kalerkantho


সবিশেষ

গরুর শিং নিয়ে গণভোট

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



গরুর শিং নিয়ে গণভোট

গরুর শিং থাকা উচিত, না আগেই কেটে দেওয়া উচিত—সুইজারল্যান্ডে কৃষকদের মধ্যে এই নিয়ে চরম বিতর্ক চলছে। এমনকি এক কৃষকের উদ্যোগে এই বিতর্কের অবসানে গণভোট হতে যাচ্ছে।

জন্মের সময় সুইজারল্যান্ডের প্রতি ১০টি বাছুরের মধ্যে আটটির শিং পুড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে সেগুলো বড় হতে না পারে? পশুদের জন্য সেই প্রক্রিয়া প্রায়ই বড় কষ্টকর হয়। গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া কৃষক আরমিন মনে করেন, এই রীতি পশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা ছাড়া আর কিছুুুই নয়। তিনি বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তা গরুর শিং দিয়েছেন, তাই আমার কাছে সেগুলো সেই প্রাণীরই সম্পত্তি।’

সুইজারল্যান্ডের গরুর শিং ফিরিয়ে দিতে আরমিন তাই এক উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম কয়েক বছর ধরে তিনি অনুরোধ-উপরোধ, আবেদন-নিবেদন করে চেষ্টা চালিয়েছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতারা তাতে কর্ণপাত করেননি। এরপর তিনি ‘গরুর শিং’ নামের এক প্রচার অভিযান শুরু করেন এবং সবাইকে অবাক করে দিয়ে দেড় লাখেরও বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন। সুইস আইন অনুযায়ী গণভোট আয়োজনে যত স্বাক্ষরের প্রয়োজন, এই সংখ্যা তার চেয়ে অনেক বেশি। কয়েক মাসের মধ্যে ৫০ লাখের বেশি সুইস ভোটার এই প্রশ্নে তাঁদের রায় জানাতে পারবেন। আরমিন তাঁর অবস্থানের পক্ষে যথেষ্ট সমর্থন পাবেন—এমন সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। সরকার, সংসদ ও কৃষক সংগঠন অবশ্য আরমিনের উদ্যোগের বিরোধিতা করছে।

সুইস গবাদি পশুপালক সংগঠনের নেতা আন্দ্রেয়াস আয়েবির যুক্তি, ‘আমাদের চারিদিকে এই গরুগুলো দেখুন। তারা কত নীরব ও শান্ত। তাদের কোনো অভাব আছে, আমি সেটা বিশ্বাস করি না। আবার শিংযুক্ত গরুর আবির্ভাব ঘটলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যাবে।’ সূত্র : ডয়েচে ভেলে।


মন্তব্য