kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দেশের উন্নয়ন প্রয়াসে বিশ্বব্যাংকের জোরালো ভূমিকার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১৮



দেশের উন্নয়ন প্রয়াসে বিশ্বব্যাংকের জোরালো ভূমিকার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশের উন্নয়ন প্রয়াসে আমাদের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক আরো জোরালো ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, আমাদের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিদ্যমান অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

বিশ্বব্যাংক আমাদের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। আমাদের এই প্রয়াসে বিশ্বব্যাংক আরও জোরালো ভূমিকা রাখবে- এ প্রত্যাশা করছি। ’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা, ‘রূপকল্প ২০২১’ এবং ‘রূপকল্প ২০৪১’ জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্য-অশিক্ষা এবং বঞ্চনামুক্ত ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রণীত বলেও উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা, ‘রূপকল্প ২০২১’ এবং ‘রূপকল্প ২০৪১’ জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্য-অশিক্ষা এবং বঞ্চনামুক্ত ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত।
বাংলাদেশকে অমিত সম্ভাবনার দেশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষ অত্যন্ত সাহসী, দৃঢ়চেতা এবং পরিশ্রমী। নিজেদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমরা দৃঢ়-প্রত্যয়ী।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে মানব-উন্নয়ন সূচকে মধ্যম ক্যাটাগরির দেশ এবং মাথাপিছু আয় বিবেচনায় নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা সহসাই স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে বেরিয়ে আসব এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সফররত বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানা ডিক্সন বক্তৃতা করেন। বিশ্ব ব্যাংকের চিফ ইকোনমিস্ট পল রোমার অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মেজবাহ উদ্দীন অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বৃন্দ, মার্কিন রাষ্ট্রদূত, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, এগিয়ে যাওয়ার পথে আমাদের সামনে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করছেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের জনমিতিক সুবিধা’র (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) সদ্ব্যবহার করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, বেশ কিছু হাইটেক পার্ক, সফ্টওয়্যার টেকনোলজি পার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বেসরকারি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) বাস্তবায়ন ও অর্জনে বাংলাদেশ অন্যতম সফল দেশ হিসেবে বিবেচিত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমডিজি বাস্তবায়নের দৃঢ় ভিত্তিকে বিবেচনায় নিয়ে আমরা এসডিজি’স বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য এসব লক্ষ্যসমূহ জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নির্ধারিত সময় ২০৩০ সালের পূর্বেই এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একটি উচ্চ-পর্যায়ের তদারকি টিম এসডিজি বাস্তবায়ন কার্যক্রম সমন্বয় ও পরিবীক্ষণ করছে।
একটি মধ্যম আয়ের দেশের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে প্রবৃদ্ধি সঞ্চারী কাঠামোগত রূপান্তরের একাধিক বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপুষ্টিজনিত সমস্যামুক্ত জনগোষ্ঠী জাতীয় উন্নয়নের প্রধান সম্পদ। ১৯৯০ সাল থেকে বাংলাদেশে অপুষ্টিতে ভোগা জনগোষ্ঠীর হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেলেও, আর্থ-সামাজিক অন্যান্য ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়নি। কম ওজন, খর্বাকৃতি ও অন্যান্য অপুষ্টিজনিত সমস্যাগ্রস্ত শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য মাতৃ ও শিশু পুষ্টি উন্নয়নের লক্ষ্যে এ খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতীয় পুষ্টি নীতি ২০১৫ প্রণয়ন করেছি। ভবিষ্যতে আমরা পুষ্টি সেবা কার্যক্রম আরও প্রসারিত করতে চাই।
তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ফোরামে আমি বহুবার উল্লেখ করেছি যে, বিশ্ব আজ সন্ত্রাস এবং সহিংস জঙ্গিবাদ নামক দু’টি অন্যতম চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। যে কোন ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে আমার সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। দেশের জঙ্গিবাদ দমনে আমরা সক্ষম হয়েছি। জঙ্গিবাদের অভিশাপ থেকে সমাজকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে জঙ্গিবাদ দমন কার্যক্রমকেও আরও শাণিত করা হবে।
‘দৃঢ় নেতৃত্ব এবং এ দেশের সাহসী ও সংগ্রামী মানুষের প্রতিকূল অবস্থা থেকে উত্তরণের সক্ষমতা বাংলাদেশকে নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সাহায্য করেছে এবং বাংলাদেশ এখন অন্যান্য দেশের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত’,- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট বহুবিধ দুর্যোগ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য সফলতা অর্জন করেছে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সময় দারিদ্র্যের হার ছিল ৭০ শতাংশের উপরে, যা হ্রাস পেয়ে ১৯৯১ সালে দাঁড়ায় ৫৬ দশমিক ৭ শতাংশে। আমরা বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ২২ দশমিক ৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। ২০২১ সাল নাগাদ এটি আমরা ৭ শতাংশ বা ৮ শতাংশে নামিয়ে আনতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসমতা দূর করতে সামাজিক নিরাপত্তা, যথোপযুক্ত কর্মসংস্থান এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। এজন্য সরকার মোট বাজেটের ১৩ শতাংশ এবং জিডিপি’র ২ দশমিক ৩ শতাংশ ব্যয় করছে।
শেখ হাসিনা বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি ব্যয়ের সুফল নিশ্চিত করতে আমরা জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করেছি। আমাদের লক্ষ্য হ’ল বিশ্ব সম্প্রদায় কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই দেশ থেকে দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা নির্মূল করা।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সংস্থার অবদানের কথা গভীরভাবে স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে জাতীয় আয়ের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ০৫ শতাংশে, মূলত ৭ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ২০১৬-২০২০ মেয়াদী ৭ম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছি। আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১ হাজার ৪৬৬ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও, আমাদের রপ্তানি ও প্রবাসী আয় এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ গত সাড়ে ৭ বছরে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। বিনিয়োগ হার জিডিপি’র ২৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৯ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ছিল ২৮৫ বিলিয়ন টাকা, যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন টাকা।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বলানী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০১৪ সালে ১৪২তম স্থানে উন্নীত হয়েছে।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যে প্রযুক্তি-নির্ভর আধুনিক রাষ্ট্রের কাতারে সামিল হয়েছে।
কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাস রিপোর্ট’ অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ১৪৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৪তম। অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত ৪টি সূচকেই বাংলাদেশের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব আমাদের দেশের উন্নয়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হলেও, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। এরফলে, বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা আশা করি, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন পরিবেশ সংক্রান্ত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে। জলবায়ু পরিবর্তনকে বিবেচনায় নিয়ে আমরা জলবায়ু-সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি লাঘবে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন তহবিল, বিশেষ করে ‘গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড’ সৃষ্টি অনেক প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু, পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে এ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহ আশানুরূপ অর্থায়ন পায়নি। এ অর্থায়ন প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে এ সুন্দর পৃথিবীকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত করার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করারও উদাত্ত আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হাবিব ওয়াহিদ নিজস্ব সুর ও কথায় ‘এন্ড পোভার্টি’ শীর্ষক একটি ভিডিও সংগীত পরিবেশন করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নামে একটি তথ্য চিত্রও প্রদর্শিত হয়।


মন্তব্য