kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইয়াহু ব্যবহারকারীদের নজরদারির পেছনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১২:৩৮



ইয়াহু ব্যবহারকারীদের নজরদারির পেছনে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা

এখনো ইয়াহুর বিপুল সংখ্যক মেইল ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির ঘটনাটির রেশ কাটেনি। প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই ইয়াহু নিশ্চিত করে এ দুঃসংবাদটি যে, তাদের তথ্যভাণ্ডার থেকে ২০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়েছে।

এবার জানা গেল নতুন তথ্য। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে তারা ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারিতে সহায়তা করে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে সিনেট।
এবার ইয়াহুর সিইও মারিসা মেয়ার জানান, মার্কিন সরকারের হয়ে লাখো ব্যবহারকারীর ই-মেইল অ্যাকাউন্টে গোপনে নজরদারি চালিয়েছে ইয়াহু। গতকাল বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। শুধু তাই নয়, নজরদারি চালানোর জন্য গত বছর একটি বিশেষ সফটওয়্যারও তৈরি করেছিল ইয়াহু।
এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশের পর এক বিবৃতিতে ইয়াহু বলেছে, ইয়াহু আইন মেনে চলা প্রতিষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত সব আইন মেনে চলে।   মার্কিন আইন অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলা প্রতিরোধ বা এ ধরনের কারণ থাকলে, সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গ্রাহকদের তথ্য চাওয়ার অধিকার রয়েছে।
অভিযোগটি এমন তোলা হলো, যখন ৪৮০ কোটি ডলারের বিনিময়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ভেরাইজন কমিউনিকেশনের কাছে ইয়াহুর হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চরছে। এ ব্যাপারে টেলিসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ই-মেইল নজরদারির বিষয়ে ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) অথবা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) অনুরোধ করেছিল। এ ক্ষেত্রে তিনটি সূত্র থেকে তথ্য পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে রয়টার্স। এর মধ্যে দুজন ইয়াহুর সাবেক কর্মী।
ইয়াহুর  ওই বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে আসা সব ই-মেইলে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের ব্যাপারে অনুসন্ধান চালানো হয়েছিল। তবে, কী ধরনের তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আরও কোনো ইন্টারনেট কোম্পানির কাছে এ ধরনের নজরদারির অনুরোধ করা হয়েছিল কি না, এ ব্যাপারেও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


মন্তব্য