kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

এক নজরে

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



খরুচে ক্লাব

 

           

ম্যানচেস্টার সিটি

খরচ : ২০০ মিলিয়ন

দামি ৩ : এভারটনের জন স্টোনস, ৫৬ মিলিয়ন; শালকের লিরয় সানে, ৪৪ মিলিয়ন; পালমেইরাসের গ্যাব্রিয়েল জেসুস, ৩২ মিলিয়ন

 

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

খরচ : ১৭০ মিলিয়ন

দামি ৩ : জুভেন্টাসের পল পগবা, ১০৫ মিলিয়ন; ভিয়ারিয়ালের এরিক বেইলি, ৩৫ মিলিয়ন; বরুশিয়ার হেনরিক মিখিতারিয়ান, ৩০ মিলিয়ন

 

জুভেন্টাস

খরচ : ১৬৫ মিলিয়ন

দামি ৩ : নাপোলির গনসালো হিগুয়েইন, ৯০ মিলিয়ন; রোমার মিরালেম পিয়ানিক, ৩২ মিলিয়ন; রোমার মার্কো পাচা, ২৫ মিলিয়ন

 

চেলসি

খরচ : ১৪৯ মিলিয়ন

দামি ৩ : পিএসজির দাভিদ লুইজ, ৪৫ মিলিয়ন; মার্শেইর মিচি বাতুশুয়ই, ৩৯ মিলিয়ন; লিস্টার সিটির এন’গোলো কান্তে, ৩৭.৫ মিলিয়ন

 

বার্সেলোনা

খরচ : ১২৩ মিলিয়ন

দামি ৩ : ভ্যালেন্সিয়ার আন্দ্রে গোমেস, ৩৫ মিলিয়ন; ভ্যালেন্সিয়ার পাচো আলকাসের, ৩০ মিলিয়ন; লিঁও’র স্যামুয়েল উমতিতি, ২৫ মিলিয়ন

 

(ট্রান্সফারের অঙ্ক ইউরোয়)

 

ঘরে ফেরা

 

এবারের দল বদলে পুরনো ক্লাবে ফিরেছেন অনেকে। পল পগবা তো পুরনো ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন ট্রান্সফারের নতুন রেকর্ড গড়ে।

দেখে নেওয়া যাক আলোচিত কজনের ঘরে ফেরা

পল পগবা

২০১২ সালে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের সময়ই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দিয়েছিলেন পল পগবা। চার বছর পর সেই পগবাকেই ১০৫ মিলিয়ন ইউরোয় ফিরিয়ে আনলেন নতুন কোচ হোসে মরিনহো। তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার পর যেমন হাসাহাসি করেছিলেন অনেকে তেমনি আকাশছোঁয়া দামে কেনার পরও মুখ টিপে হাসার লোকের অভাব ছিল না। এখন ম্যানইউতে পগবা হাসির পাত্র না হলেই হয়।

 

মারিও গোৎজে

‘মিলান না হলে মাদ্রিদ যাও, ভুলেও ফিরে এসো না ডর্টমুন্ডে’—মারিও গোেজকে নিয়ে এমন ব্যানার নিয়েই মাঠে আসতেন ডর্টমুন্ডের দর্শকরা। জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ী নায়ক তার পরও সাহসী সিদ্ধান্তই নিয়েছেন পুরনো ক্লাবে ফেরার। ২০১৩ সালে ৩৭ মিলিয়ন ইউরোয় যোগ দিয়েছিলেন বায়ার্ন মিউনিখে। তিন বছর পর ২৬ মিলিয়ন ইউরোয় চার বছরের চুক্তিতে ফিরলেন পুরনো দলে। বায়ার্নের ছন্দহীনতাটা এখানে কাটবে কি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা গোেজর?

 

দাভিদ লুইজ

৬২ মিলিয়ন ইউরোয় ২০১৪ সালে চেলসি থেকে যোগ দিয়েছিলেন পিএসজিতে। কোনো ডিফেন্ডারের জন্য সেটাই ট্রান্সফারে সর্বোচ্চ অঙ্ক। চেলসির দায়িত্ব নিয়ে বিস্ময়করভাবেই আন্তোনিও কন্তে ফিরিয়ে আনলেন এই ব্রাজিলিয়ানকে। এ জন্য অবশ্য বিশ্ব রেকর্ড গড়তে না হলেও খরচটা একেবারে কম হয়নি। চেলসিকে গুনতে হয়েছে ৪৫ মিলিয়ন ইউরো। পিএসজিতে খেলে নিজের খেলার মান কতটা বেড়েছে বলবে সময়। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান দল থেকে বাদ পড়েছেন ঝাঁকড়া চুলের এই জনপ্রিয় ডিফেন্ডার।

 

আলভারো মোরাতা

রিয়াল মাদ্রিদের ২০১৪ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী দলে ছিলেন তিনি। সেই মৌসুমেই প্রতিভাবান এই ফরোয়ার্ডকে জুভেন্টাসের কাছে ২০ মিলিয়ন ইউরোয় বিক্রি করে দেয় মাদ্রিদের ক্লাবটি। ইতালিয়ান ক্লাবটিতে টানা দুই মৌসুমে জিতেছেন সিরি ‘এ’ ও কোপা ইতালিয়া। আলভারো মোরাতার দূর্দান্ত নৈপুণ্যে বছর দুয়েক পর ৩০ মিলিয়ন ইউরোয় ঘরের ছেলেকে ফিরিয়ে আনে রিয়াল। অবশ্য জুভেন্টাসের সঙ্গে চুক্তিতেই ছিল এই ‘বাই-ব্যাক’ ব্যাপারটা।

 

খরচে এগিয়ে পাঁচ লিগ

 

ইউরোপের তিন দেশের লিগে সর্বকালের সর্বোচ্চ খরচের রেকর্ড হয়েছে এবার। টানা দ্বিতীয় বছর এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি খরচ করে যথারীতি সবাইকে পেছনে ফেলেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। নিজেদেরই আগের রেকর্ড ভেঙেছে ১.৪ বিলিয়ন ইউরো খরচে ফুটবলার কিনে। এই লিগের চারটি ক্লাবের খরচ ছাড়িয়েছে ১০০ মিলিয়ন ইউরো। এ ছাড়া ৬৯৯ মিলিয়ন ইউরো খরচে ইতালিয়ান সিরি ‘এ’ ও ৫৪৩ মিলিয়ন ইউরোয় ফুটবলার কিনে ভেঙেছে জার্মান বুন্দেসলিগার খরচের রেকর্ডও। ইউরোপের সেরা পাঁচ খরুচে লিগের হিসাবটা দেখে নেওয়া যাক। সব খরচ ইউরোয়।


মন্তব্য