মার্ক জাকারবার্গ যে প্রশ্ন বারবার-335431 | তথ্যপ্রযুক্তি | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


মার্ক জাকারবার্গ যে প্রশ্ন বারবার করতেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ১৩:১৫



মার্ক জাকারবার্গ যে প্রশ্ন বারবার করতেন

বিশ্বখ্যাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ অল্প বয়সেই বিশ্বের সফলতম ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আর এর কারণ অনুসন্ধানে তার চরিত্র বিশ্লেষণের চেষ্টা করছেন গবেষকরা। সম্প্রতি জাকারবার্গের নিয়োগকৃত ফেসবুকের প্রথমদিকের কর্মীদের বয়ানে উঠে এসেছে তার সাফল্যের সূত্র। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

নোয়াহ কাগান নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকের প্রথম দিকের কর্মী ছিলেন। তিনি ২৪ বছর বয়সে প্রতিষ্ঠানটির ৩০তম কর্মী হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে অবশ্য চাকরি যাওয়ায় তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান খুলেছেন। অ্যাপসুমো নামে সে প্রতিষ্ঠানের সিইও তিনি।

নোয়াহ ৯ মাস ফেসবুকে ছিলেন। সে সময়েই তিনি প্রতিষ্ঠান সফল করার জন্য ফেসবুকের অভিজ্ঞতার অনেক বিষয় জেনে নিয়েছেন।

২০১৪ সালে রমিত শেঠিকে এক সাক্ষাৎকার দেন নোয়াহ। রমিত শেঠি 'আই উইল টিচ ইউ টু বি রিচ' নামে বেস্টসেলিং বইয়ের লেখক।

সে সময় তিনি জানান, মার্ক জাকারবার্গ সব সময়ই একটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। এ ক্ষেত্রে তার প্রশ্ন থাকে :
'এটি কি আমাদের বেড়ে উঠতে সহায়তা করবে?'
জাকারবার্গ এ প্রশ্নের মাধ্যমে যেকোনো কাজের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করতেন। সে কাজটি যদি ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানকে বড় হয়ে উঠতে সহায়তা করে কেবল তাহলেই তিনি কাজটি করতে আগ্রহী হয়ে উঠতেন।

বর্তমানে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট মার্ক জাকারবার্গ। তিনি এবং তার কয়েকজন সহপাঠী ২০০৪ সালে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ফেসবুক। সে সময় তিনি হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বছরের সেরা ব্যক্তিত্বরূপে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া অত্যন্ত অল্পবয়সেই তিনি নিজ প্রচেষ্টায় বিলিয়নেয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

জাকারবার্গের সব সময়ই লক্ষ্যই ছিল বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। আর এ কাজের ফলে বড় হয়ে ওঠা তার পক্ষে সম্ভব হয়।

মন্তব্য