kalerkantho


কিভাবে মিলবে ফেসবুক হয়রানি থেকে প্রতিকার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:৪৪



কিভাবে মিলবে ফেসবুক হয়রানি থেকে প্রতিকার

ফেসবুকে আপত্তিকর স্টেটাস, বিদ্বেষমূলক কথা বা হেট স্পিচ দিয়ে, ছবি বিকৃত করে, ভুয়া পেইজ ও আইডি খুলে আজকাল হরহামেশা অনেককে হয়রানি করা হচ্ছে। অনেকে এসবের কারণে নিপীড়নের শিকারও হচ্ছেন। নিগৃহীত হচ্ছেন সামাজিকভাবে। অনেকের জীবন হুমকির মধ্যে পড়েছে। কারও সম্পর্ক ভাঙছে, ভাঙছে সংসারও। কেবল প্রতিকার পাওয়ার উপায় জানা না থাকায় দিনদিন এসব বেড়েই চলেছে। ফেসবুক তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের কিছু ঘটলে, তা থেকে প্রতিকারের উপায় রয়েছে। ভুক্তভোগী চাইলে যিনি হয়রানি করছেন তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় অভিযোগ করতে পারেন, আইসিটি অ্যাক্টে তার বা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।

আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারা তাকে সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে অভিযোগ করতে পারেন, সমাধান মিলবে। যদি একান্তই এসব কিছু করা না যায় তাহলে (ফেসবুকের মাধ্যমে কোনো কিছু ঘটলে) ফেসবুকে সরাসরি রিপোর্ট করারও ব্যবস্থা রয়েছে।

উপযুক্ত তথ্যাদি দিতে পারলে ফেসবুক আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব থেকে রক্ষা পেলে চাইলে সচেতন থাকার কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তি নিজে যদি এসব থেকে সরে না আসেন তাহলে কখনও এসব বন্ধ করা যাবে না। কঠোর আইন করেও বিপথগামীদের ফেরানো যাবে না। তারা অন্যের অনিষ্ট করবেই।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সচিব সরওয়ার আলম বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে অভিযোগ এলে ভালো। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাওয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তিনি জানান, তবে কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানান তাহলে কমিশন তাদের সহযোগিতা করে থাকে, সমাধান পাওয়ার পথ দেখিয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ একটি হেল্পডেস্ক খুলেছিল। প্রায় দুই বছর মেয়াদি ওই হেল্পডেস্কে প্রায় ১৫ হাজার অভিযোগ আসে যার মধ্যে ৭৫ শতাংশই ছিল ফেসবুককেন্দ্রিক। প্রকল্প শেষ হওয়ায় হেল্পডেস্কটি বন্ধ রয়েছে। নতুনরূপে হেল্পডেস্কটি চালু হতে পারে বলে জানা গেছে। ওই হেল্পডেস্কে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ জানালে হেল্পডেস্ক থেকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করা হতো।

 


মন্তব্য