kalerkantho


জোকস: আমারে তালাক দে, এখনি...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৮ নভেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪২



জোকস: আমারে তালাক দে, এখনি...

এক বেখেয়াল স্বামী আর পতিভক্ত স্ত্রীর গল্প। স্বামী রাতে পানি চাইলো স্ত্রীর কাছে। স্ত্রী পানি এনে দেখলো স্বামী ঘুমিয়ে পড়েছে। এরপর সে সারারাত পানি নিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো পতির ঘুম ভাঙার অপেক্ষায়। ভোরবেলা স্বামী চোখ খুলেই বিষয়টি বুঝতে পেরে খুব খুশি হলো। আনন্দিত কণ্ঠে স্ত্রীকে বললো

- বলো কী চাও আমার কাছে? আজ যা চাও তাই দিবো!
- গোলামের পুত, আমারে তালাক দে, এখনি...

                                                (২)

-তোমার সঙ্গে না হয়ে যদি ইবলিশ-এর সঙ্গে বিয়ে হতো তাতেও আমাকে এতটা হয়রান-পেরেশান হতে হতো না!

বউয়ের এমন কথায় একটুও না রেগে মন্‌টুর বাপ সান্ত্বনার স্বরে জবাব দিল

-আরে পাগলি! ভাই-বোনের বিয়ে বাবা আদমের জামানায় ছিল, এখন নেই...
 
                                                (৩)
ঝগড়ার পর বউ রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গেছে। স্বামী রোজ কয়েকবার ফোন করে। কিন্তু স্ত্রীর বদলে শাশুড়ি ফোন ধরেন এবং বিরক্ত কণ্ঠে জানিয়ে দেন যে তার মেয়ে এমন ছেলের ঘর করবে না। 

আজও জামাই ফোন দিল শ্বশুরবাড়িতে। 

শাশুড়ি: কতোবার বলবো যে আমার মেয়ে তোমার সংসার আর করবে না! তারপরও বারবার ফোন করে বিরক্ত করছো কেন, বাবা?

জামাই: আপনার প্রথম কথাটা বারবার শুনতে খুউব ভাল লাগে, শান্তি পাই আম্মা। এজন্যই বারবার ফোন করি...

                                                (৪)
সব পুরুষেরই কান্না বউ নিয়ে। কেউ এনে কাঁদছে তো কেউ আনার জন্য কাঁদছে- মন্টুর বাপের পর্যবেক্ষণ

                                                (৫)
রোগী: ডাক্তার সাব! ডাক্তার সাব!

চিকিৎসক: সমস্যা কী বলেন আগে! দেখি কি কষ্ট, কি অসুখ আপনার?

রোগী: আমার অসুখ খুবই আজব কিসিমের...

চিকিৎসক: কথা না পেঁচিয়ে সরাসরি বলেন দেখি হয়েছেটা কি?

রোগী: আমার স্ত্রী যখন কথা বলেন তখন আমি কিছু শুনতে পাইনা...

চিকিৎসক দীর্ঘস্বাস গোপন করতে পারলেন না। উদাস কণ্ঠে বললেন: আরে! একে অসুখ বলছেন কেন ভাইসাব? এ তো খোদার খাস রহমত! পয়সা খরচ করে এই অসুখ সারায় কোন পাগলে?

রোগী: মানে!

চিকিৎসক: আহ্‌! আমার যদি এমন অসুখ হতো...

                                                (৬)

চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছে এক ব্যক্তি

প্রশ্নকর্তা: আপনার জব হিস্টরিতে দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েক বছরের গ্যাপ!

চাকরিপ্রার্থী: তাতে কি সমস্যা আছে কোনো, স্যার?

প্রশ্নকর্তা: মানে আমরা জানতে চাইছি ওই সময়টায় আপনি কী করেছেন, কোথায় ছিলেন?

চাকরিপ্রার্থী: জেল খাটছিলাম।

প্রশ্নকর্তা: অ্যাঁ! বলেন কী! তা কোন অপরাধে?

চাকরিপ্রার্থী: এর আগের ইন্টারভিউ শেষে যে লোক বলেছিল, ‘আপনাকে পরে ফোনো জানাবো আমরা...’ তাকে খুন করেছিলাম!

প্রশ্নকর্তা ‘ওরে বাপরে’ বলে দাঁড়িয়ে গেলেন।  তোঁতলাতে তোঁতলাতে বললেন: আ... আমরা কি...কিন্তু সে..সে...সেই দলে নেই। কি...কিসের আবার প...প...পরে ডাকাডাকি! আপনি এ...এ...এখনি জয়েন ক...করুন আমাদের অ...অ...অফিসে...ওয়েলকাম স্যা...স্যা...স্যার!



মন্তব্য