kalerkantho


জোকস: দুই পায়ে প্লাস্‌টার কেন করতে হবে?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৯:২০



জোকস: দুই পায়ে প্লাস্‌টার কেন করতে হবে?

তোর এমন অবস্থা কে করলো দোস্ত? মাথায় ব্যাণ্ডেজ, হাতে প্লাস্টার!

কপালের দোষ, বন্ধু! চ্যাটিং করছিলাম বসের সুন্দরী পিএস মিলির সঙ্গে। হঠাৎ দেখি বউ এসে ঢুকছে রুমে...

তারপর?

ঘাবড়ে গিয়ে লাস্ট মেসেজটা মিলির বদলে বউয়ের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেই...

কী লিখছিলি তাতে? রোমান্টিক কিছু?

না। তাইলে তো বেঁচেই যেতামরে। 

বল, কী লিখেছিলি?

মেসেজটা ছিল, ‘পরে কথা হবে, ডার্লিং! পেত্মীটা ঘরে ঢুকে পড়েছে হঠাৎ...’

তাই বল! অল্পতেই বেঁচে গেছিস দেখছি!

                                                 (২)

কোনো ছেলের বিয়ে এত দেরিতে হওয়া উচিৎ নয় যে- কনের হাতের চেয়ে ছেলের চুলে লাগানো মেহেদির (মতান্তরে কলপ) পরিমাণ বেশি হয়ে যায়!  - মন্টুর বাপ

                                                (৩)
ক্রিকেট খেলতে গিয়ে পায়ে চোট পাওয়া মন্টুকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে বন্ধুরা।

দ্রুত পরীক্ষা করে ডাক্তার বললেন: বাম পায়ের গোড়ালিতে ফ্রাকচার হয়েছে। প্লাস্টার করে দিচ্ছি।

মন্টু: ডাক্তার সাব, দুই পায়ে-ই করে দিয়েন, প্লিজ!

ডাক্তার: কেন, দুই পায়ে প্লাস্‌টার কেন করতে হবে?

মন্টু: স্যার, আগামীকাল পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে। রেজাল্ট দেখে আমার বাপ পিটিয়ে ভাল পাটাও ভেঙে দেবেন নিশ্চিত। তাই...

                                                (৪)
হোয়াটসআপ-মেসেঞ্জার একটি বিষয়ে পুরুষদেরকে নারীদের মতোই অতি সক্ষম করে তুলেছে। আগে একজনের কথা আরেকজনের কানে দিয়ে কানাকানি আর কূটনামির বদনাম শুধু নারীর ছিল। এখন পুরুষ তাতে ভাগ বসিয়েছে- মন্টুর বাপ

                                                (৫)

আমার ভালোবাসার মাত্র দুজনই সাক্ষী ছিল!

কে কে?

একজন হচ্ছে যাকে ভালোবাসতাম সে, অপরজন হচ্ছে তার দাদী!

তো? ছিল বলছিস কেন?

একজন আমার চেয়ে স্মার্ট ছেলে পেয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আর অপরজন! অনেক বয়স হয়েছিল তার- তাই দুনিয়া থেকেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে...

                                                (৬)
কুখ্যাত সন্ত্রাসী হেলমেট-জামান তখন সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। একদিন রোমান্টিক-বিচ্ছেদের গান শুনে গার্লফ্রেন্ডের জন্য পাক্কা এক ঘণ্টা ধরে বাথরুমে গিয়ে কাঁদলো। বের হয়ে মনে পড়লো- আমার তো কোনো প্রেমিকাই নাই! এবার দুঃখ আর হতাশায় ঘরে গিয়ে টানা দুই ঘণ্টা কেঁদে বুক ভাসালো...

                                                (৭) 
চৈত্র মাস। বাইরে প্রচণ্ড ঝড় বইলেও ঘরে মিষ্টি রোমান্টিক পরিবেশ বিরাজ করছে। হেলমেট-জামান আদুরে গলায় স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, বিয়ের আগে প্রেম-ট্রেম কর নাই তো, জানু?

স্ত্রী: কেন একথা জানতে চাইছো, ডার্লিং?

জামান: এমনি। তোমার মতো সুন্দরী মেয়ে...

স্ত্রী আহ্লাদী কণ্ঠে: সত্য না মিথ্যা বলবো?

জামান: আমি সত্য কথা পছন্দ করি জানু। সত্য করেই বলো দেখি।

স্ত্রী: আমি যখন কলেজে পড়ি তখন...

হেলমেট জামান তড়াক করে বিছানা ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেল। মুহূর্তে তার চেহারা পুরো পাল্টে গেছে। সবসময় হাতে ধরে রাখা হেলমেটটা আছার দিয়ে ছুঁড়ে মারলো প্রচণ্ড ক্রোধে। চিৎকার করে বললো: নামটা কও খালি হালার পুতের। ওর সবগুলা হাড্ডি অহনি ভাইঙ্গা দিয়া আসি...

স্ত্রী: কয়জনের হাড্ডি ভাঙবা জানু? তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবা?

জামান জ্ঞান হারালো।



মন্তব্য