kalerkantho


জোকস: খবরদার, বউকে শোধরাতে যাবেন না...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ নভেম্বর, ২০১৮ ২১:১২



জোকস: খবরদার, বউকে শোধরাতে যাবেন না...

দুইজন লোক আসন্ন নির্বাচনে নিজ নিজ প্রার্থী নিয়ে কঠিন তর্ক করছিল। অর্থহীন ঝগড়া যাকে বলে আর কি! নাসিরুদ্দিন হোজ্জা জরুরি কাজে সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। দুজনেই তাকে ধরলো ফয়সালা করে দিতে। নিজের কাজে দেরি হচ্ছে দেখে হোজ্জা খুব বিরক্ত হলো। কিন্তু উপায় নেই- দুজনেই জোরাজুরি শুরু করলো। হোজ্জা প্রথমজনের অভিযোগ শুনে বললো, তুমি তো ঠিকই বলছো হে! 

হোজ্জার মন্তব্যে দ্বিতীয় জন হা হা করে উঠলো। চিৎকার করে বললো: তুমি আমার কথা না শুনেই তার কথায় সায় দিয়ে দিলে? 

হোজ্জা: বল তাহলে তোমারটাও শুনি!

দ্বিতীয় জন তার অভিযোগ পেশ করলে হোজ্জা মাথা নাড়িয়ে বিজ্ঞের মতো বললো: তোমার কথাই তো ঠিক!

ঘটনা দেখছিল তৃতীয় একজন। সে খুব রেগে গিয়ে হোজ্জাকে বললো: আজব লোক তো তুমি হে, হোজ্জা! দুজনের কথাই ঠিক হয় কিভাবে? দুইজনই যদি ঠিক বলে থাকে তাহলে ঝগড়াটা হচ্ছে কী নিয়ে?

হোজ্জা তৃতীয় জনকে বললো: তোমার কথাও ঠিক রে ভাই!

এবার তিনজনেই তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে রইলো। হোজ্জা তাদের ওই অবস্থায় রেখে নিজের পথে রওনা করলো।

                                                (২)
একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ও কমেন্ট-

তিন্নি: শ্রাবণের অঝোর ধারা বৃষ্টিতে তোকে মনে করি, ভাদ্রের ঠা ঠা রোদ্রেও তোকে ভুলি না....

রুবি: আর কান্দিস না দোস্ত, এইবার তোর ছাতাটা ফেরত দিয়া যামুই যামু...

                                                (৩)

মন্টুর মা: তোমার সঙ্গে আর কথা বলবো না!

মন্টুর বাপ: ঠিক আছে, তাই সই!

মন্টুর মা: কারণ জানতে চাইলে না! কেন আমি এমন সিদ্ধান্ত নিলাম?

মন্টুর বাপ: নারীদের সিদ্ধান্তকেও সম্মান দিতে হয়! আমি তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করছি।

মন্টুর মা: তোমার  মতো বিখাউজ আর একটাও নাই...

                                                (৪)
যখন আপনার স্ত্রী আপনাকে এসে বলবে, আমার ভুলগুলো শুধরে দিও যদি তোমার নজরে পড়ে...এর জবাবে মুচকি হেসে শুধু সম্মতি জানান। খবরদার, বাহাদুরি দেখিয়ে তাকে শোধরানো শুরু করবেন না। মনে রাখবেন, এটা আপনার বউয়ের একটা ফাঁদ- মন্টুর বাপের উপদেশ

                                                (৫) 
এটি একটি ইংরেজদেশীয় গল্প। মহল্লার গির্জার সামনেই একটি মদের দোকান খোলা হলো। গির্জা কর্তৃপক্ষ খুব হতাশ হলো এমন ঘটনায়। তবে সৌজন্য আর ভদ্রতার খাতিরে কিছু বললো না। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা হলো অল্পদিনেই মদের দোকান জমে গেল। ক্রমশ বাড়তে থাকলো মাতালদের আনাগোনা। গির্জার লোকজন তবুও মুখ ফুটে কিছু বললো না। তবে এবার তারা সিদ্ধান্ত নিল, প্রতিদিনের প্রার্থনায় শুরিখানাটি যাতে ধ্বংস হয়, বন্ধ হয়ে যায়- তার প্রার্থনা করে যাবে সবাই।

তো একদিন দেখা গেল সত্যি সত্যি আগুন লেগে মদের দোকানটি ভষ্মিভূত হয়ে গেল। গির্জার লোকজন খুশি হলো। মদের দোকানদার কিভাবে জানি জেনে গেল যে গির্জায় প্রতিদিন তার মদের দোকান ধ্বংসের প্রার্থনা করা হতো। সে গিয়ে মামলা ঠুঁকে দিল গির্জার বিরুদ্ধে।

আদালতে বিচার শুরু হলো। কাঠগড়ায় একদিকে গির্জার প্রধান পাদ্রি আর অপরদিকে মদওয়ালা।

বিচারক: ফাদার, মদওয়ালা বলছেন যে আপনাদের প্রার্থণার কারণে ঈশ্বর তার দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন! এটা কি সত্য?

ফাদার: কোনো কালেই না, মান্যবর। 

ফাদারের জবাবে বিচারক হতাশ কণ্ঠে বললেন- তার মানে মদওয়ালার ঈশ্বরে যতটুকু বিশ্বাস আছে আপনাদের দেখছি তাও নেই..



মন্তব্য