kalerkantho


অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার নথি যায়নি হাইকোর্টে

নিজস্ব ও আদালত প্রতিবেদক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার নথি যায়নি হাইকোর্টে

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নথি গতকাল সোমবার বিচারিক আদালত থেকে হাইকোর্টে পাঠানো হয়নি। ফলে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ হচ্ছে না আজ মঙ্গলবারও। এই মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

একই আদালতে বিচারাধীন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে হাজির না করায় গতকাল যুক্তিতর্ক শুনানি হয়নি। বিচারক ড. আখতারুজ্জামান আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত শুনানি মুলতবি রেখে দিন ধার্য করেছেন। পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের অতিরিক্ত এজলাসে মামলার শুনানি চলছে।

বিচারিক আদালত সূত্রে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার নথি তলবসংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে পৌঁছেছে। তবে গতকাল পর্যন্ত নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়নি। পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের পেশকার মোকাররম হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, নথি পাঠানো হয়নি। তবে পাঠানোর কাজ চলছে।

বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গত ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। গত ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। ওই দিনই নিম্ন আদালতের নথি তলব করেন হাইকোর্টে। ১৫ দিনের মধ্যে নথি পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে

গত রবিবার খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত সিদ্ধান্ত দেন, নিম্ন আদালত থেকে নথি পাওয়ার পর জামিন বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গতকাল খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজাক খান এক আবেদন দাখিল করেন। এতে বলা হয়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে। রবিবার ওই আপিলের শুনানি হয়েছে। নিম্ন আদালতের নথি প্রাপ্তি সাপেক্ষে খালেদার জামিন বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আদেশ হলে খালেদার কারামুক্তি বিলম্বিত হতে পারে।

বিচারক আবেদনটি মঞ্জুর করে খালেদা জিয়ার আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, খালেদা জিয়া পরবর্তী তারিখের আগে জামিনে মুক্তি পেলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর আদেশ হবে না। জামিন না পেলে ওই তারিখে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ মামলায় খালেদা জিয়াকে শুনানির ধার্য তারিখে আদালতে হাজির করার জন্য প্রডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করার আবেদন করা হলেও তা মুলতবি রাখা হয়। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।


মন্তব্য