kalerkantho


বড়দিনের জোকস: দিস টাইম গড ইজ মিসিং!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২০:৩৭



বড়দিনের জোকস: দিস টাইম গড ইজ মিসিং!

                                                (১)

হেলমেট-জামান বেপরোয়া প্রকৃতির সন্ত্রাসী।  অভিজাত এলাকায় গভীর রাতে এক বার থেকে বের হতেই তার প্রস্রাবের বেগ পেল। তো সাত-পাঁচ বিবেচনা না করে পাশেই রাস্তার ধারে মাতাল হেলমেট-জামান শুরু করে দিল কাজ। পাশ দিয়ে এক বিদেশি যাচ্ছিল। জামানের কাণ্ড থেকে তার আক্কেল গুড়ুম! 

বিদেশি: এমন কাজে পুলিশ ধরে না তোমাদের দেশে?

হেলমেট-জামান: আমাদের পুলিশ নিয়ে আর বলো না, দোস্ত। তারা নিজেদেরটা ধরারই সময় পায় না আবার জনগণেরটা ধরবে?

এমন জবাবে বিদেশি জ্ঞান হারালো।

                                                (২)
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মন্টুর বাপ। এসময় মন্ত্রী এলেন হাসপাতালে। মন্টুর বাপের বেডের সামনের টেবিলে একটি আপেল রাখা। মন্ত্রী খুব হাসিখুশি ছিলেন। তিনি মন্টুর বাপের বিছানার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন: চমৎকার। ছোটবেলায় পড়া সেই লাইনটির কথা মনে পড়ে গেল: অ্যান অ্যাপেল অ্যা ডে কিপস দ্য ডক্টর অ্যাওয়ে...

মন্টুর বাপ ঠোঁটফাঁটা হাসি দিয়ে বললো: আপনি ঠিক বলেছেন স্যার। তবে এই আপেলটা ডাক্তারকে একদিন নয়- তিন দিন ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছে।

মন্ত্রী: মানে? 

মন্টুর বাপ: গত তিন দিন ধরে কোনো ডাক্তার আমার এখানে আসেনি, স্যার। আর আপেলটাও গত তিন দিন ধরে এখানে পড়ে আছে! আপনার কথায় বুঝতে পারলাম বিষয়টা...

                                               (৩)
অফিসিয়াল এসএমএস বা ই-মেইলে হরদম ব্যবহৃত ইংরেজি বাক্য বা শব্দের আসল অর্থ (মন্টুর বাপের মতে)-

আই হ্যাভ অ্যা কোশ্চেন, স্যার: (বাস্তবে হবে- প্রিয় মহাশয়, এ ব্যাপারে আমার গোটা দশেক সন্দেহ রয়েছে।

আই উইল লুক ইন টু ইট   : (বাস্তবে হবে- এই বিষয়ে আপনার আর কোনো আশা নেই। কারণ, এতে নজর দেওয়ার সময় নেই আমার)

আই ট্রাইড মাই বেস্ট      : (বাস্তবে হবে- এ নিয়ে আমি মোটেও মাথা ঘামাইনি)

হ্যাপি টু ডিসকাস ফারদার   : (এই বিষয়ে আমাকে আর প্রশ্ন করবেন না। করলে খবর আছে)

নো ওরিস              : (সর্বনেশে কাণ্ড করে ফেলেছো গর্দভ কোথাকার! এবার টেরটি পাবে বাছাধন!)

টেইক কেয়ার            : (ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি কর বা চাচা আপন পরাণ বাঁচা! মনে রেখ, তোমার কোনো ঝামেলায় আমি কিন্তুক নেই) 

চিয়ার্স                 : (যা ইচ্ছা কর গিয়ে! মন চাইলে গর্তে মর গিয়ে!)

সি ইউ                : (এই পোড়া মুখ আর দেখাইস না) 

                                                 (৪)
ইংল্যান্ডের এক শান্ত-সুনিবিড় ছোট্ট ছিমছাম গ্রামের দুই ভাই রনি আর জনি। বয়স আট আর ১০। মহা দুষ্ট। সারাক্ষণ দুরন্তপনায় কাটে। পুরো গ্রামের সবাই তটস্থ দুই ভাইয়ের কীর্তিকলাপে। বাপ গিলবার্ট নানা কায়দায় ছেলেদের বাগে আনতে না পেরে বড়দিনের আগে গেলেন গ্রামের একমাত্র গির্জায়, পাদ্রির কাছে। তিনি যদি একটু ঝাড়ফুঁক করে তাদের পথে আনতে পারেন! বিষয়টি বুঝিয়ে বলতেই ফাদার তাকে বললেন ছেলে দুটোকে তার কাছে নিয়ে আসতে।

গিলবার্ট: কিন্তু ওদের দুটোকে একসঙ্গে পাওয়া অসম্ভব, ফাদার।

ফাদার: তাহলে একজনকে আনলেও হবে।

পরদিন ছোট ভাই রনিকে পাকড়াও করে ফাদারের কাছে নিয়ে আসলেন গিলবার্ট। অতটুকুন পুঁচকে ছেলে এতসব দুরন্তপনা করে- বিষয়টি ভাবতেই পারছিলেন না ফাদার। তিনি রনির দুই হাত নিজের মুঠোয় নিয়ে তার মুখোমুখি হাঁটু গেড়ে বসলেন। এবার নিজের সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্বের ভার নিয়ে শিশুটির চোখের গভীরে তাকিয়ে বললেন: লুক মাই সান!

রনি ফাদারের চোখে বিস্ফারিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো।

ফাদার: ডিয়ার সান, এবার বল দেখি- ঈশ্বর কোথায় আছেন?

রনি কয়েক সেকেন্ড ফাদারের চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে হঠাৎ এক ঝটকা মেরে দুই হাত মুক্ত করেই ভোঁ দৌড় লাগালো। এক দমে সে গ্রামের জঙ্গলে ছোট্ট লেকের পাশের ঝোপে বিশ্রামরত বড় ভাইয়ের কাছে হাজির।

জনি: কী হয়েছে? অমন হাঁপাচ্ছিস কেন?

রনি: ব্রাদার! ব্রাদার!

জনি: কী হয়েছে বলবি তো আগে!

রনি: এইবার সাংঘাতিক ঘটনা ঘটে গেছে। দিস টাইম গড ইজ মিসিং!

জনি: মানে?

রনি: এবার স্বয়ং খোদাকে পাওয়া যাচ্ছে না! আর গ্রামের সবাই মনে করছে এটা আমাদেরই কাজ। গির্জার ফাদারও তাই বিশ্বাস করছেন...

 


মন্তব্য