kalerkantho


জোকস : আমার কলা কী দোষ করল?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১২:১৯



জোকস : আমার কলা কী দোষ করল?

খুবই নামজাদা এক আইনজীবী। যোগ্য পাত্র হয়েও বিয়ে করেননি। তবে তার একটি বিশ্বস্ত তোতা আছে যে মানুষের মতো কথা বলতে পারে আবার মানুষের মতো বুদ্ধিশুদ্ধিও আছে। আদালত থেকে বাড়ি- সবখানেই তোতাটি তার বিশ্বস্ত সঙ্গী। এদিকে, শেষতক আইনজীবী বিয়ে করলেন দেশসেরা এক সুন্দরীকে। সমস্যা একটাই- সুন্দরীর এটা ১১তম বিয়ে। তবে রূপ ছাড়াও তার গুণের সংখ্যা এতই বেশি যে আইনজীবীকে কেউ দোষ দিতে পারবে না কারও ১১তম স্বামী হওয়ার জন্য। 

বাসর ঘরে আইনজীবীকে স্ত্রী বললেন : তুমি আমার ১১তম স্বামী হলেও একটা ব্যাপার জেনে খুশি হবে...

আইনজীবী : তাড়াতাড়ি বল সেই খুশির কথা! 

স্ত্রী : আমি এখনও কুমারী! 

আইনজীবী : এইটা একটা কথা বললা? সম্পূর্ণ বেআইনি টাইপ দাবি এটা। কোনো আদালতে টিকবে না! 

স্ত্রী : কিন্তু এটাই সত্য।

আইনজীবী : এর আগে তুমি ১০ জন স্বামীর ঘর করেছ। তারপরও এমন অযৌক্তিক দাবি করছ?

স্ত্রী : ঠিক আছে, তাহলে শোন!

আমার প্রথম স্বামী ছিলেন একজন বিক্রয় প্রতিনিধি। তিনি রাতের পর রাত আমাকে লোভনীয় কথায় শুধু বলেই গেলেন কতটা ফ্যানটাস্টিক হতে যাচ্ছে আমাদের বাসর... এভাবে একমাস কেটে গেল। আমি তাকে ডিভোর্স দিলাম। 

দ্বিতীয় বিয়ে করলাম একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। তিনি সবকিছুই জানতেন এবং বুঝতেন কিন্তু নিশ্চিত ছিলেন না যে দায়িত্বটা আসলেই তার নাকি অন্য কেউ করে দেবে। তাকেও ডিভোর্স করলাম। এরপর বিয়ে করলাম একজন মার্কেটিং ম্যানেজারকে। তিনি জানতেন তার চমৎকার একটি জিনিস আছে কিন্তু জানতেন না তাকে তুলে ধরার কৌশল। 

এরপর বিয়ে করলাম এক সাইকোলজিস্টকে। তিনিও প্রথম স্বামী মানে বিক্রয় প্রতিনিধির মতো শুধু লেকচার দিতে থাকলেন। এরপর একজন অনলাইন শপিং ম্যানেজারকে মালা পরালাম। তিনি জানতেন যে তিনি অর্ডার পেয়েছেন এবং তার পণ্যও মজুদ আছে ঠিকঠাক। কিন্তু নিশ্চিত হতে পারছিলেন না ডেলিভারি কখন দেবেন! 

এরপর বিয়ে করলাম এক সফটঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে। তিনি সারাক্ষণ দুশ্চিন্তায় ভুগতেন ভাইরাস অ্যাটাক নিয়ে। তিনি মেশিন চালুর আগে এত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতেন যে... বাদ দিলাম তাকেও। বিয়ে করলাম এক পুলিশকে। তিনি অসাধারণ এক ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু পুলিশ এত ভালো মানুষ হলে যা হয় আরকি... পুলিশ হয়েও তার মধ্যকার নিষ্কলুষ ভাব দেখে মনে হতো তিনি আমার স্বামী নন- পিতা! অতি বিনয়ী এই লোকটিকেও বাদ দিলাম। এক রাজনীতিককেও বিয়ে করেছিলাম। তিনি হরদম বিপক্ষের দোষ ধরে ধরে পেরেশান, নিজের যে জরুরি কোনো কাজ আছে তা জানেন না- অন্যকিছু তার মাথায়ই ঢোকে না। শেষে বিয়ে করলাম এক সাংবাদিককে। তিনি আমার সবই জানেন- তাকে সব বলেছি, কিন্তু বিশ্বাস করেন না। আর উভয় পক্ষের সবকিছু ব্যালেন্স করতে গিয়ে দিনরাত পার হয়ে যায়। ছাড়লাম তাকেও। শেষতক আমি একজন আইনজীবীকে বিয়ে করেছি- আমি নিশ্চিত এরপর আর কাউকে বিয়ে করতে হবে না আমার। 

আইনজীবী : শুনে খুশি হলাম। তুমি নিশ্চিতই থাকতে পার এবার।

স্ত্রী : কেন কেন?

কারণ, এবার তোমার সম্ভ্রম যাবেই- এটা নিশ্চিত- পাশ থেকে বলে উঠল আইনজীবীর বিশ্বস্ত তোতাটি। 

                                                (২)
চায়ের দোকানে বিক্রির জন্যে কলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পাশের বিদ্যুৎ অফিসের এক প্রকৌশলী চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলেন, কলার দাম কত?

দোকানদার : কী কাজে কলা ব্যবহার করবেন তার ওপর নির্ভর করছে কলার দাম। যদি কোনো মিলাদ বা ধর্মীয় কাজে নেন, তাহলে ২ টাকা পিস, রোগীর জন্যে হলে ৩ টাকা পিস আর যদি নিজে খাওয়ার জন্যে নেন, তবে ৫ টাকা প্রতিটি।

প্রকৌশলী : ইয়ার্কির জায়গা পাও না! একই কলার দাম বিভিন্ন কাজের জন্য আলাদা আলাদা হয় নাকি? 

দোকানদার : আলবৎ হয়! একই খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ বাসায় গেলে যহন একদর, দোকানে গেলে আরেক দর, কারখানায় গেলে আরো বেশি দর হয়; তয় আমার কলা কী দোষ করল?



মন্তব্য