kalerkantho


‘ফিন্যানশিয়াল ইনক্লুশন’ সম্মেলনে বক্তারা

প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবায় জোর দিচ্ছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়েও আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে নীতিগত সহায়তা প্রদান করছে সরকার। অনলাইনে আর্থিক সেবা প্রদানে যাবতীয় বাধা দূর করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইনক্লুশন কনফারেন্স-২০১৮-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

‘ইউএন ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড’ (ইউএনসিডিএফ) দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে ডিজিটাল ফিন্যান্স ও ফিন্যানশিয়াল ইনক্লুশন বিষয়ে একাধিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিরা এতে মতামত ব্যক্ত করেন। সম্মেলনের পাশাপাশি ডিজিটাল ফিন্যানশিয়াল সিস্টেমস (ডিএফএস) মেলাও অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পণ্য প্রদর্শন করে। এদিকে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের সেশন পরিচালিত হয়। যার মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন, ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে বাংলাদেশ কিভাবে সংযোগ সাধন করবে, প্রযুক্তি ব্যবহারে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসা উন্নয়নে প্রযুক্তিনির্ভর সাপ্লাই চেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে রেমিট্যান্সের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন বিশেষজ্ঞরা।

উদ্বোধনী সেশনে মডারেটর ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোস্যাল চেঞ্জের পরিচালক কে এ এম মোরশেদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। আলোচনায় অংশ নেন সরকারের আইসিটি ডিভিশনের অতিরিক্ত সচিব (অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি) রাশেদুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি) অরিজিত চৌধুরী ও ইউএনসিডিএফের প্রগ্রাম ম্যানেজার রাজিব কুমার গুপ্ত।

আবুল কামাল আজাদ বলেন, ‘দেশের তরুণ, বৃদ্ধ, শিশু সবাই সামাজিক সুরক্ষা নেটে ফিন্যানশিয়াল ইনক্লুশনের আওতায় রয়েছে। ব্যাংকগুলোতে ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে এই ইনক্লুশনের সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে সেবা নিশ্চিতে সহায়তার পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। এখন প্রযুক্তিসম্পন্ন মানবসম্পদ ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ চলছে। আমরা খুব সতর্কতার সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যম যেন কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত না হয় বা কেউ প্রভাবিত করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখছি।’

অরিজিত চৌধুরী বলেন, আর্থিক খাতের ডিজিটাইজেশনে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করে নীতিমালা করা হয়েছে। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরিই ডিজিটাইজড হচ্ছে। আর্থিক খাতের উন্নয়নেও সরকার কাজ করছে।

রাজিব কুমার গুপ্ত বলেন, আর্থিক খাতের উন্নয়নে উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ নিজেও কিভাবে উন্নতি করতে পারে এ বিষয়ে কৌশল ঠিক করা প্রয়োজন।



মন্তব্য