kalerkantho

‘হোয়াইট ইন্টারনেট' লড়াই শুরু ব্রিটেনের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ এপ্রিল, ২০১৯ ১৬:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘হোয়াইট ইন্টারনেট' লড়াই শুরু ব্রিটেনের

ইন্টারনেট নিরাপত্তায় ব্রিটেনের সরকার কঠোর আইন প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে এটি হবে শক্তিশালী পদক্ষেপ যা বিশ্বের প্রথম।

ইন্টারনেট নিরাপত্তার আইনটি হোয়াইট পেপারে প্রকাশিত হযেছে। এই আইনের ফলে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে দেশটি। অনলাইন হার্মস হোয়াইট পেপার হোম অফিস এবং ডিজিটাল, সংস্কৃতি, মিডিয়া এবং খেলাধুলা বিভাগের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেইসবুক ও টুইটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে তবে সার্চ ইঞ্জিন, মেসেজিং সেবা ও ফাইল হোস্টিং সাইটগুলোও এই আইনের আওতায় থাকবে। 

এই আইনের ফলে ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ব্যবহারকারীদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে করে অবৈধ এবং ক্ষতিকার কাজ করলে তা তদের মোকাবেলা করতে হবে। যদি তারা এই কাজটি করতে ব্যর্থ হয় তাহলে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। তাদের সাইট বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের দায়বদ্ধ করা হতে পারে।  

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মানুষের সাথে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট হল গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর বিষয়গুলো থেকে রক্ষা করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে কাজ করেনি। বিশেষ করে শিশু এবং তরুণদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো কাজ করেনি তারা।’ 

সহিংসতা, সহিংসতায় উদ্দীপনা যোগায় বিষয়গুলো, আত্মহত্যায় উত্সাহ দেয় এমন বিষয়গুলো, তথ্যে অসঙ্গতি ( ফেইক নিউজ) এবং শিশুদের জন্যে অনুপযুক্ত বিষয়গুলো রোধে প্রস্তাবিত নতুন আইনটি প্রয়োগ করা হবে। 

তাদের লক্ষ্য হবে যে বিষয়গুলো বিশেষ করে সন্ত্রাসী কর্যক্রম এবং শিশুর যৌন নির্যাতনের বিষয়গুলো বিস্তার করতে সহায়তা করে তা নিয়ন্ত্রণ করা। 

মন্তব্য