kalerkantho

সোমবার। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ । ১০ মাঘ ১৪২৩। ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৮।


টেক প্রশ্নোত্তর : অনলাইনে কেনাকাটা কিংবা শিশুর নেট ব্যবহারে সতর্ক থাকার উপায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ মার্চ, ২০১৬ ১৭:২৩



টেক প্রশ্নোত্তর : অনলাইনে কেনাকাটা কিংবা শিশুর নেট ব্যবহারে সতর্ক থাকার উপায়

প্রশ্ন : অনলাইনে নিজের বাতিল ও পুরনো ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যগুলো কি আমি বিক্রি করে দিতে পারি? কিভাবে তা করব?
উত্তর : আপনি প্রথমেই অনলাইনে কেনাবেচার ওয়েবসাইটগুলোতে ব্রাউজ করুন এবং আপনার পণ্যের কেমন দাম হতে পারে তা জেনে নিন। এরপর সে ধরনের একটি সাইটে আপনার পণ্যটি ছবিসহ তুলে দিন। যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে আপনার মোবাইল নাম্বার কিংবা ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে পারেন। এতে সঠিক দাম নির্বাচন করুন এবং ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করুন।
প্রশ্ন : বাচ্চাদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত। তাদের কিভাবে এ থেকে নিরাপদ রাখা যায়?
উত্তর : অনলাইনে শিশু-কিশোর কিংবা তরুণদের বিপজ্জনক আচরণ তাদের বিপদে ফেলতে পারে। এক্ষেত্রে অনেকেই স্মার্টফোনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাড়তি সময় ব্যয় করে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় তার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখা এবং অনলাইনের বিপদ সম্পর্কে বুঝিয়ে বলা। এতে আশা করা যায় সে অনলাইনের বিপজ্জনক বিষয়গুলো বুঝতে পারবে এবং তা থেকে সতর্ক থাকবে।
প্রশ্ন : অনলাইনে কেনাকাটায় জালিয়াতি থেকে বাঁচার উপায় কী?
উত্তর : অনলাইনে কেনাকাটায় প্রচুর বিপদ রয়েছে। তাই যেকোনো জিনিস কেনার সময় তা যেন ভালো ও প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে আসে তা লক্ষ্য রাখতে হবে। এ ছাড়া অর্থ ট্রান্সফারের সময় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট বাদ দিয়ে অন্য কোনো উপায় অবলম্বন করা উচিত। নগদ টাকা নিয়ে সন্দেহজনক কোনো স্থানে সরাসরি যাওয়া উচিত নয়। তার বদলে পরিচিত কোনো জনবহুল স্থানে লেনদেন করুন।
প্রশ্ন : আমি কি অনলাইন জোচ্চোরদের কোনোভাবে শায়েস্তা করতে পারি?
উত্তর : অবশ্যই পারেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে আপনি যেন নিজেই ফাঁদে পড়ে না যান। এক্ষেত্রে আপনি নিজের পরিচয় গোপন করে এবং অপ্রচলিত ইমেইল ব্যবহার করে তাদের ধোঁকা দিতে পারেন। অনেকেই স্ক্যামারদের অপ্রয়োজনীয় ছবি, মেসেজ ও অন্যান্য কনটেন্ট পাঠিয়ে হেনস্তা করেন। এতে তাদের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড কিছুটা হলেও কমার সম্ভাবনা থাকে।
সূত্র : ফক্স নিউজ।


মন্তব্য