kalerkantho

চিনিশিল্প লাভে আনতে পণ্যে বৈচিত্র্যের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি খাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, এ শিল্প লাভজনক করতে চিনিকলে শুধু চিনি করলেই চলবে না, অন্য খাদ্যপণ্যও উৎপাদন করতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ ও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।

শিল্পমন্ত্রী গতকাল রবিবার ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের এ সভায় শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা ও করপোরেশনের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১০টি নতুন প্রকল্পসহ মোট ৫২টি উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি বিনিয়োগ প্রকল্প, চারটি কারিগরি এবং একটি নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্প রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ এক হাজার ৬৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি খাতে ৯৩৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, প্রকল্প সাহায্য খাতে ৫৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন খাতে ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

সভায় প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় প্রকল্প সম্পর্কিত সমস্যাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকল্পের বাস্তবায়ন তদারকি এবং অগ্রগতির চিত্র গণমাধ্যমে প্রচারের তাগিদ দেওয়া হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, কৃষিভিত্তিক এ শিল্পকে লাভজনক করতে চিনিকলের উপজাত (বাই-প্রডাক্ট) ব্যবহার করে নতুন পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে হবে। চিনিকলগুলোতে বিদ্যমান কাঁচামাল ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদনের প্রয়াস জোরদার করতে হবে। তিনি ছোট ও নিম্নমানের প্রকল্প না নিয়ে বৃহৎ আকারে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণের পরামর্শ দেন। যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে ঘন ঘন খুচরা যন্ত্রাংশ বদলানোর প্রয়োজন হবে, সেগুলো পরিহার করে গুণগতমানের প্রকল্প গ্রহণ ও দক্ষতার সঙ্গে ওই সব প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন।

মন্তব্য