kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রযুক্তিগত বিষয়ে হিলারি ও ট্রাম্পের অবস্থান কোথায়?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:৫৮



প্রযুক্তিগত বিষয়ে হিলারি ও ট্রাম্পের অবস্থান কোথায়?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান ভোটারদের মন যোগাতে তুমুল প্রতিযোগিতায় লিপ্ত রয়েছেন হিলারি ক্লিনটন ও ট্রাম্প। এ দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর প্রযুক্তিগত বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান রয়েছে।

নির্বাচনে যেই জয়লাভ করুক না কেন, প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে মার্কিন নীতি নির্ধারণ করতে তিনি নিজস্ব মতের প্রতিফলন ঘটাবেন। আর এ লেখায় তুলে ধরা হলো প্রযুক্তিগত কয়েকটি বিষয়ে উভয়ের নিজস্ব অবস্থান। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে সিনেট।
সাইবার নিরাপত্তা
হিলারি

তিলারিক ক্লিনটন গত ফেব্রুয়ারি মাসে সাইবারসিকিউরিটিকে ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি বলে মনে করেন বলে জানান। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে তিনি রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়াকে চিহ্নিত করেন। রাশিয়ান ও চীনা হ্যাকারদের ওপর নজর রাখার প্রয়োজনীয়তাও জানান তিনি।
ট্রাম্প
ট্রাম্প তার নিজস্ব নির্বাচনী প্রচারণার ওয়েবসাইটে জানান তার সাইবারসিকিউরিটি পলিসির কথা। এক্ষেত্রে তিনি অনলাইনের শক্তিকে ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি রাশিয়ান হ্যাকারদের মাধ্যমে হিলারির ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়টিও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেছেন।
প্রাইভেসি ও এনক্রিপশন
হিলারি
হিলারি ক্লিনটন অনলাইনে প্রাইভেসি ও এনক্রিপশন বৃদ্ধির পক্ষে। মার্কিনিদের প্রয়োজনীয় অনলাইন নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে তিনি সচেতন হলেও সন্ত্রাসী দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প
প্রাইভেসি সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্প এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। তবে নিরাপত্তার প্রশ্নে তিনিও প্রাইভেসির তুলনায় সন্ত্রাস দমনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আইসিএএনএন
হিলারি
হিলারি ক্লিনটন মনে করেন ইন্টারনেটের সাইটগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা আইসিএএনএন-এর বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয় করা উচিত।
ট্রাম্প
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি শেষ করা উচিত। আর এটি স্বাধীন ইন্টারনেট গঠনে সহায়ক হবে।
এইচ-১বি ভিসা
হিলারি

সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ২০০৭ সালে এক বৈঠকে হিলারি ক্লিনটন বলেন, তিনি প্রযুক্তি পেশাজীবীদের জন্য এইচ-১বি ভিসা দেওয়ার পক্ষে। তার ওয়েবসাইটেও এ বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।
ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন নাগরিকদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর পক্ষে। আর এ কারণে তিনি প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে বিদেশিদের ভিসা দেওয়ার বদলে মার্কিন নাগরিকদের বেশি করে নিয়োগ করতে চান।
উদ্ভাবন
হিলারি

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নতির ক্ষেত্রে একে চাবিকাঠি বলে মনে করেন। এ কারণে সিলিকন ভ্যালির উদ্ভাবনগুলোকে আরও উৎসাহ দিতে চান তিনি।
ট্রাম্প
এ বিষয়ে ট্রাম্প খুব একটা গুরুত্ব দেননি। সিলিকন ভ্যালির উদ্যোক্তারা ট্রাম্পের মতামতকে বিপর্যয় হিসেবেই মনে করছেন।
ট্যাক্স
হিলারি

হিলারি ক্লিনটন ট্যাক্স যেন বিপর্যয় হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য এ বিষয়টি সহজ করার পক্ষে।
ট্রাম্প
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করবেন বলে জানিয়েছেন।


মন্তব্য