kalerkantho

সি পার্লের আইপিও অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড। পাঁচ তারকা মানের এই হোটেলটি দেড় কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করবে।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশের (এক্সিম) ৬০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে ইস্যু করতে পারবে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট। উত্তোলিত মূলধনের ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে হোটেলের ১৫৭টি রুমের আসবাব ক্রয় ও ফিনিশিংয়ের কাজ করবে। দুই কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে জমি ক্রয় ও এক কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে আইপিও ব্যয় নির্বাহ করবে।

সি পার্ল ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চার কোটি ৬১ লাখ টাকার নিট মুনাফা করেছে। শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ০.৬৭ টাকা। ২০১৮ সালের ৩০ জুন নিট শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ১০.৪৮ টাকা। ২০০৯ সালের ২৬ মে প্রাইভেট কম্পানি হিসেবে গঠিত সি পার্লের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর প্রাইভেট কম্পানি থেকে পাবলিক কম্পানিতে রূপান্তর হয়। আইপিওতে কম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট।

এক্সিম ব্যাংকের বন্ড : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশের (এক্সিম) ৬০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এই বন্ডটির মেয়াদ সাত বছর। প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে, যা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইনস্যুরেন্স কম্পানি, অফসোর উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন অর্থ উত্তোলন করে এক্সিম ব্যাংক টায়ার-২ ক্যাপিটাল বেজ শক্তিশালী করবে। বন্ডের ট্রাস্টি এবং ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে রয়েছে যথাক্রমে গ্রিণ ডেল্টা ইনস্যুরেন্স ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

মন্তব্য