kalerkantho


ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসছেন ৯ ফেব্রুয়ারি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসছেন ৯ ফেব্রুয়ারি

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন দুই দিনের সফরে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসছেন। রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্কে উন্নীত করা তাঁর এই সফরের লক্ষ্য। ২০০৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ডের সফরের প্রায় এক দশক পর কোনো ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসছেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসন্ন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে কার্গো যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। এ ছাড়া আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও ভিসা ব্যবস্থা।

জানা গেছে, বরিস জনসন ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। আগামী এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথের সরকারপ্রধান পর্যায়ের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশ নেওয়ার বিষয়েও আসন্ন সফরে আলোচনা হতে পারে। বাংলাদেশ এরই মধ্যে কমনওয়েলথে কাঠামো ও কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার দাবি তুলেছে।

সূত্র জানায়, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসন্ন বাংলাদেশ সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশেষ বার্তা আসতে পারে। যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্চার। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এ ইস্যুতে আলোচনার জন্যও যুক্তরাজ্য একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণসামগ্রী ছাড়াও ডিপথেরিয়া মোকাবেলায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দল পাঠিয়েছে দেশটি।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফেরত পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০১৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ডকে লেখা এক চিঠিতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের পরোয়ানার কথা উল্লেখ করে তাঁকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তবে ব্রিটিশ সরকার এখনো সে অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।

 



মন্তব্য