kalerkantho


জোকস : হিটলারের ভালোবাসা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:১৬



জোকস : হিটলারের ভালোবাসা!

                                                (১)

রোগী : ডাক্তার সাহেব...

ডাক্তার : জ্বি, বলুন।

রোগী : আপনি আমার মদ ছাড়াতে পারবেন?

ডাক্তার : আমি চিকিৎসক মানুষ। চেষ্টা করে দেখতে পারি।

রোগী : থানার ওসি আমার ২৫ বোতল মদ আটকে রেখেছে। একটু যদি চেষ্টা চালান, প্লিজ...

                                                (২)
বিয়ের কথাবার্তা চলছে। কনে পক্ষ গেছে ছেলের এলাকায় তার স্বভাব চরিত্র বিষয়ে খোঁজ নিতে।

কনের বাবা : জুয়েল ছেলেটা কেমন, ভাই সাহেব?

প্রতিবেশী : ছেলে তো মাশাল্লাহ, আছে আর কী...

কনের বাবা : মানে তার স্বভাব-চরিত্র জানতে চাচ্ছিলাম। মেয়েদের ব্যাপারে আচরণ...

প্রতিবেশী : ভালো। মানে মদ-গাঁজা খায় না, তবে ফেনসি... তাও খুব একটা খায় না। এই ধরেন দিনে দু-তিন বোতল...

কনের বাবা : অ্যাঁ! বলেন কী!

প্রতিবেশী : আর বলছিলেন মেয়েদের ব্যাপারে... এই দিক দিয়ে ছেলে একদম এ-ওয়ান! নারীকে সম্মান জানানোয় তার জুড়ি নাই। 

কনের বাবা : যাক, তার মানে এইদিকটা তার ভালো?

প্রতিবেশী : হ্যাঁ, ফেসবুকে-ইনস্টাগ্রাম-টুইটারে কোনো তরুণীর ছবি আর ন্যাকামি ভরা স্ট্যাটাসে লাইক-কমেন্ট দিতে ভোলে না কখনও...

                                                (৩)
নয়া বছর নিয়া এত মাতামাতির কিছু দেখি না, ভাইসব। এই বছরেও রক্তচোষা বউ, হাড়পেষা চাকরি, ছাকনিতে ছাকা বেতন, মুরগির খোঁয়াড় বাসা, জগদ্দল বোঝা ঋণ, গাইডেড মিসাইল ঝামেলা আর মিরজাফর টাইপ প্রতিবেশী- সব একই থাকবে। বদলাবে শুধু ক্যালেন্ডারটা- মন্টুর বাপের স্বগতোক্তি 

                                                (৪)
আমি তোমাদের ভালোবাসায় না গিয়ে যুদ্ধ করার পরামর্শ দেই। কারণ, যুদ্ধে তুমি হয় বাঁচবে না হয় মরবে, কিন্তু ভালোবাসায় না পারবে বাঁচতে না পারবে মরতে- এডলফ হিটলার 

                                               (৫)
শিক্ষক : বল দুনিয়ার সবচেয়ে গরিব কে?

মন্টু : স্যার নিশ্চিত কইরা কইতে পারি না, তবে...

শিক্ষক : অনিশ্চিতটাই বল দেখি!

আরো পড়ুন  জোকস : আমি তো আপনার মুখের দিকে তাকায়া ছিলাম

মন্টু : স্যার, যারা ফেসবুকে নিজের ছবি দিয়া কয়, পিকটা কেমন হলো বলুন দেখি?

শিক্ষক : এরা গরিব হয় কিভাবে?

মন্টু : কারণ, তাদের ঘরে একটা আয়নাও নাই...

                                               (৬)
মন্টুর বাপ তখন ৮০ বছরের বুড়ো। একদিন প্রতিবেশী এক জুটি এলো তার ঘরে।

তরুণ : স্যার, আমরা আসলে জানতে এসেছিলাম- এই বয়সেও আপনার ভেতরে এত রোমান্স? কীভাবে সম্ভব!

মন্টুর বাপ : মানে?

আরো পড়ুন  বড়দিনের জোকস : দিস টাইম গড ইজ মিসিং!

তরুণী : আসলে আপনি খুব রোমান্টিক। আমরা তাই জানতে চাচ্ছি ম্যাডামের প্রতি আপনার এত ভালোবাসার রহস্যটা কি? আমাদের সংগঠন 'লাভ ফরএভার' থেকে আপনাকে পুরস্কৃত করতে চাই।

মন্টুর বাপ : আমি তো কিছুই বুঝতেছি না!

তরুণ-তরুণী একসঙ্গে : আমরা পাশের ফ্ল্যাটে থাকি। আপনাদের কথাবার্তা প্রায়ই শুনি। স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে আপনি একেকবার একেক সুন্দর নামে যাকেন। ম্যাডাম আপনাকে কিন্তু 'মন্টুর বাপ'ই ডাকে। কিন্তু জবাবে আপনি বলেন লাইলি, হানি, সুইটি, লাভ, জানু, জুলিয়েট, প্রিয়া...

মন্টুর বাপ : আরে ২০ বছর আগে আমি ওর নাম ভুলে গেছি... ভয়ে এখনও তাকে জানানোর সাহস পাই নাই। যে দজ্জাল মহিলা রে, বাপু...
 

আরো পড়ুন  জোকস : আমার কলা কী দোষ করল?



মন্তব্য