয়ের দেশগুলো আছে। জার্মানি, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। উচ্চ আয়ের দেশে শারীরিক পরিশ্রম না করা মানুষের হার ২০০১ সালে ছিল ৩২ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ডাব্লিউএইচও ২০২৫ সাল নাগাদ শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার হার ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তা অর্জন করা খুবই কঠিন হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পদশালী দেশগুলোতে বসে বসে চাকরির চল ব্যাপক। পাশাপাশি যানবাহনও বাড়ছে। তবে স্বল্প আয়ের দেশগুলোয় এখনো মানুষকে শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়।

গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক রেজিনা গাথহোল্ড বলেছেন, বৈশ্বিক অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকির মতো শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার হার কমছে না। এক-চতুর্থাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম করছে না।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মেলোডি ডিং বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে অলস মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কায়িক পরিশ্রমের জন্য হাঁটা ও সাইকেল চালানোর সুব্যবস্থা করা উচিত। সূত্র : বিবিসি।



মন্তব্য