kalerkantho


জোকস: ‘ছাগল নম্বর ৬’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১ মে, ২০১৮ ১৬:২৯



জোকস: ‘ছাগল নম্বর ৬’

অনেক কষ্টে জোটানো ‘গার্লফ্রেন্ড’কে কল করেছে সদ্য কৈশোরোত্তীর্ণ মন্টু। ফোন ধরেছে গার্লফ্রেন্ডের ১২ বছর বয়সী বিচ্ছু টাইপের ভাগ্নে হিটলু।

হিটলু: হ্যালো আপনি কে?

মন্টু: আমি... আমি... আমি আসলে জিনিকে চাই?

হিটলু: আপনাকে কি চেনেন জিনি খালা?

মন্টু: চেনে চেনে! জিনিকে ডেকে দাও তো বাবু তাড়াতাড়ি!

হিটলু: আমাকে ‘বাবু’ বললেন! আপনার নামটা তো বললেন না আঙ্কেল?

মন্টু গলায় ভাব এনে বললো: জিনিকে গিয়ে শুধু বল- তোমার জান ফোনে আছে!

হিটলু: কিন্তুক ‘জান’ আঙ্কেল! মোবাইলে যে লেখা আছে, ‘ছাগল নম্বর ৬’!

‘স্মার্ট বয়’ মন্টুর হাত থেকে পড়ে ভেঙে গেল স্মার্ট ফোনটি।

                                                (২)

মতলুব সাহেবের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ডাক্তার বললেন, আপনার প্রস্রাবের নমুনা নিয়ে আসেন আগামীকাল।

গ্রাম থেকে সদ্য শহরে আসা মতলুব প্রশ্ন করলেন: কেন? আমারেই তো দেখলেন এতক্ষণ! প্রস্রাব দিয়ে কী করবেন?

ডাক্তার: একটু টেস্ট করা দরকার। 

মতলুব: টেস্ট কি আপনার এখানেই হবে? 

ডাক্তার: হ্যাঁ। সকাল সকাল আনবেন। 

পরদিন বোতলে করে প্রস্রাবের নমুনার সঙ্গে এক প্যাকেট চানাচুরও নিয়ে আসলেন মতলুব। ডাক্তারকে খুঁজে বের করে তার হাতে বোতল ও প্যাকেট ধরিয়ে দিলেন। ডাক্তার চেঁচিয়ে উঠলেন-

আরে... আরে! এসব আমার হাতে দিচ্ছেন কেন?

আপনেই না টেস্ট করবেন, তাইলে অন্য কারো হাতে দিয়া তো কাম নাই আমার!

ডাক্তার সাহেব জীবনে এমন বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন নাই। খুবই ব্রিবত বোধ করছেন। তবে দ্রুতই পরিস্থিতি সামলে নিয়ে বললেন- 

প্রস্রাব এনেছেন, ঠিক আছে! কিন্তু সঙ্গে চানাচুর কেন? এটা কে আনতে বলেছে?

কেউ বলে নাই স্যার! খালি মুখে ওই জিনিস টেস্ট করবেন আপনি... তাই ভাবলাম সঙ্গে একটু চানাচুর হলে ভাল লাগবে...

ডাক্তার জ্ঞান হারালেন। ওদিকে মতলুব বলে চলেছেন- আপনি কতো ভাল ডাক্তার! রোগীর প্রস্রাব চেখে রোগ ধরেন...

                                                (৩)
গ্রিন টি’র পক্ষে বিপক্ষে নানা মত রয়েছে। তবে ঘরে আসা মেহমানকে সবুজ চা খাওয়ানোর বিশেষ কিছু ফায়দা আছে। যেমন-

১. নিজেকে অভিজাত আর ধনী মনে হয় এবং মেহমানের সামনে ভাবও নেওয়া যায়।
২. চায়ের সঙ্গে বিস্কুট বা অন্য কিছু দেওয়ার ঝামেলা-খরচ দুটোই বেঁচে যায়। 
৩. দুধের খরচটাও বেঁচে যায়, অনেক ক্ষেত্রে বেঁচে যায় চিনির খরচও।
৪. কাপ পুরো ভরে দিতে হয় না, অল্প পরিমাণেই পরিবেশন করা যায়।
৫. এবং সেইটুকু কোনোমতে গেলার পর কেউ আর দ্বিতীয়বার নিতে চায় না।
৬. অনেকেই জানিয়েছেন একবার গ্রিন টি খাওয়ানোর পর দ্বিতীয়বার সেই মেহমানকে দড়ি দিয়ে টেনেও  আনা যায়নি আর। 

                                                (৪)

বস: আচ্ছা বলতো, কুকুর লেজ নাড়ায় কেন?

মন্টুর বাপ: কারণ, লেজটা কুকুরের। তাই, সে-ই নাড়ায়, বেড়ালের সেই ক্ষমতা নেই যে কুকুরের লেজ নাড়াবে, বস!



মন্তব্য