• ই-পেপার

অ্যান্ড্রয়েডের কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোপন কোড

৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেল চীনের চিপ নির্মাতা সিএক্সএমটি

অনলাইন ডেস্ক
৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি পেল চীনের চিপ নির্মাতা সিএক্সএমটি
ছবি : রয়টার্স

চীনের মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চ্যাংসিন মেমোরি টেকনোলজিস (সিএক্সএমটি) প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেনসেন্টের সঙ্গে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তির মূল্য ২০ বিলিয়ন ইউয়ানেরও বেশি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার সমান।

সোমবার (২৯ জুন) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ চুক্তির আওতায় সিএক্সএমটি আগামী কয়েক বছর টেনসেন্টকে সার্ভারে ব্যবহৃত ডিআরএএম মেমোরি চিপ সরবরাহ করবে। সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর হতে পারে।

ডিআরএএম চিপ ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটাবেইস এবং ডেটা সেন্টার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের চিপের চাহিদা বাড়ায় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তিতে আগ্রহী হচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, সিএক্সএমটি খুব শিগগিরই সাংহাই শেয়ারবাজারে বড় আকারের শেয়ার ছাড়ার (আইপিও) প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর আগে টেনসেন্টের সঙ্গে এ চুক্তি প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিএক্সএমটি ২০১৬ সালে চীনা সরকারের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ডিআরএএম চিপ নির্মাতা। ২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠানটির অংশীদারিত্ব ছিল প্রায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি শুধু টেনসেন্ট নয়, আলিবাবা ক্লাউড, বাইটড্যান্স, লেনোভো ও শাওমিসহ আরও কয়েকটি বড় চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও একই ধরনের চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করছে বলে জানা যায়।

বিশ্বব্যাপী মেমোরি চিপের সংকটের কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ডিআরএএম চিপের দাম আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রায় ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এ বাজারে উচ্চ চাহিদা অব্যাহত থাকতে পারে।

চাহিদা বাড়ায় উৎপাদনও বাড়াচ্ছে সিএক্সএমটি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির দুটি কারখানা হেফেই এবং একটি বেইজিংয়ে রয়েছে। পাশাপাশি সাংহাইয়ে নতুন একটি ডিআরএএম কারখানা নির্মাণ করছে তারা। নতুন কারখানা চালু হলে মাসিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হবে।

তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো প্রযুক্তিগত কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ডিডিআর৫ মেমোরি চিপ উৎপাদনে কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জুলাই থেকে স্মার্টফোন কিনতে গুনতে হবে বেশি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই থেকে স্মার্টফোন কিনতে গুনতে হবে বেশি টাকা
সংগৃহীত ছবি

দেশে আমদানীকৃত অফিশিয়াল স্মার্টফোনের দাম আগামী ১ জুলাই থেকে আরো বাড়তে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আমদানীকৃত মোবাইল ফোনের ওপর দেওয়া বিদ্যমান শুল্কছাড়ের মেয়াদ আর না বাড়ানোর ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বৈধ পথে আসা স্মার্টফোনের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, অবৈধ বা ‘গ্রে-মার্কেট’-এর হ্যান্ডসেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বৈধ আমদানিকারকদের টিকিয়ে রাখতে গত জানুয়ারিতে সরকার আমদানীকৃত স্মার্টফোনের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছিল। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকা এই বিশেষ সুবিধার ফলে আমদানীকৃত হ্যান্ডসেটের ওপর কার্যকর করের হার ৬৪ শতাংশ থেকে কমে ৪৩.৪৩ শতাংশে নেমে এসেছিল। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সুবিধার মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ১ জুলাই থেকে কার্যকর করের হার পুনরায় ৬৪.২৫ শতাংশে ফিরে যাচ্ছে।

জানা গেছে, দেশে এন্ট্রি-লেভেল এবং মিড-রেঞ্জ ফোনের বড় সংযোজন শিল্প গড়ে উঠলেও অ্যাপল, গুগল, হুয়াওয়ে, মটোরোলা, স্যামসাং এবং শাওমির মতো ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম বা ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোর জন্য দেশ পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত শুল্কের বোঝা এসব ফোনের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।

সূত্র জানায়, গত জানুয়ারিতে শুল্ক কমানোর আগেই বিশ্ববাজারে যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার অজুহাতে অনেক ব্র্যান্ড স্মার্টফোনের দাম ৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল। শুল্কের হার পুনরায় ৬৪% হলে বৈধ ও অবৈধ বাজারের দামের পার্থক্য আরো প্রকট হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ শুল্কের কারণে বৈধ পথে আমদানি কমে গেলে দীর্ঘ মেয়াদে সরকার রাজস্ব হারাবে।

এদিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু করলেও গ্রে-মার্কেটে ফোন মিলছে সহজেই।

তীব্র গরমে ঝুঁকিতে এআই ডেটা সেন্টার, বাড়ছে জলবায়ুজনিত হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
তীব্র গরমে ঝুঁকিতে এআই ডেটা সেন্টার, বাড়ছে জলবায়ুজনিত হুমকি
ছবি : এআই জেনারেটেড

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তীব্র গরম, বন্যা, ঝড় ও দাবানলের মতো বৈরী আবহাওয়া এখন ডেটা সেন্টারের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে।

সোমবার (২৯ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

ইউরোপে চলমান রেকর্ড তাপপ্রবাহে যেমন মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে, তেমনি এআই ডেটা সেন্টার সচল রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে সার্ভার ঠান্ডা রাখতে বেশি বিদ্যুৎ প্রয়োজন হচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চাপ বাড়ছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিচ্ছে।

বীমা প্রতিষ্ঠান জুরিখের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণে সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হয়েছে বৈরী আবহাওয়া। প্রতিষ্ঠানটির মোট ক্ষতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এসেছে এ ধরনের ঘটনায়।

জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট স্ট্রিটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ৭৯ শতাংশ ডেটা সেন্টার বন্যা, ঝড় ও দাবানলের মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। বাড়তে পারে মেরামত ও বীমা ব্যয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন নতুন ডেটা সেন্টার বড় শহরের বাইরে নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব এলাকায় আগে চরম আবহাওয়ার রেকর্ড কম থাকলেও বর্তমানে ঝুঁকি বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস, টেনেসি, উইসকনসিন ও ওহাইওতে নির্মাণাধীন ডেটা সেন্টারগুলো টর্নেডো, শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউরোপে স্পেন ও পর্তুগালসহ আইবেরিয়ান অঞ্চলেও তাপমাত্রা বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেটা সেন্টারের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রায় ৪০ শতাংশই শীতলীকরণ ব্যবস্থায় ব্যয় হয়। তীব্র গরমে এ চাহিদা আরো বেড়ে যায়। একই সময়ে বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা চাপে পড়ে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। মাইক্রোসফট জানিয়েছে, তারা এমন ডেটা সেন্টার তৈরি করছে, যা চরম আবহাওয়াতেও সচল থাকবে। অন্যদিকে এনভিডিয়া এমন নতুন এআই সার্ভার এনেছে, যা তুলনামূলক বেশি তাপমাত্রার কুলিং সিস্টেমে চলতে পারে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও পরিচালনা না করলে ভবিষ্যতে এআই শিল্পের ব্যয় এবং ঝুঁকি আরো বাড়বে।

মহাকাশে আরো ২৪ স্যাটেলাইট পাঠাল স্পেসএক্স

অনলাইন ডেস্ক
মহাকাশে আরো ২৪ স্যাটেলাইট পাঠাল স্পেসএক্স
ছবি : রয়টার্স

বৈশ্বিক ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক আরো শক্তিশালী করতে মহাকাশে সফলভাবে ২৪টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে একটি ফ্যালকন ৯ রকেটের সাহায্যে এই স্যাটেলাইটগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়

স্পেসএক্স জানিয়েছে, সফল উৎক্ষেপণ শেষে রকেটটির প্রথম পর্যায়ের বুস্টারটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থানরত একটি ড্রোনশিপে (স্বয়ংক্রিয় জাহাজ) নিরাপদে অবতরণ করেছে। এর মাধ্যমে রকেটের যন্ত্রাংশ পুনঃব্যবহার করার যে নিয়মিত কর্মসূচি রয়েছে কম্পানির, তা সফলভাবে অব্যাহত থাকল।

এই বিশেষ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বজুড়ে স্টারলিংক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের পরিধি আরো বাড়ানো। এর মাধ্যমে বিশেষ করে বিশ্বের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলগুলোতে উচ্চ-গতির (হাই-স্পিড) ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। এই সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের বিশেষ ব্যবহারকারী টার্মিনাল বা আলাদা ডিভাইসের প্রয়োজন ছাড়াই সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সেলুলার সংযোগ চালু করার প্রক্রিয়া সহজ হবে।