kalerkantho


গুমসহ মানবাধিকার পরিস্থিতিতে তীক্ষ্ণ নজর ইইউর

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০১৮ ০০:০০



গুমসহ মানবাধিকার পরিস্থিতিতে তীক্ষ্ণ নজর ইইউর

বাংলাদেশে গুমসহ মানবাধিকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে এক প্রশ্নের জবাবে ইইউর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ এবং ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেডেরিকা মগেরিনি এ কথা জানান। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে গতকাল শুক্রবার মগেরিনির বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মোবাশ্বের হাসান সিজার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য তুলে ধরে এর আগে ৯ জানুয়ারি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য নিনা গিল পার্লামেন্টে ইইউর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক হাইরিপ্রেজেন্টেটিভের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তিনি বিষয়টি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলবেন কি না? সিজারের মুক্তি ও তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে পূর্ণ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে বাংলাদেশের কাছে আহ্বান জানানো হবে কি না তাও জানতে চান নিনা। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশে মানবাধিকারকর্মীদের কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ ছাড়াই কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও ইইউর উদ্যোগ প্রত্যাশা করেছিলেন।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক সিজার গত ৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন। পরে ২১ ডিসেম্বর রাতে তিনি নিজ বাসায় ফেরেন।

নিনা গিলের প্রশ্নের জবাবে ইইউর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ ফেডেরিকা মগেরিনি গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টকে জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ কমিশন কাঠামোর আওতায় ইইউ বাংলাদেশ সরকারের কাছে নিয়মিতভাবেই মানবাধিকার ইস্যু, বিশেষ করে গুমের বিষয়টি তুলে ধরে। তিনি বলেন, গত এপ্রিল মাসে ঢাকায় সুশাসন, মানবাধিকার ও অভিবাসনবিষয়ক ইইউ-বাংলাদেশ সাব-গ্রুপের বৈঠকে মানবাধিকার ইস্যু তুলে ধরেছে ইইউ। ওই বৈঠকে গুম বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।

ফেডেরিকা মগেরিনি বলেন, গুমের ব্যাপারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং আইনের শাসনের যথাযথ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মত যৌথ বিবৃতিতে গুমের ব্যাপারে ইইউর উদ্বেগের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল প্রকাশিত ওই বিবৃতি বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

 

 



মন্তব্য