kalerkantho


জোকস: রিচার্জ করি আর পেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:২৭



জোকস: রিচার্জ করি আর পেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়

গভীর এক জঙ্গলের আজগুবি গল্প এটি। সেখানে একদিন সন্ধ্যার পরে সিংহ সিগারেট ধরাচ্ছিলো। এসময় হঠাৎ শিয়াল এসে উদয় হলো। খুব মিনতি ভরা গলায় সে সিংহকে বললো, বড় ভাই, কেন এসব ছাইপাশ খাচ্ছো? ছেড়ে দাও! এসো আমার সাথে, দেখো, আমাদের এই বন কী সুন্দর!

এমন মোহনীয় আব্দার শুনে সিংহের মন ভাল হয়ে গেল। শিয়ালের সাথে চলা শুরু করলো সে। কিছুদূর যাবার পর দেখে হাতি মামা কলাগাছের ঝোঁপে লুকিয়ে বাবা না ইয়াবা সেবনের চেষ্টা করছে।

শিয়াল গুটি গুটি পায়ে কাছে গিয়ে পাদ্রীর মতো শান্ত গলায় বললো- কেনরে ভাই নিজেরে শেষ করছো? কী দুঃখ তোমার? লিভার-কিডনি সব খেয়ে ফেলবে এটা তোমার। এসব ছেড়ে আমার সাথে চলো, দেখো, আমাদের এই বন কত মনোমুগ্ধকর! জীবনে নেশা ছাড়াও আনন্দ আছে অনেক!

শেয়ালের সম্মোহনী বাতচিতে হাতিও পটে গেল। শুঁড় দিয়ে ইয়াবা ডোবায় ছুড়ে ফেলে তার পিছে পিছে যাওয়া ধরলো। কিছুদূর যাবার পর তিনজনেই দেখলো বদমেজাজী ডোরাকাটা রয়েল বেঙ্গল বাঘ ঘাসবনে লুটোপুটি খাচ্ছে, হাঁটতে গিয়ে টলে পড়ে যাচ্ছে আবার উঠছে, আবার গড়িয়ে পড়ছে। 

বাঘ বেটা বাংলা মদ খেয়ে টাল! তিনজনেই আফসোস করলো। আহ্‌! আর একটু আগে আসলেই তো ঠেকানো যেত বেচারাকে! 

তবে শিয়াল আশা ছাড়ার পাত্র নয়। সে কাছে গিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে শুরু করলো তার কাউন্সেলিং- জীবন অনেক সুন্দর, মামা। তোমার এই মদের নেশার চেয়ে অনেক সুন্দর... ছাড়ো না এসব ছাইপাশ। নেশা কী দেয় আমাদের! চলো আমাদের সাথে, জীবনের পথে হাঁটি। দেখো, আমাদের বনটা কত্ত মায়াবী...

শিয়ালের বিরামহীন বকবকানিতে বাঘ উঠে দাঁড়ালো কোনোমতে। তবে উঠেই হুঁঙ্কার দিয়ে শেয়ালের গালে এক বন চটকানা বসিয়ে দিল। শিয়াল বাবাজি ময়লার পোটলার মতো কয়েক হাত দূরে গিয়ে পড়লো।

হাতি-সিংহ দুজনেই তাজ্জব। তারা আহত কণ্ঠে বললো, কী হলো বাঘ ভাই?! এত মেজাজ তো ভাল না! বেচারা তো হক কথাই বলছিল। আমরাও তো তার কথা মতো...

বাঘ নেশা জড়ানো কণ্ঠে বললো, এই হারামজাদা ডেইলি গাঞ্জা খাইয়া আয়া এইভাবে সবাইরে নিয়া রাইতভর জঙ্গলে ঘুরায়! গত দুইদিন আমি, সজারু, বান্দর, হায়েনা, চিতা অর পেছন পেছন চক্কর কাটছি হুদাই....
(২)
পেটের অসুখ নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেছে মহল্লার বিশিষ্ট মোবাইল ফোন বিশেষজ্ঞ ও মোবাইল ব্যবসায়ী বিল্টু ভাই। 

ডাক্তার: কি কি সমস্যা হচ্ছে বলেন, প্লিজ।

বিল্টুভাই শুরু করলেন: স্যার, পেটে অনবরত ভাইব্রেশন আর থেকে থেকে নতুন নতুন রিংটোন শোনা যাচ্ছে। আনলিমিটেড আউটগোয়িং হচ্ছে বিরতিহীন, রিচার্জ করি আর পেটের ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়। পাঁচ মিনিটেই ডিসচার্জ হয়ে যাচ্ছে রিচার্জ করা ব্যালেন্স! মিসকল দিতে গেলেও কল রিসিভ হয়ে যাচ্ছে- বারবার এজন্য কাভার মানে জামা পাল্টাতে হচ্ছে... বড় কষ্টে আছি ...

ডাক্তার: আপনার যা অবস্থা, তাতে ফ্যাক্টরি সেটিং দেওয়া ছাড়া তো উপায় দেখতেছি না!

(৩)
এলাকার পাতি নেতার ছেলে: আমিও চাই আমার বাবার মতো প্রধানমন্ত্রী হতে!

প্রতিবেশী ঘাবড়ে গিয়ে: কী বলছো হিটলু! তোমার বাবা আবার প্রধানমন্ত্রী ছিল কবে?

হিটলু: না, তিনিও প্রধানমন্ত্রী হতে চান আর আর কি...

[সংগৃহীত] 



মন্তব্য