kalerkantho


দলীয় নেতাকর্মীদের ওবায়দুল কাদের

লাগামহীন কথা বলবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



লাগামহীন কথা বলবেন না

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘স্লোগান দেওয়ার সময় অশান্তি উসকে দেবেন না। ভাষণ দেওয়ার সময় দায়িত্বশীল কথা বলবেন। লাগামহীন কথা বলবেন না। এ সময়ে আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ঠাণ্ডা মাথায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা কাউকে আক্রমণ করব না, হামলা হলে পাল্টাজবাব দেব। আমরা আক্রমণ করব না।’

গতকাল সোমবার গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক কর্মিসভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারকে হটানোর জন্য দেশ-বিদেশে চক্রান্ত চলছে। কোথায় কোথায় এসব চক্রান্তের বৈঠক চলছে আমরা জানি, পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের কাছে খোঁজখবর আছে। আমরা বিজয়ী হব এটা বুঝতে পেরে প্রতিপক্ষ চক্রান্তের চোরাগলি বেছে নিয়েছে। চক্রান্তের চোরাগলি দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা করছে।’

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনাদের ঐক্যে ফাটল ধরানোর চক্রান্ত চলছে। চক্রান্তের ফাঁদে কেউ পা দেবেন না। ঠাণ্ডা মাথায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধের শপথে এগিয়ে যাবেন। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আল্লাহর রহমতে কোনো অপশক্তি আমাদের বিজয় ঠেকাতে পারবে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম জিয়া দণ্ডিত হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপি ভেবেছিল রাজপথে লাখ লাখ মানুষের ঢল নামবে। এখন তারা বুঝতে পেরেছে সেই আশায় গুড়েবালি। জনগণ সাড়া দিচ্ছে না। গত ৯ বছরে জনগণ তাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। আমাদের বিশ্বাস, মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। তারা আন্দোলন চায় না, কাজেই আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি সফল হবে না।’

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্যের একেবারে শেষ পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনারা নিজেদের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে জড়াবেন না। এ তুফান ভারি, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।’

এদিকে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্বে না জড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করার মিনিটখানেকের মধ্যেই সমাবেশস্থলে প্রবেশপথের বাইরে দুই দফায় হাতাহাতিতে লিপ্ত হয় বেশ কিছু নেতাকর্মী। পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

কর্মিসভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ। বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।


মন্তব্য

Hassan commented 23 days ago
Follow yourself first.