kalerkantho


ই-মেইল-হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবাধে চলছে দেহ ব্যবসা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:২৯



ই-মেইল-হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অবাধে চলছে দেহ ব্যবসা!

সেক্স র‍্যাকেটের পর্দা ফাঁস করল ভারতের পাটনা পুলিশ।  অগমকুয়া পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত গান্ধীনগর এলাকায় এই বেআইনি দেহ ব্যবসা চলছিল।

 পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে দলের মূল পাণ্ডা অঞ্জনী কুমারসহ তিন কলগার্লকে আপত্তিজনক অবস্থায় উদ্ধার করে।  অঞ্জনী কুমার বিহারের ভোজপপুরের বাসিন্দা।

এ ব্যাপারে পাটনার পুলিশ কর্মকর্তা মনু মহারাজ জানিয়েছেন, এই দলে ১৩ থেকে ২০ বছরের কিশোরীরাও রয়েছে। যাদের বিহার, উত্তর প্রদেশ, নেপাল পাঠানো হতো।  আটক মেয়েদের মধ্যে একজনের বয়স ১৩ বছর।  মেয়েদের গ্রাহক প্রতি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা দেওয়া হতো এবং দলের পাণ্ডা গ্রাহকের থেকে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার টাকা নিত।  এ ছাড়াও মেয়েদের শহরের বাইরে পাঠানো হলে ৭০০ থেকে ১৫০০ টাকা দেওয়া হতো এবং গ্রাহকের থেকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়া হতো।

জানা গেছে, গত শুক্রবার এই দলের সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ ৷পাটনা পুলিশ এসপি জয়ন্ত কান্তের নেতৃত্বে একটি টিম তৈরি করে।  এই টিমে পাটনার ডিএসপি, অগমকুয়া থানার এসএইচও ও অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা ছিলেন।

 যে বাড়িতে এই ব্যবসা চলত সেখানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশ জয়পুরের বাসিন্দা রাজু কুমার, নালন্দার বাসিন্দা মুন্না কুমার ও অঞ্চনী কুমারকে গ্রেপ্তার করে।

এ ছাড়াও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলভার, ১০টি বুলেট, কনডমের প্যাকেট, পর্ন ফিল্মের সিডি, ওষুধ, অশ্লীল বই ও মদ উদ্ধার করে।  ইতিমধ্যে এ ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।  এই দলের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িয়ে আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পাটনা পুলিশ।

পাটনা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অঞ্জনী জানিয়েছে সোশাল নেটওয়ার্কিংয়ের মাধমে তারা গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করত।  ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মেয়েদের ছবি পাঠাত।  গ্রাহকের থেকে তার ঠিকানা নিয়ে মেয়েদের সেখানে পাঠিয়ে দিত।  এই মামলায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আগমকুয়া থানায় এই মামলার এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
সূত্র : কলকতা টোয়েন্টিফোর


মন্তব্য