kalerkantho


জোকস: সুন্দরীর আজব সমস্যা...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ জুলাই, ২০১৮ ২০:১৮



জোকস: সুন্দরীর আজব সমস্যা...

প্রতীকি ফাইল চিত্র

খুবই সুন্দরী এক তরুণী গেলেন ডাক্তারের কাছে আজব সমস্যা নিয়ে।

রোগী: ডাক্তার সাহেব, বড় জটিল সমস্যা...

ডাক্তার: ম্যাডাম, চিকিৎসককে বন্ধুর মতো ভাবুন। যে কোনো সমস্যা নিঃসঙ্কোচে বলুন।

রোগী: বলতে লজ্জা হচ্ছে...

ডাক্তার: আরে বলে ফেলুন...

রোগী: আমার পেটে গ্যাসের বিরাট সমস্যা। সারাক্ষণ ঠুস ঠুস চলছেই...

ডাক্তার: হুম, সেটা তো বুঝতেই পারছি! (ডাক্তার এবার নাকে হাত দিলেন)

রোগী: না, ডাক্তার সাব। আপনে বোঝেন নাই। কারণ, এরই মধ্যে আমি আপনার সামনে বসে ১০ বার গ্যাস ছেড়ে দিয়েছি; কিন্তু আপনি টেরই পাননি!

ডাক্তার: বলেন কি!?

রোগী: জ্বী। কারণ, আমার গ্যাসে গন্ধ হয় না, শব্দও হয় না! এটা অবশ্য ভাল একটা দিক আমার গ্যাসের!

ডাক্তার: তাড়াতাড়ি বাসায় গিয়ে এই ওষুধটা খান, প্রতিদিন তিনবার। এক সপ্তাহ পরে ফোন দিয়েন, আসার দরকার নাই। তার অপার সৌন্দর্য ফের দেখতে অনাগ্রহী ডাক্তারের আচরণে কিছুটা অবাক হয়ে বিদায় নিলেন রোগী।

তবে পরের সপ্তায় রোগীর ফোন পেলেন ডাক্তার।

রোগী: এ কেমন ওষুধ দিলেন ডাক্তার সাহেব!

ডাক্তার: কেন? কী হয়েছে বলুন তো!

রোগী: আমার গ্যাসে এখন আগের মতো আর শব্দ নেই সত্য; কিন্তু জঘন্য গন্ধ হচ্ছে- কোথাও একবার দিলে টেকা দায় হয়ে যায় সবার!

ডাক্তার: আমারও তাই হয়েছিল সেদিন!

রোগী: মানে?

ডাক্তার: মানে জানার দরকার নেই, ম্যাডাম। শুধু এটা জানুন যে আপনার নাক এখন ঠিক হয়ে গেছে। এবার কানের চিকিৎসার ওষুধ দিচ্ছি, লিখে নিন। এরপর শুরু হবে গ্যাসের চিকিৎসা...

                                                (২)
শিক্ষক: দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত কোথায় হয়?
ছাত্র: খুবই সহজ উত্তর, স্যার!
শিক্ষক: জানলে বল তাড়াতাড়ি!
ছাত্র: মাটিতে, স্যার! 
শিক্ষক: অ্যাঁ...

                                                (৩)
এক রিকশাচালকের হাত কেটে গেছে। পরোপকারী মন্টুর বাপ তাকে এলাকার ক্লিনিকে নিয়ে গেল। ডাক্তার প্রথমেই বললেন: বড় ধরনের কাটা, সেলাই লাগবে কিন্তু? অনেক ওষুধও লাগবে?

কাতরাতে থাকা রিকশাচালক: স্যার, কতো টাকা লাগতে পারে?

ডাক্তার: দুই হাজারের কম না।

মন্টুর বাপ: ডাক্তার সাব, আপনারে এমব্রয়ডারি করতে কে বলছে, শুধু সেলাই দিলেই তো হয়!

                                                (৪)
ইভটিজার স্বভাবের ছেলে ঝন্টু কথা বলছে মহল্লার ভদ্রগোছের ছেলে পিন্টুর সঙ্গে।

ঝন্টু: দোস্ত, ওই নারিকেল গাছটায় উঠলেই তো পাশের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মেয়েদের দেখা যাবে!

পিন্টু: তা যেতে পারে। তবে উপরে উঠে শক্তহাতে ধরে রাখিস গাছ।

ঝন্টু: কেন? কেন?

পিন্টু: না হলে মেডিকেল কলেজের ছাত্রীদের সাক্ষাৎও ভাগ্যে জুটে যাবে।

                                                (৫)
ভাল মেয়ে মুন্নী পাগলের মতো ভালোবাসে মাস্তান স্বভাবের সহপাঠী মিলনকে। কিন্তু প্রকাশ করতে পারে না। কারণ, লাভারবয় মিলন পাত্তা দেয় না। সেদিন ধানমন্ডি লেকের ধারে প্রিয়তমকে দেখেই সব দ্বিধা ছেড়ে জড়িয়ে ধরে মুন্নি বললো: আই লাভ ইউ, জান!

অহঙ্কারী স্বভাবের মিলন খুব বিরক্ত হলো। সঙ্গে সঙ্গে মুন্নীকে এক চড় দিয়ে বললো: কী বললি?

মিলনকে চমকে দিয়ে কোমল স্বভাবের মুন্নী এবার দ্বিগুণ জোরে চড় কষিয়ে দিল। লাভার বয়ের গালে দাগ বসে গেল পাঁচ আঙুলের। 

মিলন হতভম্ব। 

শান্ত কণ্ঠে মুন্নী বললো: আমার কথা যদি নাই বুঝে থাকিস তাহলে মারলি কেন? এই চড় দিয়ে সেই প্রশ্নই করলাম!
       



মন্তব্য