kalerkantho


জোকস: ভারত-পাকিস্তানি রগড় এবং ঢাকাইয়া বিউটি পার্লার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:১৬



জোকস: ভারত-পাকিস্তানি রগড় এবং ঢাকাইয়া বিউটি পার্লার

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক ব্রিগেডিয়ার ম্যানহোলে পড়ে গেলেন। কিন্তু সাত দিনেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে এক সাংবাদিক তাকে টেনে তুললো।

সাংবাদিক: আপনি সাত দিন যাবত কুয়োয় পড়ে ছিলেন! কেউ টেনে তুললো না! কেন?

ব্রিগেডিয়ার: আমার ব্রিগেডের অধীনস্থ অফিসার ও সৈনিকরা অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু দড়ি দিয়ে টেনে যখন আমাকে প্রায় তুলে ফেলে, তখনই ওদের চোখ পড়ে যায় আমার ব্যাজের ওপর, সাথে সাথে ওরা দড়ি ছেড়ে দিয়ে আমাকে স্যালুট দেয়, আমি আবার কুয়োর মধ্যে পড়ে যাই। 

সাংবাদিক: তারপর?
 
ব্রিগেডিয়ার: এভাবে দিন চারেক চললো। আমাকে কেউ তুলতে পারে না। পাড়ে উঠতেই স্যালুট এবং দড়ি ছেড়ে দেওয়া, তারপর ঝপাৎ! ঘটনা জানার পর আমাকে উদ্ধারে স্বয়ং তিন বাহিনীর প্রধানরা চলে আসলেন। তারা পরিস্থিতি দেখে ব্যাপক আলোড়িত হলেন এবং সবাইকে সরিয়ে দিয়ে তিন স্যার মিলে দড়ি টেনে আমাকে তোলা শুরু করলেন। আমি প্রায়ই উঠে গিয়েছিলাম...

সাংবাদিক: ফের ‘উঠেই গিয়েছিলেন’! এর মানে কি? এবার কী হলো? 

ব্রিগেডিয়ার: আমি যখন কুয়োর পাড়ে উঠে গেছি প্রায়, তখন দেখলাম তিন বাহিনীর সর্বোচ্চ তিন বস একসঙ্গে আমার সামনে দাঁড়িয়ে। বোঝেন অবস্থা! জীবনে এমন ঘটনা কমই ঘটেছে। এবার আমিই দড়ি ছেড়ে দিয়ে স্যালুট দিলাম। ব্যস, ফের ঝপাৎ...

শেষে খবর দেওয়া হলো আপনাকে। সাংবাদিক তো আর আর্মিকে স্যালুট দেয় না। আর আর্মিও সাংবাদিককে দেয় না... তাই...

                                                (২)
সম্প্রতি ভারতীয় এক নেতা দাবি করেছেন, প্রাচীনকালেও ভারতে ইন্টারনেট ছিল। তার দাবির সূত্রে সম্প্রতি তার দেশেরই একটি পত্রিকার করা জোকস ছিল এরকম-

১ম ব্যক্তি: মহাভারতের যুগেও ভারতে ছিল মোবাইল ফোন, টিভি ও ইন্টারনেট!

২য় ব্যক্তি: হ্যাঁ, শুধু ছিল না টয়লেট!
[২০১৪ সালে ইউনিসেফ এক প্রতিবেদনে জানায়, ৬০ কোটি ভারতীয় উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগ করে। তবে ২০১৭ সালে এই হার কমে ৫০ কোটিতে পৌঁছে বলে দাবি করা হয়] 

 

                                                (৩)
পুরনো ঢাকার মডার্ন গার্ল চুমকির বিউটি পার্লার রমরমা ব্যবসা করছে। তার হাতে পড়লে যে কেউ জয়া-শ্রীদেবী-অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বনে যায়। 

আজ মহল্লার মেয়ে জুলিকে দেখতে আসবে ছেলে পক্ষ। তাকে সাজানোর দায়িত্ব চুমকি আপুর হাতেই পড়লো। কাজটা করলেনও তিনি একেবারে মনপ্রাণ ঢেলে। সাধারণ চেহারার জুলি যেন অপ্সরী হয়ে গেছে।

ছেলে পক্ষ এক দেখাতেই পাছন্দ করে সেদিনই বিয়ে পড়িয়ে নিয়ে গেল জুলিকে। সবাই খুশি, খুশি চুমকি আপুও। রাতে হালকা ফুরফুরে মন নিয়ে ঘুমে তলিয়ে গেলে তিনি।

পরদিন ভোরে কলিংবেলের একদটানা শব্দে ঘুম ভাংলো চুমকির। সামনে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে জুলির বর রবি, হাতে একটা আইফোন-১০ এর প্যাকেট। কোনো কথা না বলে আপুর হাতে বক্সটা দিয়ে চলে গেল ছেলেটা।

মনটা ভালর চেয়ে ভাল হয়ে গেলে চুমকির, ভুলে গেলেনি কিছুক্ষণ আগে কলিং বেলের মেজাজ খারাপ করা আওয়াজের স্মৃতি। নিজের কাজের এত বড় স্বীকৃতি পেয়ে খুশিতে আত্মহারা অবস্থা। তর সইলো না, খুলতে গিয়ে রীতিমতো ছিঁড়ে ফেললেন আইফোনের বক্সটা। 

কিন্তু ভেতরে একি! আইফোনের বদলে ৭২০ টাকা দামের মর্নিংস্টার ব্রান্ডের ক্যাটকেটে হলুদ রঙের অ্যানালগ ফোন রাখা আছে একটা। সঙ্গে একটি চিরকুট যাতে লেখা: দেখ শালী, এবার কেমন লাগে! 



মন্তব্য