• ই-পেপার

আইফোন ৬ প্লাস, নাকি স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৩? দেখুন এক্সপার্টের বিশ্লেষণ

এআইয়ের রূপ ধরে ফিরছে নতুন উপনিবেশবাদ?

অনলাইন ডেস্ক
এআইয়ের রূপ ধরে ফিরছে নতুন উপনিবেশবাদ?
সংগৃহীত ছবি

একসময় উপনিবেশবাদ মানেই ছিল বিদেশি শক্তির হাতে ভূখণ্ড দখল, সম্পদ লুট এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। ইতিহাসের পাতায় সেই সাম্রাজ্যবাদী যুগের অবসান ঘটেছে বহু আগেই। কিন্তু সমালোচকদের একাংশ বলছেন, উপনিবেশবাদ শেষ হয়নি; বরং নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এবার অস্ত্র বা সেনাবাহিনী নয়, এর হাতিয়ার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)।

এক্সিওস এর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যবহারের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে এআই। কিন্তু এই প্রযুক্তি যত শক্তিশালী হচ্ছে, ততই বাড়ছে এর পক্ষপাত ও বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ। 

সমালোচকদের মতে, বর্তমানের অধিকাংশ এআই মডেল আদিবাসী, কৃষ্ণাঙ্গ এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা এসব জনগোষ্ঠীকে ঘিরে প্রচলিত গৎবাঁধা ধারণাকেই আরো শক্তিশালী করছে। এর অন্যতম কারণ, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এআই মডেলগুলোর বড় অংশই প্রশিক্ষিত হয়েছে পশ্চিমা জ্ঞানভান্ডারের ওপর। বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গ পুরুষ লেখক, গবেষক ও চিন্তাবিদদের লেখা বিপুল পরিমাণ তথ্য এসব মডেলের ভিত্তি গড়ে তুলেছে। ফলে এআই প্রায়ই তাদের মূল্যবোধ, ভাষা, দৃষ্টিভঙ্গি ও পক্ষপাতের প্রতিফলন ঘটায়।

সমালোচকদের ভাষায়, এ যেন উপনিবেশবাদেরই ডিজিটাল সংস্করণ। অতীতে যেমন সাম্রাজ্যবাদীরা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভূমি, সম্পদ ও শ্রম দখল করেছিল, এখন তেমনি প্রযুক্তি কম্পানিগুলো বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষের তথ্য সংগ্রহ করছে। অনেক সময় সেই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর অনুমতি ছাড়াই, এমনকি তথ্যের যথার্থতা যাচাই না করেও।

মানবশ্রম ও ডেটা উৎপাদনের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করা ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুলিয়ান পোসাদা বলেন, উপনিবেশবাদকে সাধারণত অতীতের একটি অধ্যায় হিসেবে পড়ানো হয়। কিন্তু বাস্তবে এর বিভিন্ন রূপ এখনো টিকে আছে, যদিও আমরা অনেক সময় তা বুঝতে পারি না।

বেশিরভাগ বৃহৎ ভাষা মডেল বা এলএলএম তৈরি হয়েছে পশ্চিমা, শিক্ষিত, শিল্পোন্নত, ধনী ও গণতান্ত্রিক সমাজে। গবেষণার ভাষায় যেগুলোকে সংক্ষেপে ‘উইয়ার্ড’  বা ‘অদ্ভুদ’ সমাজ বলা হয়। এসব মডেলের ডেটা এসেছে মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, সংবাদ আর্কাইভ এবং ডিজিটাল নথি থেকে, যার বড় অংশের উৎস উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপ।

ফলে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে এআই অনেক সময় পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেয়। এতে স্থানীয় বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক সূক্ষ্মতা হারিয়ে যায়।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আদিত্য বাশিষ্ঠ একটি উদাহরণ তুলে জানান, এআই প্রায়ই সব ভারতীয় খাবারকে ‘মশলাদার’, ‘সুগন্ধযুক্ত’ এবং ‘সমৃদ্ধ’ বলে বর্ণনা করে। অথচ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের খাদ্যসংস্কৃতি একে অপরের থেকে ব্যাপকভাবে ভিন্ন। এসব ব্যবহৃত মসলা, রান্নার কৌশল এবং স্বাদের ধরন অঞ্চলভেদে বদলে যায়। কিন্তু এআই সেই বৈচিত্র্যকে প্রায়ই এক ছাঁচে ফেলে দেয়।

‘ডেটা গ্র্যাব: দ্য নিউ কলোনিয়ালিজম অব বিগ টেক অ্যান্ড হাউ টু ফাইট ব্যাক’ বইয়ের সহ-লেখক নিক কুড্রির মতে, মানুষের তথ্যকে অবাধে সংগ্রহ করে নিজের সম্পদে পরিণত করাই নতুন উপনিবেশবাদের কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য।

তার ভাষায়, ইন্টারনেটে সবকিছু উন্মুক্ত, তাই আমরা তা নিয়ে নিতেই পারি। এমন মানসিকতা উপনিবেশবাদের পুরোনো যুক্তিরই আধুনিক সংস্করণ।

গবেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতাও এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে।

কুইন্স ইউনিভার্সিটির ফেলো এবং পিকোয়াকানাগান ফার্স্ট নেশনের সদস্য মাইকেল শেরবার্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এআই কোম্পানি চীনা প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলতে চায়। ফলে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা, তাদের জ্ঞানব্যবস্থার ধরণ বোঝা কিংবা তাদের সম্মতি নেওয়ার মতো কাজগুলো বেশ ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। তাই তাদের কাছে এই কাজগুলো অগ্রাধিকার পায় না।

কামা ডট এআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং চ্যাপলিউ ক্রি ফার্স্ট নেশনের সদস্য ব্রায়ান রিচি জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলননে আদিবাসিদের অংশগ্রহণ দেখেছি। কিন্তু এআই প্রশিক্ষণের সেমিনারগুলোতে অংশগ্রহণের নজির দেখি নি।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিপুল জ্ঞানভান্ডারের বড় অংশই লিখিত নয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তা মৌখিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে। ফলে লিখিত তথ্যনির্ভর এআই মডেলগুলোর পক্ষে সেই জ্ঞান আত্মস্থ করা কঠিন। অন্যদিকে কিছু জ্ঞান ও ঐতিহ্য সচেতনভাবেই গোপন রাখা হয়, যা কখনও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যাটি শুধু ভুল তথ্য বা সাংস্কৃতিক বিকৃতি নয়। কারণ এআই এখন ক্রমশ মানুষের জ্ঞান অর্জন, ইতিহাস বোঝা এবং নিজের পরিচয় নির্মাণের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠছে। ফলে মানুষ নিজেদের সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং এমনকি সত্য-মিথ্যা নিয়ে কীভাবে ভাববে তা এআইয়ের তৈরি ব্যাখ্যা ও উত্তরগুলোর উপরই নির্ধারিত হবে ।

সেই কারণেই অনেক গবেষক প্রশ্ন তুলছেন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই সবার জ্ঞানকে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করছে, নাকি প্রযুক্তির আবরণে আবারও প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এক নতুন ধরনের উপনিবেশবাদ?

স্পেসএক্সের আইপিওতে রাতারাতি কোটিপতি হলেন হাজারো কর্মী

অনলাইন ডেস্ক
স্পেসএক্সের আইপিওতে রাতারাতি কোটিপতি হলেন হাজারো কর্মী
ছবিঃ রয়টার্স

বিশ্বের অন্যতম মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর শেয়ারবাজারে অভিষেক (আইপিও) হাজারো কর্মীর জীবন বদলে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কম্পানির শেয়ার ধরে রাখা অনেক কর্মী এখন রাতারাতি মিলিয়নিয়ার বা কোটিপতিতে পরিণত হয়েছেন। এর ফলে সম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতেও দেখা যাচ্ছে নতুন এক প্রবণতা।

শুক্রবার (১২ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়।

স্পেসএক্সের ১০০-এর বেশি কর্মী একত্রিত হয়ে তাদের বিপুল সম্পদের জন্য কম খরচে আর্থিক পরামর্শ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা সেবা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ১ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে তারা আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চোরিও-এর সঙ্গে একটি বিশেষ চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রচলিত বাজারদরের তুলনায় কম ফিতে তাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনা সেবা দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বড় সংখ্যক নতুন ধনী একসঙ্গে একই ধরনের আর্থিক সেবা গ্রহণের ঘটনা খুবই বিরল।

আর্থিক পরামর্শকদের মতে, স্পেসএক্স কর্মীদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো তাদের সম্পদের বেশিরভাগই কম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা। অনেকের ক্ষেত্রে মোট সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশই স্পেসএক্সের শেয়ারে রয়েছে। ফলে বাজারে ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে বিনিয়োগ বৈচিত্র্যকরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তবে কর্মীদের অনেকেই কম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তারা সহজে শেয়ার বিক্রি করতে চান না। এজন্য কর-সাশ্রয়ী বিনিয়োগ পরিকল্পনা, এস্টেট ম্যানেজমেন্ট এবং দাতব্য তহবিল গঠনের মতো বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিচ্ছেন।

পরামর্শকরা জানান, স্পেসএক্সের বেশিরভাগ কর্মী প্রকৌশলী বা প্রযুক্তি খাতের পেশাজীবী হওয়ায় তারা আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রতিটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেন। অনেকেই বৈঠকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক টুল যেমন চ্যাট জিপিটি বা ক্লাউড থেকে পাওয়া পরামর্শ নিয়ে আসছেন এবং সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই ধনী কর্মীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা, কর ব্যবস্থাপনা এবং সম্পদ সুরক্ষার কৌশল শেখা। আর সেই চাহিদা পূরণে এখন প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক, বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কম্পানি।

স্পেসএক্সের আইপিও শুধু নতুন কোটিপতি তৈরি করেনি, বরং সম্পদ ব্যবস্থাপনা শিল্পেও নতুন বাস্তবতার সূচনা করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অবশেষে সচল হলো ফেসবুক

অনলাইন ডেস্ক
অবশেষে সচল হলো ফেসবুক
রয়টার্স ছবি

কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর সচল হয়েছে বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। শুক্রবার রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মেটার মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্ম আবার স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে।

এর আগে আজ সন্ধ্যা ৭টার পর হঠাৎ করেই বিশ্বজুড়ে মেটার এই জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে বিপর্যয় দেখা দেয়। মেটার অ্যাপ ও ওয়েবসাইট ব্যবহারে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েন লাখো ব্যবহারকারী। 

এমনকি যারা আগে থেকেই লগ ইন অবস্থায় ছিলেন, তাদের অ্যাকাউন্টও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘লগ আউট’ হয়ে যায়।

অবশেষে রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশে ফেসবুকের সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে এই বিভ্রাটের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, কম্পিউটার (ওয়েব) কিংবা মোবাইল অ্যাপ–কোনো সংস্করণ দিয়েই ফেসবুক ব্যবহার করা যায়নি।

এদিকে ফেসবুক, মেসেঞ্জার এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের অনেকেও একই সমস্যার কথা বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগের তিনটি প্ল্যাটফর্মই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার মালিকানাধীন।

হঠাৎ ফেসবুক বন্ধ!

অনলাইন ডেস্ক
হঠাৎ ফেসবুক বন্ধ!
রয়টার্স ছবি

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হঠাৎই বিভ্রাট দেখা দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ৮টার দিকে এ সমস্যা দেখা দেয়।

এ সময় মোবাইল ও কম্পিউটারে একসঙ্গে ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। প্ল্যাটফর্মটিতে ঢোকার চেষ্টা করলে উইন্ডোতে ‘সরি, সামথিং ওয়েন্ট রং’ লেখা দেখা যাচ্ছে।

ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণকারী প্ল্যাটফর্ম ডাউনডিটেক্টরের তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুকের পাশাপাশি ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামেও একই ধরনের সমস্যা দেখা গেছে। 

অনেক ব্যবহারকারী ফেসবুকে লগ ইন করতে পারেননি। লগ ইনের চেষ্টা করলে তাদের সামনে ‘This page isn't available right now’ (এই পেজটি বর্তমানে উপলব্ধ নয়) বার্তা প্রদর্শিত হচ্ছিল।

এ ছাড়া বহু ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ইনস্টাগ্রামের পেজ লোড হচ্ছিল না এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারও অকার্যকর হয়ে পড়ে।

তবে কখন এই সমস্যার সমাধান হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সময়সূচি জানানো হয়নি। ফেসবুক ডাউন হওয়ার বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঠিক কী কারণে এই সমস্যা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সাময়িক এই বিভ্রাটের কারণে বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও বিরক্তি দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে ইউটিউবার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর জন কোপল্যান্ড তার ব্যক্তিগত সামাজিক মাধ্যম টুইটারে বলেছেন, ‘আর কারো কি ফেসবুক মেসেঞ্জার থেকে লগ আউট হয়ে যাওয়ার পর আবার লগ ইন করতে পারছেন না? অজানা ত্রুটি।’

আইফোন ৬ প্লাস, নাকি স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৩? দেখুন এক্সপার্টের বিশ্লেষণ | কালের কণ্ঠ