kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


উজ্জ্বল এই বয়সেও

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



উজ্জ্বল এই বয়সেও

যে বয়সে অনেকে টেনিস র‌্যাকেট চিরতরে তুলে রেখে নতুন জীবন শুরুর পরিকল্পনা আঁকেন ঠিক সেই সময়ে সুরভি ছড়াচ্ছেন ওয়ারিঙ্কা। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয় করেন ২৯-এ।

বয়স ঘড়ির কাঁটা ৩০ ছুঁয়ে নামের পাশে যোগ করেছেন আরো দুটি গ্র্যান্ড স্লাম। ওয়ারিঙ্কার মতো কেরবারের জীবনের গল্পটা মিশে যায় এক মোহনায়। জার্মানির এই তারকার শুরুটা ছিল হতাশামাখা। কোর্টে দ্যুতি ছড়ানোও শুরু করেছেন অনেক দেরিতে। এ বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে সেরেনা উইলিয়ামসকে হতাশায় ডুবিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন বয়স ঘড়ির কাঁটা ২৮ ছুঁয়ে। এই বয়সে গ্র্যান্ড স্লাম জেতা মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় জার্মানির নতুন সেনসেশন। তাঁদের সাফল্যের গল্প শোনাচ্ছেন মাজহারুল ইসলাম

 

 

পিট সাম্প্রাস প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জেতেন ১৯-এ। একই বয়সে ট্রফিতে চুমু এঁকেছেন স্টেফান এডবার্গও। বরিস বেকার ও ম্যাটস উইল্যান্ডাররা তো আবার মাত্র ১৭তেই ছিলেন গ্র্যান্ড স্লামজয়ী। জিমি কনোর্সের প্রথমটি ২২-এ আর ইভান লেন্ডল ২৪-এ। একেবারে বিপরীত স্তানিসলাস ওয়ারিঙ্কার জীবন গল্পের চিত্রনাট্য। অনেকটা দেরিতে যে আলো ছড়ানো শুরু করেছেন সুইজারল্যান্ডের এ তারকা। যে বয়সে অনেকে টেনিস র‌্যাকেট চিরতরে তুলে রেখে নতুন জীবন শুরুর পরিকল্পনা আঁকেন ঠিক সেই সময়ে সুরভি ছড়াচ্ছেন ওয়ারিঙ্কা।

আলোটা দেরিতে ছড়ালেও টেনিসের অন্যতম একজন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেকে করেছেন সুপ্রতিষ্ঠিত। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয় করেন ২৯-এ। বয়স ঘড়ির কাঁটা ৩০ ছুঁয়ে নামের পাশে যোগ করেছেন আরো দুটি গ্র্যান্ড স্লাম। গত বছর রোলাঁ গাঁরো জয়ের পর এবার ফ্লাশিং মিডোয়। এই তিনবারই আবার হারিয়েছেন তিনি সময়ের নাম্বার ওয়ানকে। মেলবোর্নকে তখনকার নাম্বার ওয়ান রাফায়েল নাদালকে হতাশায় ডুবিয়ে জেতেন ক্যারিয়ারে প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম। আর ফ্রেঞ্চ ওপেন ও এবার ইউএস ওপেনে তিনি হূদয়ে পেরেক ঠুকেছেন নোভাক জোকোভিচের। তাতে বিরল এক রেকর্ডও গড়েছেন ওয়ারিঙ্কা। যে কীর্তি নেই এমনকি সর্বোচ্চ ১৭ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী তাঁর স্বদেশি রজার ফেদেরারেরও। এত দিন যাঁর ছায়া হয়ে সময় কেটেছে ওয়ারিঙ্কার। ৩০ পেরিয়ে গ্র্যান্ড স্লাম সাফল্যে সেই ফেদেরারকেও ম্লান করে দিয়ে জিতেছেন দু-দুটি মেজর। ওয়ারিঙ্কা ছাড়া টেনিসে যে কীর্তি আছেই আর মাত্র চারজনের।

স্তানিসলাস ওয়ারিঙ্কার ক্যারিয়ারের প্রথম অধ্যায়টা শুধু হতাশায় মুষড়ে পড়ার। এ সময়ে প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারেননি একদমই। শুরুর আট বছরে গ্র্যান্ড স্লামে তাঁর সেরা পারফরম্যান্স কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া। এটিপি টুর্নামেন্টে তিনটি শিরোপা জেতেন, তবে মর্যাদায় সেগুলো অন্য আসরগুলোর চেয়ে অনেকটাই ছিল পিছিয়ে। শিরোপা তো অনেক দূরের বাতিঘর বয়স ঘড়ির কাঁটা ২৮ ছোঁয়ার সময় এমনকি কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালেও পৌঁছতে পারেননি। সেরা অর্জন শেষ চারে জায়গা করে নেওয়া। হতাশার এ পথচলায় সব মিলিয়ে ১৩টি এটিপি ট্যুর ফাইনাল খেলে হেরে যান ১০টিতেই।   আর জীবন গল্পের দ্বিতীয় অধ্যায়টা রীতিমতো সোনালি সাফল্যে মোড়ানো। যেখানে ফাইনাল মানেই ওয়ারিঙ্কার নিশ্চিত শিরোপা উৎসব। ২০১৪ সালের পর রূপকথার এ ভ্রমণে জিতেছেন টানা ১১টি ফাইনাল। ক্যারিয়ারের তিনটি গ্র্যান্ড স্লামও জেতেন কিন্তু ক্যারিয়ারের বাঁক বদলের এ সময়েই। গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে পৌঁছে শতভাগ জয়ের রেকর্ড!

অথচ একটা সময় গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের স্বপ্ন দেখাটাও মনে হতো দুঃসাহস! রজার ফেদেরার, রাফায়েল নাদাল, নোভাক জোকোভিচ-অ্যান্ডি মারেদের সাম্রাজ্যে হানা দিয়ে শিরোপা জিততে পারবেন—এই আত্মবিশ্বাসটাই তো সঞ্চার করতে পারতেন না নিজের মনে। ২০১৩ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের একটি ম্যাচ জীবনের বাঁকটা বদলে দেয়। নোভাক জোকোভিচের বিপক্ষে চতুর্থ রাউন্ডের পাঁচ ঘণ্টার মহাকাব্যিক ওই ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেননি ওয়ারিঙ্কা। তবে ফেদেরারের ছায়াতল থেকে বেরিয়ে এসে সেরাদের সঙ্গে লড়াই করার সাহসটা ঠিক পেয়ে যান। ‘আমিও পারি’—ওয়ারিঙ্কার মনে আত্মবিশ্বাসের এই বীজটা আক্ষরিক অর্থে বপন হয়েছিল সেই মহাকাব্যিক লড়াইয়েই। তারই ফসল ২৯ পেরিয়ে তিন তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম জয়। ফ্লাশিং মিডোয় যার সর্বশেষটি তিনি জিতলেন ৩২ ছুঁয়ে। ১৯৭০ সালে কেন রোজওয়ালের পর এই বয়সে ইউএস ওপেন জিততে পারেননি আর কেউ-ই। ২০০৩ সালে আন্দ্রে আগাসির পর সবচেয়ে বয়সী গ্র্যান্ড স্লামজয়ীও এখন ওয়ারিঙ্কা।

ওয়ারিঙ্কার এ সাফল্যের পেছনে বড় কোনো রহস্য নেই, সহজ রেসিপি হচ্ছে ধাপে ধাপে লক্ষ্য স্থির করে এগোনো। হুট করে আকাশের চাঁদটা হাতের নাগালে পেতে চান না তিনি একদমই। প্রতিটি টুর্নামেন্টে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে এগোতে চান। পুরো ক্যারিয়ারটাই এমন ছক কষে এগিয়েছেন সুইস তারকা। গল্পটা না হয় শুনুন তাঁর মুখেই, ‘আমি সব সময় ধাপে ধাপে এগোতে চাই। নাম্বার ওয়ান কিংবা গ্র্যান্ড স্লামজয়ী হিসেবে নিজেকে ভাবিনি আমি কখনো। কেবল চেয়েছি সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে লড়াই করতে। না পাওয়ার কোনো অনুতাপ তাই নেই। ’

একটু একটু করে এগিয়ে আজ তিনি তিনবারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী। তিনটি ফাইনাল খেলে জিতেছেন সব কটি। সব মিলিয়ে সর্বশেষ ১১টি ফাইনালে তিনি অজেয়। আর অসাধারণ সাফল্যে বিগ ফোরের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে এখন তাঁর নাম। টেনিসবোদ্ধাদের কেউ কেউ আবার বিগ ফোর ভেঙে ওয়ারিঙ্কাকে নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন টেনিসের নতুন ক্লাব ‘বিগ ফাইভ’-এর। এ যোগ্যতার প্রমাণ তো কোর্টেই উজ্জ্বল দীপ্তি ছড়িয়ে দিচ্ছেন ওয়ারিঙ্কা।  

 

মেয়েদের টেনিসে রাজত্বটা হাতবদল হচ্ছে প্রতিনিয়ত। মেলবোর্নে পার্কে কেউ জিতেন তো রোলাঁ গাঁরোয় বিজয় কেতন ওড়ান আরেকজন। আবার অল ইংল্যান্ড ক্লাবের সবুজ গালিচায় বিজয় উদযাপন করছেন আবার অন্য কেউ। কিংবা ফ্লাশিং মিডোতেই আবার আবির্ভাব হচ্ছে নতুন কোনো তারকার। একমাত্র সেরেনা উইলিয়ামস ছাড়া ২০০৭ সালের পর এক পঞ্জিকাবর্ষে একটির বেশি গ্র্যান্ড স্লাম জয় নেই আর কোনো খেলোয়াড়ের। ফ্লাশিং মিডোয় শিরোপা উৎসব করে বর্ণিল এ সাফল্যে আমেরিকান তারকার পাশে বসলেন অ্যাঞ্জেলিক কেরবার। মেয়েদের টেনিসে ২০০৭ সালে সর্বশেষ একবছরে দুটি গ্র্যান্ড স্লাম জেতার রেকর্ড ছিল বেলজিয়ান জার্স্টিন হেনিনের। এরপর ওই সাফল্য ছুঁলেন সেরেনার পর শুধু কেরবারই।

ওয়ারিঙ্কার মতো কেরবারের জীবনের গল্পটায় মিশে যায় এক মোহনায়। জার্মানির এই তারকার শুরুটাও যে হতাশায় মাখা। কোর্টে দ্যুতি ছড়ানোও শুরু করেছেন অনেক দেরিতে। এ বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে সেরেনা উইলিয়ামসকে হতাশায় ডুবিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন বয়স ঘড়ির কাটা ২৮ ছুঁয়ে। এই বয়সে গ্র্যান্ড স্লাম জেতা মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় জার্মানির নতুন সেনসেশন। তাঁর আগে এ কীর্তি আছে কেবল চীনের লি নার। ২০১১ সালে তিনি ফ্রেঞ্চ ওপেনে যেদিন শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিলেন বয়স ঘড়ির কাঁটা তখন ২৯ ছুঁয়ে ফেলেছে তাঁর। এর তিন বছর পর চীনের এই মেয়ে জেতেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনও। এর পরপরই অবশ্য টেনিস র‌্যাকেটকে চিরতরে তুলে রাখার ঘোষণা দেন লি না। কেরবার অবশ্য এখানেই থেমে যেতে চান না। এগিয়ে যেতে চান আরো অনেক দূর। মেয়েদের টেনিসের প্রতিষ্ঠা করতে চান নিজের একটা সামাজ্য। এটা অলীক কোনো স্বপ্ন অবশ্য নয়, দাপটের সঙ্গে শাসন করার সে সামর্থ্য অবশ্য ভালোভাবে আছেও নতুন রানির। সেরেনা-শারাপাভোপরবর্তী জমানায় মেয়েদের টেনিসে সবচেয়ে বড় তারকা ভাবা হচ্ছে তো কেরবারকেই।

এ মাসেই ৩৫-এ পা দেবেন সেরেনা। মারিয়া শারাপোভার বয়স ২৯, তবে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কোর্টে ফিরে তিনি কতটা আলো ছড়াতে পারবেন—সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ। ২০১২ ও ২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ী ২৭ বছরের ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা আবার মা হওয়ার জন্য টেনিসে থেকে আছেন বিশ্রামে। আগ্নিয়েস্কা রাদওয়ানস্কা, ম্যাডিসন কাইস, ইউজেনি বুচার্ড ও স্লোয়ানে স্টেফান্সের মতো প্রতিভাবান কিছু খেলোয়াড় উঠে আসছে ঠিকই, তবে নিজের শক্ত একটা অবস্থান তৈরি করতে পারেননি তাঁদের কেউ-ই।   সাম্প্রতিক সময়ে গ্র্যান্ড স্লামজয়ীদের তালিকায় নাম উঠিয়েছেন পেত্রা কেভিতোভাও, কিন্তু উইম্বলডন ছাড়া পারেননি অন্য কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জিততে। ২২ বছর বয়সে এ বছর ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছেন গারবিনে মুগুরুজা। স্পেনের এ তরুণীর মধ্যে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও দেখছেন টেনিসবোদ্ধারা, কিন্তু রোলাঁ গাঁরোর পর তিনিও ম্রিয়মাণ। সেই হিসেবে শুধু এ বছরের সাফল্যের মানদণ্ডে দুর্দান্ত ধারাবাহিক কেরবার।

সময়টা তাহলে এখন কেরবারেরই। র‌্যাংকিংয়ের ১০-এ থেকে শেষ করেছিলেন গতবছর। ২০১৬ সালের শুরুতে জিতলেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। ফাইনাল খেলেছেন উইম্বলডন আর রিও অলিম্পিকে। নিউ ইয়র্কে র‌্যাংকিংয়ের চূড়ায় বসে জিতলেন শিরোপাও। সর্বশেষ জার্মান হিসেবে র‌্যাংকিংয়ের সিংহাসনে ছিলেন স্টেফি গ্রাফ। রেকর্ড ১৯০ সপ্তাহ সিংহাসনে ছিলেন এই কিংবদন্তি। সেরেনা উইলিয়ামসের ১৮১ সপ্তাহের রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে স্টেফির পর প্রথম জার্মান হিসেবে র‌্যাংকিংয়ের চূড়ায় উঠলেন কেরবার। ১৯৯৬ সালে স্টেফি গ্রাফের পর প্রথম জার্মান হিসেবে জিতলেন ইউএস ওপেন। ফাইনালের আগে খুদে বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন স্টেফি গ্রাফ, ক্যারোলিন প্লিসকোভার বিপক্ষে এটাই নাকি তেতিয়ে দিয়েছিল কেরবারকে। স্টেফিকে তাই কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি কেরবারও, ‘তিনিই আমার আদর্শ। অনেকবার স্টেফি গ্রাফকে বলেছি কথাটা। ’

মজার ব্যাপার হচ্ছে, গ্র্যান্ড স্লামে সেরেনাকে হারানো সর্বশেষ ১৩ খেলোয়াড়ের ১০ জনই হেরে গেছেন পরের ম্যাচ। প্লিসকোভা এর সর্বশেষ সংযোজন। এটা কাকতালীয় কি না, সে প্রশ্ন আপাতত তুলে রাখা যাক, ফাইনালে কেরবার প্লিসকোভাকে বশ মানিয়েছেন কিন্তু দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যে। চেক প্রজাতন্ত্রের তরুণী ৪০টি উইনার্স করেছেন ঠিকই, তবে সেটা ম্রিয়মাণ হয়ে গেছে তাঁর ৪৭টা আনফোর্সড এররে। বিপরীতে ২১টি উইনার্স করলেও কেরবার আনফোর্সড এরর করেছেন মোটে ১৭টি। ম্যাচের পার্থক্যটা এখানেই গড়ে ফেলেন কেরবার। ফ্লাশিং মিডোয় জিতে পেয়েছেন ৩.৫ মিলিয়ন প্রাইজ মানি। তাতে হয়তো আরো স্বচ্ছন্দ রঙিন জীবন যাপন করতে পারবেন কেরবার। তবে শিরোপা জেতার যে অভ্যাসটা গড়ে তুলেছেন, বড় ম্যাচ জেতার যে আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করেছেন তা অমূল্য!

শুরুটা বিবর্ণ হলেও একবছরের ব্যবধানে পুরোপুরি পাল্টে গেছে জীবনের ছবিটা। স্মৃতির সরণি বেয়ে পেছন ফিরে নিজের বর্তমান অবস্থানে দারুণ পুলকিত কেরবার, ‘অনেক চড়াই-উতরাই ছিল। আজ গ্র্যান্ড স্লাম চ্যাম্পিয়ন ও নাম্বার ওয়ান হতে পেরেছি, আক্ষরিক অর্থে আমি খুব খুশি। ’ এটাই তো ক্যারিয়ারের বাঁক বদলের বছর, ‘সব স্বপ্নই পূর্ণ হয়েছে এ বছর। নিঃসন্দেহে আমার ক্যারিয়ারের সেরা সময়। ’

এতে বিন্দুমাত্র সংশয়ের অবকাশও নেই। ২০১৬ সালের আগে কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালেই যেখানে উঠতে পারেননি সেখানে একপঞ্জিকা বর্ষেই খেলে ফেললেন তিন তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম। এর মধ্যে শিরোপা উৎসব করেছেন আবার দুটিতে—অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ইউএস ওপেন। ও হ্যাঁ, অলিম্পিকেও কিন্তু ফাইনাল খেলেছেন কেরবার।

সত্যিই টেনিসের নতুন রানি এখন কেরবার।

 


মন্তব্য