kalerkantho


দুর্দান্ত মডরিচের ক্রোয়েশিয়া!

২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



দুর্দান্ত মডরিচের ক্রোয়েশিয়া!

১৯৯৮ বিশ্বকাপটা ফ্রান্সের। ফুটবল রোমান্টিকদের কাছে সেই আসরটা ক্রোয়েশিয়ারও। নতুন একটা দল স্বপ্নের মায়াঞ্জন এঁকে একে একে পেরিয়ে যাচ্ছিল ফুটবলের সব পরাশক্তিদের। জিনেদিন জিদানদের পাশে ডেভর সুকাররাও তখন বড় তারকা। সেই ক্রোয়েশিয়া দেখা দিয়ে মিলিয়ে যাওয়ার মতো আর দেখা দেয়নি অনেক দিন। এরপর লুকা মডরিচ, ইভান রাকিতিচ, ইভান পারিসিচ, মান্দজুকিজদের এই প্রজন্ম। ইউরোপের শীর্ষ সব ক্লাবে শীর্ষাসন এই ক্রোয়াটদের। সুকারদের পর সোনালি প্রজন্মও ধরা হচ্ছে তাঁদেরই।

পরশু রাতে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে সেই সোনালি প্রজন্ম নিজেদের খ্যাতি ও সামর্থ্যের পূর্ণতা দেখার অপেক্ষায় এখন। লিভারপুলে খেলা ডিফেন্ডার লোভরেন তো মনে করেন ক্রোয়েশিয়ার এই দলটা এগিয়ে সুকারদের চেয়েও। রাতে আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামানোর পরই আলোচনাটা শুরু হয়ে গেছে যে, এই ক্রোয়েশিয়া কি পারবে ’৯৮-এর দলটাকে ছুঁতে? সেবার গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ ষোলোতে রোমানিয়াকে ও কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হারে তারা চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আবার হারায় নেদারল্যান্ডসকে। লোভরেনের বিশ্বাস তাঁদের এই দলটারও তা করে দেখানোর সামর্থ্য আছে, ‘হ্যাঁ, আমরাও তা পারব। কারণ ওদের চেয়ে আমাদের এই দলটা শক্তিশালী।’ দলের প্রাণভোমরা রিয়াল মাদ্রিদে খেলা লুকা মডরিচ। তাঁরও বিশ্বাস আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পারফরম্যান্স স্বপ্ন দেখাবে সমর্থকদের, ‘এই ফল এবং আর্জেন্টিনার দুরবস্থার কারণ আমাদের ভালো খেলা। যখন আমাদের পায়ে বল ছিল না, তখন পুরো মাঠে আমরা ব্লক করেছি। মেসির মতো খেলোয়াড়কে বল পেতে দিইনি, তাঁর আশপাশের সব লাইন আমরা কেটে দিয়েছিলাম। আমার বিশ্বাস যারাই এই পারফরম্যান্স দেখেছে, এখন থেকে তারাই আমাদের নিয়ে আরো বড় স্বপ্ন দেখবে, আমাদের জন্য গলা ফাটাবে।’

পরশু রাতেই হাজার ক্রোয়াট উৎসব করেছে জাগরেবের পথে পথে। ক্রীড়া দৈনিক স্পোর্টসে নোভোস্তি লিখেছে, ‘গোটা বিশ্ব দেখেছে আর্জেন্টিনাকে গুঁড়িয়ে দিয়েছি আমরা।’ আরেক শীর্ষ দৈনিক জুতার্নজি লিস্টের অনলাইন সংস্করণের শিরোনাম হয়েছে, ‘এই ক্রোয়েশিয়া এক ঘোর।’ ’৯৮-এ সুকাররা তেমনই ঘোরে ফেলেছিলেন ফুটবপ্রেমীদের। এবার পালা মডরিচদের। ফিফা



মন্তব্য